এক নজরে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭

শুক্রবার সন্ধ্যায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭-এর ২০তম আসর বসেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ২০১৮ সালের ‘আজীবন সম্মাননা’ দেওয়া হয়েছে চিত্রনায়িকা ববিতাকে। এরপর টিভি নাটকের জন্য সমালোচক পুরস্কার দেওয়া হয় চারজনকে।

চলচ্চিত্র সমালোচক পুরস্কার শাখায় সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘খাঁচা’। এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর ও আকরাম খান। ‘খাঁচা’ পরিচালনা করে সেরা পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন আকরাম খান। একই ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে সেরা অভিনেতার সম্মাননা পেয়েছেন আজাদ আবুল কালাম। আর ‘ছিটকিনি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন রুনা খান। বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন বিভাগে ১৬ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এক নজরে পুরস্কারপ্রাপ্তরা—

অজানা কিছু তথ্য | আপনি জানেন কি?

  • কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ২৮,০০০ গুণ বেশি ।
  • প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই সবচেয়ে বেশি ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা) ।
  • একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।
  • মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে পারে ।
  • পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে,আর তা শুনে কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ ।
  • হামিং বার্ড পাখি পিছনের দিকে উড়তে পারে ।
  • গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ দুটি দুই দিকেই নাড়তে পারে ।
  • টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম পাড়ে ।
  • মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায় ।
  • একমাএ পিঁপড়েই কোনদিন ঘুমায় না
  • সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর মাটির নিচে ঘুমায় । তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে এসে চিতকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায় মারা যায় ।
  • সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও শোনা যায়।
  • অনেকের ধারণা হাঙ্গর মানুষকে হাতের কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের হাতেই বেশী হাংগর মারা পড়েছে।
  • কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।
  • আপনি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে ৪৮০০টি শব্দ ব্যবহার করেন। বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
  • আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে বানানো
    যাবে।
  • একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।
  • আপনার যদি একটা তারকা গুনতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি
    গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে প্রায় ৩ হাজার বছর।
  • অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ শামুকের ২৫ হাজার দাঁত আছে।
  • চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব না।
  • বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ কুকুর পারে ১০ রকম।
  • পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই পোকামাকড়।
  • একটি তেলাপোকা তার মাথা ছাড়া ৯ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়|

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮

বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের কম্পিউটার কেন্দ্রের জন্য ২টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ এপ্রিল, ২০১৮ ইং

পদ সমূহ: ১) সহকারী প্রোগ্রামার ২) সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার।

সরকারী পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের নাম, টেকনোলজি , আসন সংখ্যা ও ফোন নাম্বার (ডিপ্লোমা)

বাংলাদেশে সরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৪৯। আসুন জেনে নেওয়া যাক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলোর নাম আসন সংখ্যা ও ফোন নম্বরঃ

১. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

ফোনঃ 88-02-9116724

ডোনাল্ড ট্রাম্পের জানা অজানা | Facts About Donald Trump

আমেরিকার ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মানুষটাই কেমন অন্যরকম! এপর্যন্ত বহুবার তার কথা এবং কাজের জন্য সমালোচিত এবং বিতর্কিত হয়েছেন। কিন্তু কিভাবে যে তিনি আমেরিকার প্রেসিডেনট হয়ে গেলেন, তা এখনো অনেকটাই অলৌকিক ব্যাপারের মতোই। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে জানা-অজানা কিছু তথ্য।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ২০১৯-এ অফিসার ক্যাডেট ব্যাচ (পুরুষ)-১ম গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ২০১৯-এ অফিসার ক্যাডেট ব্যাচ (পুরুষ)-১ম গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৮। ২০১৮ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

বেতন ও ভাতা : সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য সুবিধাদিসহ সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী অফিসার ক্যাডেটগন বেতন ও ভাতা প্রাপ্ত হবেন। পরবর্তীতে মিডশিপম্যান হিসেবে পদোন্নতির পর উচ্চতর স্কেলে বেতন প্রাপ্ত হবেন।

বিদেশে প্রশিক্ষন, উচ্চতর প্রশিক্ষনের সুবিধা, জাতিসংঘ মিশন, বাসস্থান ও চিকিৎসার সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

 বাংলাদেশে ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষনীয় স্থান সমূহের নাম | Part: 1

আজ আপনাদের দেখাবো বাংলাদেশে ঘুড়ে বেড়ানোর জন্য চমৎকার কিছু স্থান। আপনারা অবসরে এগুলো থেকে সহজেই ঘুরে  আসতে পারেন। (লেখাটি অনেক বড় হয়ে গেছে তাই  দুটি অংশে ভাগ করে লেখা হয়েছে ২য় অংশটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন : বাংলাদেশে ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষনীয় স্থান সমূহের নাম | Part: ২)

১) সিলেট এর – হযরত শাহ্ জালাল (রহঃ) মাজার, হযরত শাহ্ পরান (রহঃ) মাজার, হযরত শাহ্ জালাল (রহঃ) বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চিড়িয়াখানা, সুরমা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য), শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, তামাবিল, জাফলং, লালখাল, বিছানাকান্দি নদী, হাকালুকির হাওর, রাত্তারগুল, সোয়াম্প ফরেষ্ট, ভোলাগঞ্জের পাথর কোয়ারী, উতমাছড়ার পাথররাজ্য, জাকীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, যাদুকাটা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য), ড্রিমলেন্ড ওয়াটার পার্ক।
বিশেষত্বঃ সিলেট এর – কমলালেবু, আনারস ভালো, চা এর জন্য প্রশিদ্ধ এবং শ্রীমঙ্গলের সাত রং এর চা  ।

২)দিনাজপুর এর –রামসাগর দিঘী, কবিগুরু রবীন্দনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী।
বিশেষত্বঃ কাটারীভোগ চাল, চিড়া, পাপড় ভালো, সুমিষ্ট লিচুর জন্য প্রশিদ্ধ ।

৩)পঞ্চগড় এর – গাজী চা বাগান, বাংলাবান্দা স্হল বন্দর।
বিশেষত্বঃ এর – চা ভালো ।

৪) রংপুর এর – পায়রাবন্দ জমিদার বাড়ী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, তাজহাট জমিদার বাড়ী (বর্তমানে যাদুঘর হিসাবে ব্যবহ্ত হচ্ছে), টেপাঠাকুর জমিদার বাড়ী, মন্থনার জমিদার বাড়ী, পীরগাছার দেবী চৌধুরাণীর রাজবাড়ী, ইটাকুমারীর জমিদার শিবচন্দ্র রায় এর রাজবাড়ী, চিকলির বিল, হযরত কেরামত আলী জৌনপুরী (রহঃ) মাজার ও মসজিদ, রংপুর চিড়িয়াখানা, রংপুর মেডিকেল কলেজ, শতবষী’ কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঘাঘট প্রয়াস পার্ক, শিরীন পার্ক, কাউনিয়ার আনন্দ মঠ, নিসবেতগঞ্জের শতরঞ্জী পল্লী, পাগলাপীরে ভিন্নজগৎ পার্ক, আনন্দনগর, জলঢাকার তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প, রংপুর তুলা গবেষণা কেন্দ্র, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
বিশেষত্বঃ শ্যামপুর চিনিকলের চিটাগুড় ভালো, আখ, হাড়ি ভাঙ্গা আম, শতরঞ্জি, তামাকের জন্য প্রশিদ্ধ ।

৫)গাইবান্ধা এর – যমুনা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য), ফুলছড়ি বালাসীঘাট (রেলওয়ে ওয়াগন ঘাট)।
বিশেষত্বঃ গাইবান্ধা এর- রসমুঞ্জরী ভালো ।

৬) নীলফামারী এর – নীলসাগর, ফুলবাড়ীর স্বপ্নপুরী থীম পার্ক।
বিশেষত্বঃ পিঠাপুলি, গমের জন্য প্রশিদ্ধ ।

৭) নাটোর এর – কবিগুরু রবীন্দনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ীল।
বিশেষত্বঃ নাটোর এর – কাঁচাগোল্লা ভালো ।



৮) রাজশাহী এর – হযরত শাহ্ মখদুম (রহঃ) মাজার, হযরত শাহ্ দৌলা (রহঃ)ও তাঁর ছেলে শাহ্ আব্দুল হামিদ দানিশমন্দ (রহঃ) মাজার, বাঘার পাঁচশত বছরের সুপ্রাচীন মহল পুকুর দীঘি, বরেন্দ্র যাদুঘর, পদ্মা নদীর তীরস্হ শহর রক্ষা বাঁধ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আম্রবাগান, বিখ্যাত ফজলী আমের বাগান, পুটিয়া রাজবাড়ী, চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের হযরত নিয়ামত উল্লাহ শাহ (রহঃ) এর মাজার।
বিশেষত্বঃ রাজশাহী এর কালাই রুটি, লিচু ভালো, শিল্ক বস্ত্র, ফজলী আমের জন্য প্রশিদ্ধ ।

৯) নওগাঁ এর – পাহাড়পুর বৈদ্ধ-বিহার।

১০) বগুড়া এর – মহাস্হানগড় যাদুঘর, বেহুলা সুন্দরীর বাসরঘর, করতোয়া নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য)।
বিশেষত্বঃ বগুড়া এর মালভোগ কলা ভালো, কুমড়া বড়ি, দই এর জন্য প্রশিদ্ধ ।

১১) পাবনা এর – চরনবিল, রাজেন্দ্রমোহন জমিদার বাড়ী, পাকশি ব্রিজ, পদ্মা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য)।
বিশেষত্বঃ পাবনা এর – ঘি ভালো, লঙ্গি গামছার জন্য প্রশিদ্ধ ।

১২) সিরাজগজ্ঞ এর – যমুনা বহুমুখী সেতু, যমুনা রিসোট।
বিশেষত্বঃ সিরাজগজ্ঞ এর – মাখন ভালো, ধানশিঁড়ির দই, লুঙ্গি, গামছা এর জন্য প্রশিদ্ধ ।

১৩) টাঙ্গাইল এর – মহেরাপ্যালেস রাজবাড়ী, ধনবাড়ি জমিদার বাড়ী, আনসার এন্ড ভি.ডি.পি একাডেমী, মধুপুরের গড়।
বিশেষত্বঃ টাঙ্গাইল এর – চমচম ভালো, তাঁতের শাড়ী, লুঙ্গির জন্য প্রশিদ্ধ ।

১৪) নরসিংদী এর – উয়রি ও বটেশ্বর গ্রামের প্রত্নতত্ত্ব, ড্রীম হলিডে এমিউসমেন্ট পার্ক, মাধবদীর বালাপুর লক্ষন সাহার জমিদার বাড়ী, নবীন সাহার জমিদার বাড়ী।
বিশেষত্বঃ নরসিংদী এর – দধি, কলা ভালো, ড্রাগন ফলের জন্য প্রশিদ্ধ ।

১৫) গাজীপুর এর – ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট সন্নিহিত এলাকা, “ফেন্টাসী কিংডম” এমিউজমেন্ট পার্ক, নন্দন পার্ক, বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, নূহাষ পল্লী, কালিয়াকৈর ঢাকা রিসোট’, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিষ্টিটিউট, কালিগঞ্জের কাছে পলাশ উপজেলার ডাংগা বাজার সংলগ্ন লক্ষ্মণ সাহার জমিদার বাড়ি।
বিশেষত্বঃ গাজীপুর এর – কাঁঠাল, পেয়ারা ভালো ।

১৬) ঢাকা এর – লালবাগের দুগ’, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, হোসনী দালান, আহসান মঞ্জিল, চীন বাংলাদেশ মৈত্রী (বুড়িগঞ্জা) সেতু, শাহবাগ জাতীয় যাদুঘর, জাতীয় শিশু পার্ক, হাতীরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্প এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কাজ’ন হল, ভাষা শহীদ মিনার, জাতীয় তিন নেতার সমাধী, মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা ও সন্নিহিত বোটানিক্যাল গাডে’ন, মিরপুর সামরিক যাদুঘর ও বিমান বাহিনী যাদুঘর, আগারগাঁ বিজ্ঞান যাদুঘর, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, বলধা গাডে’ন, জাতীয় সংসদ ভবন, চদ্রিমা উদ্যান, সরোওয়াদি’ উদ্যান ও মুক্তিযুদ্ধের শিখা চিরন্তন, রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবি স্মৃতিস্তম্ভ, সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধ, সাভারের সাদুল্লাপুর গোলাপ গ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভারের বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই)লেক, হযরত শাহজালাল আন্তজা’তিক বিমান বন্দরের সুবিশাল ঝিল।
বিশেষত্বঃ ঢাকা এর – বাঁকরখানী ভালো, মিরপুর বেনারসী শাড়ীর জন্য প্রশিদ্ধ ।

১৭) নারায়নগঞ্জ এর – সিদ্ধিরগজ্ঞ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিদ্ধিরগজ্ঞ জামদানী শাড়ী পল্লী, ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা, বাংলার তাজমহল, পানাম সিটি, সোনারগাঁ পল্লী যাদুঘর, নবাবগঞ্জ জমিদার বাড়ী, রুপগঞ্জের মুড়াপাড়া রাজবাড়ী, শীতলক্ষা নদী।
বিশেষত্বঃ নারাযনগঞ্জ এর – গেঞ্জি, গামছা ভালো, সিদ্ধিরগঞ্জ জামদানী শাড়ীর জন্য প্রশিদ্ধ ।

১৮) কুমিল্লা এর – ধম’সাগর, কবি নজরুল ইসলাম যাদুঘর, কোটবাড়ী পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, শালবন বৈদ্ধ-বিহার, রুপবান মুরা, ইটাখলা মুরা, নুরজাহান ইকো পার্ক, ব্লু- ওয়াটার পার্ক, লালমাই পাহাড়, ময়নামতির সেকেন্ড ওয়াল্ড’ ওয়ার সেমিট্রি, দাউদকান্ধীর মেঘনা-গুমতী নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য)।
বিশেষত্বঃ কুমিল্লা এর – মাতৃভান্ডারে রসমালাই, পেড়া ভালো, কারু পণ্য, খাদি খদ্দর বস্ত্রের জন্য প্রশিদ্ধ।

১৯) চাঁদপুর এর – পদ্না-মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর সঙ্গমস্হল, পুরাতন রেলওয়ে ষ্টেশন, হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ,
বিশেষত্বঃ চাঁদপুর এর – তরমুজ, তাজা ইলিশ মাছ ভালো ।

২০) ময়মনসিংহ এর – ত্রিশালে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, গজনী অবকাশ কেন্দ্র, মধুটিলা ইকো পার্ক।

বিশেষত্বঃ জামালপুর এর – ছানার পোলাউ, ছানার পায়েস ভালো, মুক্তাগাছার মন্ডা ভালো ।

২১) কিশোরগজ্ঞ এর – ভৈরব সড়ক ও রেল সেতু, মেঘনা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য)।
বিশেষত্বঃ বাহ্মন-বাড়িয়া এর – দুধের সন্দেশ, তালের বড়া ভালো, বালিশ মিষ্টি ভালো ।

২২) সুনামগঞ্জ  এর- শিমুল বাগান, টাঙ্গুয়ার হাওর, জাদুকাটা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য)।
বিশেষত্বঃ সুনামগজ্ঞ এর – চা, কমলা, বাতাবী লেবু, ভালো ।

২৩) মৌলভীবাজার এর- শমশেরনগর ডানকান লেক, হাইল-হাওরের বাইক্কার বিল, মাধবকুন্ড প্রাকৃতিক ঝরণা, মাগুরছড়া ন্যাশনাল পার্ক, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান।
বিশেষত্বঃ মৌলভীবাজার এর – কমলালেবু, ম্যানেজার ষ্টোরের রসগোল্লা ভালো ।



২৪) চট্রগ্রাম এর – বড়তাকিয়ার খৈয়াছড়া ঝর্না, নাপিত্তাছড়া ঝর্না, সীতাকুন্ড চন্দ্রোনাথ পাহাড় ও ইকোপার্ক, মহামায়া রবারডেম প্রকল্প মিরসরাই, বড় দারোগারহাট কমলদহ ঝর্না, সুপ্তধারা ঝর্না, সহস্র ধারা ঝর্না, ফৌজদারহাট গল্ফ ক্লাব, কুমিরা ঘাট, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, ক্যাফে ২৪, খেজুরতলা বীচ, ফৌজদারহাট শীপ ব্রেকিং ইয়াড’, ভাটিয়ারী লেক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, গোল্ডন সী বিচ, হযরত শাহ্ আমানত (রহঃ) আন্তজাতি’ক বিমান বন্দর, প্রজাপতি পার্ক, নেভাল একাডমী, বাঁশখালী ইকোপার্ক, ফইল্লাতলী সাগরের পাড় ও ম্যানগ্রোভ বন, অভয়মিত্র ঘাট, চট্রগ্রাম নৃ-তাত্নীক যাদুঘর, রেলওয়ে সদর দপ্তর (সি.আর.বি) ও রেলওয়ে জাদুঘর, ঝাউতলা আবহাওয়া অফিস ও ব্র্যাক এর পাহাড়, ফয়েজলেক ওয়াটার ওয়াল্ড’ এন্ড এমিউসমেন্ট পার্ক, চট্রগ্রাম চিড়িয়াখানা, বাটালী পাহাড় (বিজয় স্তম্ভ), জিলাপী পাহাড়, ডি.সি হিল, কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ, কালুরঘাট রেল সেতু, ফিরিঙ্গিবাজার ব্রীজ ঘাট/ফিসারী ঘাট (নৌ- ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য), জাতিসংঘ পার্ক, বিপ্লব উদ্যান, সেকেন্ড ওয়াল্ড’ ওয়ার সিমেট্রি, হালদা নদী, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সন্নিহিত এলাকা, হযরত শাহ্ আমানত (রহঃ) মাজার, হযরত গরীবুল্লা শাহ্ (রহঃ) মাজার, ফটিকছড়ির হযরত মাইজভান্ডার (রহঃ) দরগাহ্ কমপ্লেক্স, রাঙ্গুনিয়া ইকো পার্ক, কাপ্তাই ন্যাশনাল ফরেষ্ট, কাপ্তাইয়ের বিলাইছড়ি ধুপপানি ঝরণা, রাঙ্গুনীয়ার শেখ রাসেল এভিয়ারী এন্ড ইকো পার্ক, চন্দ্রোঘোনা কণ’ফুলী কাগজ কল, বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাকৃতিক ঝরণা, ফটিকছড়ির চা-বাগান, কর্ণফুলি চা বাগান, খৈয়াছড়া চা বাগান, উদালিয়া চা বাগান, বারমাসিয়া চা বাগান, এলাহীনুর চা বাগান, রাঙাপানি চা বাগান, আছিয়া চা বাগান, নাছেহা চা বাগান, দাঁতমারা চা বাগান, হালদা ভ্যালী চা বাগান, পঞ্চবটি চা বাগান, মা জান চা বাগান, মোহাম্মদনগর চা বাগান, নেপচুন চা বাগান, রামগড় চা বাগান, আনোয়ারার হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) মাজার, পারকি বীচ।
বিশেষত্বঃ চট্রগ্রাম এর – মধুবনের মিষ্টি, গণি বেকারীর বেলা বিস্কুট, লবণ, সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি ভালো, ফটিকছড়ির মিষ্টি মরিচ, বাশখালীর লিচু, মেজবানী মাংসের ভোজের এর জন্য প্রশিদ্ধ ।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: উল্লেখিত জেলা বা বিভাগ সমূহে যদি কোনো আকর্ষনীয় বা পর্যটন স্থান বাদ পরে থাকে এবং কোন ভূল হয়ে থাহলে আমাদের জানাবেন)

(২য় অংশটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন : বাংলাদেশে ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষনীয় স্থান সমূহের নাম | Part: ২)

বাংলাদেশে ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষনীয় স্থান সমূহের নাম | Part: 2

১) কক্স-বাজার  পৃথিবীর দীর্ঘতম (প্রায় ১২০ কি.মি দৈঘ্যের) সমুদ্র সৈকত, (ইনানী বিচ, কলাতলী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্ট, ডায়াবেটিস হাসপাতাল পয়েন্ট ইত্যাদি অন্যতম), কক্রেসবাজার বাতিঘর, ডি.সি পাহাড়, মরিচ্চ্যা, হীমছড়ি,বাজারঘাটা বামি’জ মাকে’ট, ডুলাহাজারাস্হ বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, রামুর সেনানিবাস কতৃ’ক পরিচালিত অবকাশ কেন্দ্র ও বোটানিক্যাল গাডে’ন, গোয়ালিয়াপাড়ার বৈদ্ধ ধমা’বলম্বীদের মন্দির/পেগডা, কুতুবদিয়ার হযরত মালেক শাহ (রহঃ) মাজার, কুতুবদিয়া বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহেষখালির আদিনাথ মন্দির, টেকনাফের বিচ ও নাফ নদীর মোহনা, মাথি’নের কুপ, নারিকেল জিঞ্জিরা খ্যাত সেন্টমাটি’ন দ্বীপ, শাহ্ পরীর দ্বীপ, ছেরাদ্বীপ, বাংলা চ্যানেল খ্যাত সোনাদিয়া দ্বীপ,
বিশেষত্বঃ কক্রবাজার এর- সামুদ্রিক শামুক, ঝিনুকের অলংকার, মুক্তা, শুঁটকি, লবণ, সুপারী, টেকনাফ এর মহেষখাইল্লা মিষ্টি পান, আচার ভালো, চিংড়ী, লৈট্টা মাছ, তরমুজ, প্রসিদ্ধ ।

২) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা এর – ডিসির বাংলো পার্ক, টুকটুক ইকো ভিলেজ, পলওয়েল পার্ক, নীলগঞ্জ, রাজবন বিহার, পাহাড় বেষ্টিত কাপ্তাই হ্রদ, চাকমা রাজার রাজবাড়ী, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রব এর সমাধীস্হান, সুবলং প্রাকৃতিক ঝণা’, প্যাদা ডিংডিং, মাটিরাঙ্গা রিজাভ’ ফরেষ্ট, বিলাইছড়ি, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ার চর, লংগদু,

বিশেষত্বঃ জামবুরা, আনারস, কাঁঠাল, কলা ভালো, বুননের (তাঁতের) কাপড়ের জন্য প্রশিদ্ধ ।

৩) বান্দরবান পার্বত্য জেলা এর – প্রান্তিক লেক, শৈলপ্রপাত, মেঘলা পার্ক, গোল্ডেল টেম্পল, নীলাচল, চিম্বুক পাহাড়, বিজয়শৃঙ্গ (কেওকারাডং), নীলগিরি, থানচি, আলিকদম, লামার ডলুছড়ি মৌজার মেরিডিয়ান আম্রপালি আম, কমলা, রাবার বাগান, চিচিং-ফাঁক সুরঙ্গ, কোয়ান্টাম শিশু-কানন ও রিসোট’, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী (পাহাড়ী খরস্রোতা নৌ-পথে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য),
বিশেষত্বঃ বান্দরবান পা. জে এর – রাবার, তামাক ভালো ।

৪) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা এর – কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আলুটিলা প্রাকৃতিক সুরঙ্গ, গিরিসোভা হ্রদকে ঘিরে সেনাবাহিনী কতৃ’ক পরিচালিত অবকাশ কেন্দ্র, সাজেক ভ্যালী (সেনাবাহিনী কতৃ’ক পরিচালিত একটি অবকাশ কেন্দ্র), নুনছড়ির দেবতা পুকুর, মারিষ্যা ভ্যালী, রিং-ঝরণা, তবলছড়ি ঝণা’, তাইন্দুছড়া ঝণা’, রিছাং ঝণা’, দীঘিনালার তৈদুছড়া ঝণা’, হাতির মাথা পাহাড়, চেঙ্গী নদী (পাহাড়ী খরস্রোতা নৌ-পথে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য),
বিশেষত্বঃ খাগড়াছড়ি এর – মসল্লা বিশেষ করে হলুদ প্রশিদ্ধ ।

৫) পটুয়াখালী এর – পায়রা নদী বন্দর, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত,
বিশেষত্বঃ পটুয়াখালী এর – নারিকের, সুপারী ভালো, বরিশাল এর আমড়া ভালো ।

৬) খুলনা এর – নিউজপ্রিন্ট মিল, খাঁন জাহান আলী (রহঃ) এর মাজার, মংলা সমুদ্র বন্দর, ষাট গুম্বুজ মসজিদ, লড’ হাডিং রেলসেতু,
বিশেষত্বঃ খুলনা এর – নারিকেল, গলদা চিংড়ি, সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ, মধু ভালো ।

৭) যশোর – এর- ঝিগরগাছা ফুলের রাজধানী খ্যাত গদখালী, শশা’, জামতলা ফুল বাজার, বেনাপোল, চাঁচড়া মন্দির, কেসবপুরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে কবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের বসতভিটা,
বিশেষত্বঃ যশোর এর – পাঁটালী গুঁড়, বিন্নি ধানের খৈ ভালো, জামতলার মিষ্টির জন্য প্রশিদ্ধ ।

৮) বাগেরহাট এর – সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, শ্যালা নদী, চিত্রা খাল, চিত্রা সুন্দরী বন, হরিণঘোনা, চানপাই রিজাভ’ ফরেষ্ট, হার-বাড়িয়া, কঁচিখালী, কটকা, দুবলার চর,

বিশেষত্বঃ বাগেরহাট এর – মধু, চিংড়ি, সুপারী ভালো, গেওয়া কাঠের জন্য প্রশিদ্ধ, সাতক্ষীরা এর – দুধের সন্দেশ ভালো ।

৯) ভোলা এর – চর কুকরি মুকরি, চর মনপুরা,
বিশেষত্বঃ ভোলা এর – নারিকেল, মহিষের দুধের দই, সন্দীপ এর –তরমুজ, বাঙ্গি, ভালো,

১০) নোয়াখালী এর – চর হাতিয়ার, নিঝুম দ্বীপ, চর আলেকজান্ডার, সুবণ’ চর,
বিশেষত্বঃ নোয়াখালী এর – নারিকেলের নাড়ু, ভাপা-পিঠা ভালো, লক্ষীপুর এর – সুপারী ভালো, হাতিয়া এর – মৈষের দুধের পনির, মাখন ভালো ।

১১) মানিকগঞ্জ – এর – সাটুরিয়ার বালিয়াটি জমিদার বাড়ী, শিবালয়ে তওতা জমিদার বাড়ী, আরিচা-নাটিখোলা, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া বিস্তৃণ’ নৌপথ, (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য),
বিশেষত্বঃ মানিকগঞ্জ এর – খেজুরের গুড়, মহিষের দুধের দই ভালো ।

১২) রাজবাড়ী এর– দুগা’সাগর দীঘি,
বিশেষত্বঃ রাজবাড়ী এর – চমচম, খেজুরের গুড় ভালো ।

১৩) কুষ্টিয়া এর – লালন শাঁই এর আখরা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী, মীর মোসার্রফ হোসেনের বসতভিটা, উত্তরা গণভবন, মেহেরপুরের আম্রবাগান ও স্বাধীনতা যুদ্ধের যাদুঘর, সেতাবগঞ্জ চিনিকল, গড়াই নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য),
বিশেষত্বঃ মেহেরপুর এর- মি্ষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব ভালো, তিলের খাজা, পোড়াবাড়ীব চমচম ভালো, ঝালকাঠি এর – লবন ভালো,

১৪) ফেনী এর – মান সিংহের দীঘি, মুহুরী সেচ প্রকল্প, ফেনী ও মাতামুহুরী নদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য),
বিশেষত্বঃ ফেনী এর – মহিষের দুধের ঘি, খন্ডলের মিষ্টি ভালো ।

১৫) মুন্সিগঞ্জ – এর- পদ্মানদী (নৌ-পথে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য), জাজিরায় পদ্নাসেতু প্রকল্প এলাকা,
বিশেষত্বঃ মুন্সিগঞ্জ এর – ভাগ্যকুলের মিষ্টি ভালো ।

১৬) গোপালগঞ্জ এর – বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সমাধী কমপ্লেক্স, ইত্যাদি অন্যতম দর্শনিয় স

১৭) পিরোজপুর এর – নারিকেল, সুপারী, আমড়া ভালো ।

১৮) ফরিদপুর এর – খেজুরের গুড়, মৈষের দুধের দই ভালো ।

১৯) নেত্রকোনা এর – বালিশ মিষ্টি ভালো ।

২০)  নড়াইল এর – পেড়ো সন্দেশ, খেজুরের গুড়ের জন্য প্রশিদ্ধ ।

২১) মাগুরা এর – রসমুঞ্জরী ভালো ।



২২) মাদারীপুর এর – খেজুরের গুড়ের রসগোল্লা ভালো ।

ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যা সঙ্গে নেওয়া অত্যাবশ্যকঃ

কাধে সহজে বহনযোগ্য বা চাকাযুক্ত একটি ব্যাগে

১. একটি ডিজিটাল (ডি.এস.এল.আর) ক্যামেরা
২. মোবাইল ফোন
৩. মোবাইল ও ক্যামেরার ব্যাটারী চাজা’র
৪. চশমা,
৫. সানগ্লাস
৬. ঘড়ি
৭. কম্পাস ৮. কলম ৯. দূরবিক্ষণ যন্ত্র ১০. দূরত্ব ও স্থান বুঝে পর্যাপ্ত নগদ ভাংটি টাকা ১১. ক্রেডিট কাড’(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ১২. ক্যামেরার ম্যামরী কাড’/এস.ডি কাড’, ১৩. ল্যাপটপ কম্পিউটার ১৪. ইন্টানেট মডেম ১৫. টচ’লাইট ১৬. ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত ডায়রী ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ১৭. একখানা ফল্ডিং ছাতা ১৮. গেঞ্জি, আন্ডাওয়ার, তোয়ালা, রুমাল, টি-শাট’, ট্রাউজার, প্যান্ট, শাট’ ১৯. ত্রি-কোয়াটার প্যান্ট ও বেল্ট, ২০. ছোট ধারালো ছুরি ও নেইলকাটার, ২১. ম্যাপ ২২. কলম ২৩. দিয়েশলাই ২৪. জীবন রক্ষাকারী কিছু অতি-প্রয়োজনীয় ঔষধ, ২৫. স্যালাইন ২৬. টুথপেষ্ট ২৭. টুথ ব্রাশ, সেভিং রেজর ও ফোম, ২৮. এক জোড়া কেটস্,+স্পঞ্জ ২৯. পাওয়ার ব্যাঙ্ক, ৩০. গরম পোশাক, কম্বল (শীত মৌসুমে) ৩১. বালিশ, মশারী, মোমবাতি, ৩২. তাবু, দড়ি, শক্ত লাঠি (পাহাড়ে ও জঙ্গলে ভ্রমণকারীদের জন্য), ইত্যাদি উপকরণ সঙ্গে নিতে ভূল করবেন না ।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: উল্লেখিত জেলা বা বিভাগ সমূহে যদি কোনো আকর্ষনীয় বা পর্যটন স্থান বাদ পরে থাকে এবং কোন ভূল হয়ে থাহলে আমাদের জানাবেন)

মোবাইল নেটওয়ার্কের বিবর্তন:১৪ কেবিপিএস থেকে ১জিবিপিএস পর্যন্ত | Evolution of mobile networks

মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বস্তু। এটি দ্বারা আমরা কথা বলতে পারি, ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি, ইন্টারনেট থেকে গান, ভিডিও বা সিনেমা নামাতে পারি। অবশ্য সব মোবাইল দ্বারা এসব কাজ করা যায় না। মোবাইল ফোনের প্রকারভেদে এর কাজের পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু সব মোবাইলের মধ্যে একটা কমন ব্যাপার হলো এর নেটওয়ার্ক সিস্টেম। নেটওয়ার্ক কানেকশন ছাড়া অনেক ফোনে কিছুই করা যায় না। নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে হলে আমাদের অবশ্যই একটি সিম(SIM-Subscriber Identity Module) কার্ড/ওয়াই ফাই সুবিধা দরকার হবে। অবশ্যই যেই কোম্পানির সিম কিনবো ওই কোম্পানিই আমাদের নেটওয়ার্ক প্রদান করবে এবং আমরা দুর থেকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবো। এখন যেই মাধ্যমে আমরা যোগাযোগ করি তা হলো তারবিহীন মাধ্যম। ওয়াই ফাই এর ক্ষেত্রে ভিন্ন হিসেব। সেখানে তার দিয়ে লাইন টেনে নির্দিষ্ট একটি এরিয়াতে রাউটার দিয়ে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস দেয়া হয়। তাড়িতচুম্কব তরঙ্গ ব্যাবহার করে এটি তথ্য আদান প্রদান করে।

মোবাইল ফোনের বিবর্তন:১৯৮৩ থেকে আজ পর্যন্ত। The evolution of mobile phones

The evolution of mobile phones: খাওয়া-দাওয়া এবং কাপড়চোপড়ের পর আজকাল আমাদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বস্তুটি কি?? উত্তর- মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে এতটাই সহজ করে দিয়েছে এবং দরকারি স্থান দখল করেছে যে মোবাইল ছাড়া এখন আমরা একটি মুহুর্তও কল্পনা করতে পারিনা।কারো সাথে যোগাযোগ করতে হবে? আমরা সশরিরে তার সামনে উপস্থিত না হয়ে আশ্রয় নেই মোবাইল কল বা টেক্সট মেসেজের উপর। অবসর সময় কাটাতে হবে? আমরা মাঠে না গিয়ে অথবা ঘুরতে না বেরিয়ে বসে যাই মোবাইলে গেম খেলতে কিংবা মুভি দেখতে। এখনকার স্মার্টফোনগুলোতো আমাদের চিন্তার থেকেও বেশি স্মার্ট। কিন্তু এতটা স্মার্ট কিন্তু প্রথমদিককার মোবাইল ফোন ছিলনা।
তখন এটার কাজ শুধু কল ধরা এবং রিসিভ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। মোবাইল ফোন প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৮০র দিকে মোটোরালা কোম্পানির একজন চাকরিজীবী মার্টিন কুপারের হাতে। তখন ঐটা দিয়ে শুধু কল ধরা এবং রিসিভ করাই যেত। অর্থাত্ এখনকার স্মার্ট পজিশনে আসতে মোবাইল ফোন বিবর্তিত হয়েছে প্রায় ত্রিশ বছরেরও বেশি সময়। চলুন দেখে নেই এর বিবর্তনের ধাপগুলো এবং ভবিষ্যতে কোন জায়গায় যেতে পারে আজকের স্মার্টফোন।
চিত্র:Motorola DynaTac 8000x বিশ্বের প্রথম তারবিহীন মোবাইল ফোন।
১৯৮৩: মোটোরোলা কোম্পানির একজন ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপারকে মোবাইল আবিষ্কার করার কৃতিত্ব দেয়া হয়। তিনি ১৯৭৩ সালে প্রথম ফোন কলটি করেন একটি ডায়নাটেক ফোন থেকে। ১৯৮৩ সালে কোম্পানিটি প্রথম মোবাইল ফোন বাজারে নিয়ে আসে। সে সময়ে এর দাম ছিল প্রায় চার হাজার ডলার। মুদ্রাস্ফিতির হিসাবে বর্তমানের প্রায় দশ হাজার ডলারের মতো!!
চিত্র:মার্টিন কুপার।
ফোনটি দিয়ে শুধু কলই করা যেত।যখন প্রথম ফোনটি করা হয়েছিলো তখন এর রিসিভার ছিলেন তাদেরই বিরোধি কোম্পানি AT&T এ চাকুরিরত তার বন্ধু। এরপর ১৯৮৯ সালে মোটোরোলা কোম্পানি DynaTac 9800x মডেলের একটি ফোন নিয়ে আসে যাতে ভাঁজ করা কিবোর্ড ছিল।
১৯৯২: মোবাইল ফোন বাজারে নকিয়ার প্রবেশ একটি মাইলফলক ছিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় ধরি নকিয়াই রাজত্ব করেছিল তা আমরা সবাইই জানি।নকিয়ার প্রথম মোবাইল ফোনটি ছিল Nokia 1011.ইউরোপে ১৯৯১ সালে GSM নেটওয়ার্ক চালু হয়। সাধারণ মানুষের জন্য মোবাইল ফোন উন্মুক্ত হতে থাকে। নকিয়া এর সুবিধা নেয় এবং বাজারে পরিচিত হয়ে ওঠে।
চিত্র:Nokia 1011 মোবাইল ফোন।
এই সময়ের মোবাইলগুলো যা যা করতে পারতো
  • টেক্সট মেসেজ।
  • গেমস খেলা।
১৯৯৭:-জার্মান কোম্পানি সিমেন্স একটি মোটামুটি স্মার্ট ফোন নিয়ে আসে, এর ডিস্প্লেতে চারটি রং ছিল। Hagenuk GlobalHandy ছিল প্রথম এন্টেনাবিহীন মোবাইল ফোন। একই সময়ে নোকিয়া কেসিংযুক্ত একটি ফোন নিয়ে আসে যাতে পুরনো হলে কেসিং বদলালে আবার নতুন মনে হয়।এরিকসন কোম্পানি প্রথম মোবাইল ফোন বাজারে প্রবেশ করে। এ সময়কার মোবাইলগুলো আরো যা যা করতে পারতো
  • ইমেইল (নকিয়া 9000(1996))
  • ভাইব্রেট অ্যালার্ট (মোটোরোলা স্টারট্যাক(1996))
  • কালার ডিসপ্লে (সিমেনস এস 10)
১৯৯৯-২০০২: ফিচার ফোনের শুরু। নকিয়া ১৯৯৯ এ 7100 মডেলের একটি ফোন উন্মুক্ত করে যাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যেত। এর এক বছর পর জাপানি কোম্পানি সার্প(Sharp) বিশ্বের প্রথম ক্যামেরা ফোনটি বাজারে আনে।
চিত্র:Sharp J-hs04 মডেলের একটি ফোন।
এ সময়ের ফোনগুলোর আরো কিছু বৈশিষ্ট্য:
  • প্রথম ইন্টারনেট কানেকশন যুক্ত ফোন নকিয়া ৭১০০।
  • ভিডিও কলিংয়ের সুবিধাযুক্ত প্রথম ফোন Kyocera VP210
  • জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম Benefon Esc!
  • Mp3 প্লেয়ারযুক্ত স্যামসং এর প্রথম ফোন SPH-M1000
  • ব্লুথুট নিয়ে আসে এরিকসন কোম্পানি Ericcson R520m মোবাইলে।
  • মেমোরি কার্ডযুক্ত Seimens SL45
  • MMS সুবিধাযুক্ত সনি এরিকসন T68i
২০০৩-২০০৬: 3জি চালু হওয়াতে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ব্ল্যাকবেরি মোবাইলফোন বাজারে প্রবেশ করে তাদের BlackBerry Pearl 8100(2006) নিয়ে। সনি এরিকসন Z1010 ফোনে ফ্রন্ট ক্যামেরা নিয়ে আসে,যার কারনে ভিডিও কলিং সম্ভব হয়।
চিত্র:BlackBerry Pearl 8001.
চিত্র:সনি এরিকসন Z1010 মোবাইল ফোন।
এসময়ের ফোনগুলোতে
  • সর্বপ্রথম ওয়াই ফাই নিয়ে আসে Calypso C1250i.
  • ওপেরা মিনি ওয়েব ব্রাউজার নিয়ে আসে মোবাইল ফোনের জন্য।
  • নকিয়া তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোনগুলোর একটি Nokia 3310 মডেল নিয়ে আসে।এটি প্রায় 126 মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি হয়।
  • নকিয়া 5510 ফোনে সর্বপ্রথম কোয়ার্টি কিবোর্ড নিয়ে আসে।ফোনের ডিসপ্লেগুলো পুরোপুরি রঙিন হতে থাকে।
  • নকিয়া 7650 তাদের প্রথম ক্যামেরা ফোন নিয়ে আসে।
  • মোটোরোলা Razr V3 নামের একটি স্টাইলিশ ফোন বাজারে আনে। এটি বিশ্বব্যাপী প্রায় 130 মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি হয়।
  • ২০০৫ এ গুগল অ্যান্ড্রয়েড কিনে নেয়।
  • ২০০৬ এ Nokia N95 রিলিজ হয়।সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেমে চলা এই ফোনটিকেই স্মার্টফোনের জনক বলা যায়।১৬০ এম্বি র্যাম এবং ব্লুটুথ,ক্যামেরা এবং ওয়াই ফাই সুবিধা ছিল।
২০০৭-২০১০: ২০০৭ এর জুনে স্টিভ জবসের অ্যাপল সর্বপ্রথম আইফোন বাজারে নিয়ে আসে। পরিপুর্ন স্মার্টফোন বলতে এটিকেই বোঝানো হতো। ২০০৯ এ G1 নামের প্রথম অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন বাজারে আসে। অ্যাপল অ্যাপ স্টোর চালু হয়।২০০৯ এ হোয়াটসঅ্যাপ চালু হয়। স্যামসং অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন নির্মান শুরু করে। ২০১০ এ আইফোন ফোর রিলিজ হয়। গুগল নেক্সাস ওয়ান নামের স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে প্রবেশ করে।
চিত্র:একটি প্রথম প্রজন্মের আইফোন।
২০১১-২০১৪: স্যামসং গ্যালাক্সি এস টু রিলিজ করে। তাদের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ফোনগুলোর একটি হয় এস থ্রি যেটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করে। ২০১২ তে আইফোন ফাইভ রিলিজ হলে প্রথম সপ্তাহেই পাঁচ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি হয়। ২০১৩ তে আইফোন ফাইভ এস এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যুক্ত হয়। স্মার্টফোনের নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়।


স্যামসং এবং আইফোনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ২০১২ তে নকিয়া মাইক্রোসফট এর কাছে বিক্রি হয়ে যায়। মুলত অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে স্মার্টফোন বের না করায় বাজারে দখল ধরে রাখতে পারেনি নকিয়া। মাইক্রোসফটও একই ভুল করে। তারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন নিয়ে আসে কিন্তু তা ততটা ইউজার ফ্রেন্ডলি ছিলনা। তাই তারাও ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে। ২০১৫তে চুক্তি শেষ হলে নকিয়ার ব্র্যান্ড নেইম কিনে নেয় ফিনল্যান্ডের এইচএমডি গ্লোবাল(HMD Global)।
সম্পর্কিত ছবি
চিত্র:মাইক্রোসফট লুমিয়া ৬৫০ স্মার্টফোন।
নকিয়ার প্রথম অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্ট ফোনটি হলো নকিয়া ৬। এটি ২০১৬ সালে বাজারে আসে এবং মাত্র ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে ১৫ লাখ ইউনিট বিক্রি করে রেকর্ড সৃষ্টি করে।
চিত্র:Nokia 6 SmartPhone
২০১৫ এর পর থেকে স্মার্টফোন জগতে জায়গা করে নিতে থাকে হুয়াওয়ে, জিয়াওমি এবং অপ্পোর মতো চাইনিজ কোম্পানিগুলো। ২০১৬তে গুগল পিওর অ্যান্ড্রয়েডের পিক্সেল ফোন নিয়ে আসে। স্যামসং এবং অ্যাপল পাল্লা দিয়ে ফোন বের করতে থাকে। তবে বর্তমানে স্যামসং এগিয়ে আছে। তাদের এস ও নোট সিরিজের ফোনগুলো বাজারের অধিকাংশ দখল করে রেখেছে। ২০১৭ তে স্যামসং তাদের এস সেভেন স্মার্টফোনে ফেস লক নিয়ে আসে।স্মার্টফোন ক্যামেরাগুলো অনেক উন্নত হতে থাকে। মাল্টিটাস্কিং বা একসাথে অনেক কাজ করা যায় এমন ফোনের চাহিদা বাড়তে থাকে।ফোনগুলোর ডিসপ্লে সাইজ বাড়তে থাকে ইত্যাদি ইত্যাদি। সর্বশেষ তথ্যমতে বর্তমান স্মার্টফোন বাজারে ৭৪% স্যামসং এবং ২০% আইফোনের দখলে।স্যামসং এর সর্বশেষ স্মার্টফোনটি হলো গ্যালাক্সি এস নাইন এবং এটিই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক স্মার্টফোন।