NIB Job Circular 2026: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি এর রাজস্বখাতে জনবল নিয়োগের জন্য চাকরির খবর প্রকাশিত হয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি ০১ টি পদে মোট ০৬ জনকে নিয়োগ দেবে। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।
NIB Job Circular 2026
পদের নাম: বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদ সংখ্যা: ০৬ টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: জীবপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর (থিসিসসহ) ডিগ্রি। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://nib.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।
আবেদন শুরুর সময়: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে। আবেদনের শেষ সময়: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিদিন সরকারি চাকরির খবর সবার আগে পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন।
একজন ছেলে চাইলেই ঘরে কিংবা বাইরে গিয়ে যেকোনভাবে উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু একজন মেয়ের জন্য ঘরের বাইরে গিয়ে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা কিংবা ব্যবসা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাছাড়া ইসলামিক ভাবেও বিভিন্ন বিধি-নিষেধ রয়েছে।
তাই একজন মেয়ে কিভাবে ঘরে বসেই অনলাইনে কিংবা অফলাইনে অল্প টাকা বিনিয়োগ করে ইনকাম করতে পারবে, সে সম্পর্কে এই আর্টিকেলে সেরা কিছু আইডিয়া তুলে ধরা হলো।
মেয়েদের ঘরে বসে আয় করার উপায়
ঘরে বসে একজন মেয়ে স্বল্প পুঁজি নিয়ে যেসকল ব্যবসা শুরু করতে পারবে, তেমন কয়েকটি ব্যবসা নিয়ে নিচে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো:
(১) কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঘরে বসে ইনকাম করার অন্যতম সেরা উপায় হলো কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা। আগে থেকেই ঢাকা শহরের বিভিন্ন অলি গলিতে এই ব্যবসার প্রচলন ছিল উদ্যোক্তা নারীদের মাঝে। তবে বর্তমানে শহর ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলেও অনেক নারী উদ্যোক্তা এই ব্যবসার সাথে জড়িয়ে গেছে।
পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্যের মাধ্যমে কাপড়ের পাইকারি বাজার থেকে বিভিন্ন রকমের কাপড় সংগ্রহ করে নিজ এলাকায় কিংবা নিজ গ্রামে বিক্রি করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ছোট বাচ্চাদের জামা কাপড়, গজ কাপড়, বিছানার চাদর, থ্রি পিস, বোরকা ইত্যাদি কাপড় বাছাই করতে পারেন। খুবই অল্প পুঁজি নিয়েই এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।
কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা শুরু করার জন্য:
১০-২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।
কাপড়ের পাইকারি বাজার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কাপড়ের পাইকারি মার্কেট গুলো হলো: ইসলামপুর, নবাবপুর, গাউছিয়া, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান, চকবাজার, এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেট ইত্যাদি।
স্থানীয় মানুষের চাহিদা ও জীবনমানের উপর লক্ষ্য রেখে স্বল্প খরচে ভালো পণ্যটি সরবরাহের চেষ্টা করতে হবে। পাড়া প্রতিবেশীদের মাঝে এ ধরনের পাইকারি কাপড় বিক্রি করে, প্রতি মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।
(২) ঘরে বসে নারী উদ্যোক্তার ফাস্টফুড বিক্রি
আপনি শহরাঞ্চলে বসবাস করে থাকেন কিংবা গ্রামাঞ্চলে, ফাস্টফুড বিক্রির ব্যবসা আপনার জন্য অত্যন্ত লাভজনক হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহু নারী উদ্যোক্তা। এমনই একটি ব্যবসার উদাহরণ হলো- সিরাজগঞ্জের, বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের ৩ বোন আর তাদের বাবা ঘরে বসেই গড়ে তুলেছেন ফাস্ট ফুডের ব্যবসা।
আশেপাশের গ্রামের কেউ অর্ডার করলেই বাড়িতে পৌঁছে দেন পিজ্জা, বার্গার, চিকেন ফ্রাইসহ হরেক রকমের খাবার। প্রথমদিকে খুব একটা সাড়া না পেলেও কম দামে মান সম্মত খাবার পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে তাদের খাবারের চাহিদা ও বিক্রি। এভাবেই উদ্যোক্তা মানসিকতার মাধ্যমে নারীরাও স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারে ঘরে বসেই।
ঘরে বসে ফাস্টফুড ব্যবসা শুরু করার জন্য:
খাবার তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, এবং
ফাস্টফুড খাবার তৈরীর কাঁচামাল সংগ্রহ করলেই হবে।
যেহেতু এই ব্যবসাতে নির্দিষ্ট কোন দোকানের প্রয়োজন নেই, তাই মাত্র ২-৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়েও ব্যবসাটি শুরু করা সম্ভব। তারপর অনলাইনে Facebook পেজ খুলে এবং আশেপাশের পরিচিত মানুষদের মাধ্যমে ব্যবসার কথা শেয়ার করে আপনার ব্যবসাটির প্রসার করতে পারবেন।
এই ব্যবসাটির উপার্জন নির্ভর করবে আপনার আশেপাশের মানুষের চাহিদা এবং আপনার তৈরিকৃত খাবারের স্বাদের উপর। যদি খাবারের স্বাদ দিয়ে কাস্টমারের মন জয় করতে পারেন, তাহলে খুব যতই ব্যবসার প্রসার হবে এবং ৩০-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
(৩) ঘরে বসে নারী উদ্যোক্তার হাঁসের মাংস বিক্রি
হাঁসের মাংসও যে অনলাইনে বিক্রি করা যায়, সেই বিষয়টি অনেকেরই ধারণার বাইরে। তবে উদ্যোক্তা মনোভাবের কারণে অনেকেই এই বিষয়টিকে একটি ব্যবসায়ীক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। এমন একটি উদাহরণ হলো- লিজা আক্তার ও তার স্বামীর অনলাইনে হাঁসের মাংস বিক্রির ব্যবসা।
লিজা আক্তার চাকরি ছেড়ে দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতি শুক্রবার হাঁসের মাংস রান্না করে বিক্রি উদ্যোগ নেয়। ধীরে ধীরে সম্প্রসারণ হয় তার ব্যবসার এবং বর্তমানে সপ্তাহব্যাপী বিক্রি করে রান্না করা হাঁসের মাংস। শুরুতে ব্যবসাটি ততটা লাভজনক মনে না হলেও, বর্তমানে তাদের মাসিক বিক্রির পরিমাণ লক্ষ টাকারও বেশি।
হাঁসের মাংস সচরাচর বিভিন্ন খাবার হোটেলে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই মাংসের চাহিদা গ্রাম ও শহরাঞ্চলে অনেক। ভালো মানের হাঁসের মাংসের সংগ্রহ করে ইউনিক রেসিপিতে রান্না করে আপনিও তাদের মতই বিক্রি করতে পারবেন। এই ব্যবসাতেও ফেসবুককেই আপনাদের দোকান বা অনলাইন স্টোর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
এই ব্যবসার সবচেয়ে ভালো দিক হলো খুবই অল্প পুজিতে ব্যবসাটি শুরু করা সম্ভব। যেমন- মাত্র ২-৪ হাজার টাকা প্রাথমিক মূলধন নিলেই যথেষ্ট। তবে আপনাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে এবং নিজের ফেসবুক পেজকে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে মানুষের কাছে উপস্থাপন করতে হবে। তাহলে ধীরে ধীরে আপনিও একজন স্বাবলম্বী নারী উদ্যোক্তা হতে পারেন।
(৪) হ্যান্ড প্রিন্ট কাপড়ের ব্যবসা
হাজারো প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসার মাঝে হ্যান্ড প্রিন্ট কাপড়ের ব্যবসাটি একটি ইউনিক ও কম প্রতিযোগিতার ব্যবসা। সচরাচর এই ব্যবসাতে মানুষের বেশি আগ্রহ দেখা যায় না। তবে হ্যান্ড প্রিন্ট করা কাপড়ের চাহিদা বর্তমানে প্রতিনিয়তই বাড়ছে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব প্লাটফর্মে অনেক নতুন উদ্যোক্তারা তাদের হ্যান্ড প্রিন্ট করা জামা কাপড়ের ভিডিও ও পিকচার আপলোড করে থাকে।
সেই ভিডিও ও পিকচার দেখে অনেকেই আগ্রহের সাথে নিজেদের জন্য হ্যান্ড প্রিন্ট শাড়ি, পাঞ্জাবি এবং আরো বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের অর্ডার করে। এই ব্যবসাটির জন্যও আপনার কোন দোকান বা বড় মূলধনের প্রয়োজন হবে না। বরং নিজের বাড়িতে বসেই হ্যান্ড প্রিন্টিং শিখে ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্ডার সংগ্রহ করে পণ্য ডেলিভারি দিতে পারবেন।
এই ব্যবসাতে আপনার প্রধান মূলধন হবে নিজের দক্ষতা। হ্যান্ড প্রিন্টিং করার দক্ষতা থাকলে মাত্র ৩-৫ হাজার টাকা দিয়েই আপনার ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন। ধারণা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে হ্যান্ড প্রিন্টিং কাপড় সম্পর্কে রিসার্চ করতে পারেন।
তারপর কাজ শিখে রং ও তুলি নিয়ে বিভিন্ন কাপড়ে নানান নকশা একে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করতে পারেন এবং আশেপাশে প্রচার করতে পারেন। এভাবে প্রচার-প্রচারণা যত বেশি হবে আপনার অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই বাড়বে। অভিজ্ঞ এবং দক্ষ হ্যান্ড প্রিন্ট কাপড়ের ব্যবসায়ীরা মাসিক ৩০-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে থাকে।
(৫) আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ও প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবসা
স্কিন কেয়ার ও প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবসার একটি বড় মার্কেট রয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে। প্রতিবছর এই খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হয়। কিন্তু বিভিন্ন কোম্পানিতে মেশিনারিজের মাধ্যমে তৈরি প্রসাধনী সামগ্রী ও স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট মানুষের শরীরে নানান ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তাই স্বাস্থ্য সচেতন সকল মানুষের চায় প্রাকৃতিকভাবে তৈরি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত পণ্য ব্যবহার করতে।
এই কারণেই দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ও প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবহার। চুল পড়া, মুখে ব্রণ উঠা, ত্বক শুষ্ক থাকা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার উপর লক্ষ্য রেখে আপনি আয়ুর্বেদিক পণ্য তৈরি করতে পারেন। যেমন: সরাসরি নারকেল থেকে তেল সংগ্রহ করে সেই তেল বিক্রি করা, হোম মেড অলিভ অয়েল, হোম মেড ময়েশ্চারাইজার ইত্যাদি।
এই সকল পণ্য তৈরির জন্য আপনি গুগল এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে শিখে নিতে পারবেন। এই ব্যবসাটিতেও আপনি ফেসবুকের একটি পেজকে আপনার দোকান হিসেবে ব্যবহার করে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। নিজের ফেসবুক পেজের যত বেশি প্রচারনা হবে আপনার কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনা ততোই বাড়বে। তবে এ ধরনের ব্যবসায় আপনাকে দীর্ঘদিন ধৈর্য্যধারণ করতে হবে। আর এভাবেই অল্প পুঁজিতে ব্যবসাটি শুরু করে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন।
মেয়েদের ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের উপায়
অনলাইন ইনকাম বলতে আমরা সাধারণত এক কথায় ফ্রিল্যান্সিংকেই বুঝে থাকি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ফ্রিল্যান্সিং একটি নির্দিষ্ট কাজ নয়, বরং বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর প্রায় ৮ হাজারেরও বেশি প্রকারের কাজ রয়েছে। নিচে মেয়েদের জন্য ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের কয়েকটি উপায় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো:
(১) Amazon.com এ নোটবুক সেলিং
বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট হলো Amazon.com। এই অ্যামাজনে পৃথিবীর প্রায় সকল প্রকারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রই পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে থেকে Amazon -এ কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করে ইনকাম করা ততটাও সহজ নয়। কারণ প্রায় প্রতিটি প্রোডাক্টের জন্যই ব্যাপক প্রতিযোগিতা রয়েছে।
তবে এগুলোর মধ্যে খুবই ইউনিক ও আনকমন একটি প্রোডাক্ট হলো ‘নোটবুক’। অ্যামাজনে বিভিন্ন নোটবুকের ডিজাইন বিক্রি করে অনেকেই মাসিক ৩-৪ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকে। আর এই ব্যবসার সবচেয়ে ভালো দিক হলো- এই ব্যবসাটি আপনি বিনা পুঁজিতেই শুরু করতে পারবেন, যদি আপনার কাছে একটি কম্পিউটার/ ল্যাপটপ থাকে।
অ্যামাজন ই-কমার্সে নোটবুক বিক্রি করার জন্য Amazon KDP একাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে। তারপর নোটবুকের ডিজাইন করে সেটি আপলোড করতে হবে এবং প্রোডাক্ট করে রেংক করাতে হবে। যখন কোন কাস্টমার সেই নোটবুকটির জন্য অর্ডার কমপ্লিট করবে, তখন অ্যামাজন থেকে সেই নোটবুক এর হার্ডকপি কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে নোটবুক প্রিন্টিং এর খরচ amazon বহন করবে এবং আপনার ডিজাইনের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দেওয়া হবে।
(২) অনলাইন মার্কেটিং করে আয়
বর্তমানে প্রতিটি প্রোডাক্টের সাথেই মার্কেটিংয়ের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশেষ করে অনলাইন মার্কেটিং ছাড়া একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কিংবা পণ্য সফলভাবে মার্কেটে টিকে থাকতে পারে না। তাই অনলাইন মার্কেটারদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকাংশে।
বিপরীত দিকে, মেয়েদের জন্য ঘরে বসে ইনকাম করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় গুলোর একটি হলো অনলাইন মার্কেটিং ইনকাম। অনলাইনে বিভিন্ন প্রকার মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ফলো করে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ কেউ স্মার্টফোন দিয়েও অনলাইন মার্কেটিং করে ইনকাম করছে। তবে প্রফেশনালভাবে কাজ করতে আপনার একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে।
অনলাইন মার্কেটিং এর বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে। যেমন: ফেসবুক মার্কেটিং, ই-কমার্স মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ইমেইল মার্কেটিং, লিড জেনারেশন, কনটেন্ট মার্কেটিং ইত্যাদি। আপনি যেকোনো একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে নিয়মিত কাজের জন্য বিভিন্ন কোম্পানিকে প্রপোজাল দিতে পারেন। ধৈর্য্যধারণ করে একবার লং টার্ম কাজ পেলেই আপনি ভালো পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন।
(৩) কন্টেন্ট রাইটিং করে ইনকাম
বর্তমানে অনলাইন ইনকামের রাজ্যে কন্টেন্ট সম্পর্কে বলা হয়- “কনটেন্ট ইজ কিং”। কনটেন্ট বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন- ভিডিও কন্টেন্ট, কপি রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, আর্টিকেল, প্রোডাক্ট রিভিউ ইত্যাদি।
বর্তমানে আপনি গুগল থেকে যেই আর্টিকেলটি পড়ছেন, ইউটিউবে যে ভিডিও দেখছেন এবং ফেসবুকে যে সকল লং কন্টেন্ট গুলো পড়ছেন, এগুলোর প্রতিটিই কন্টেন্ট রাইটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। তবে অতীতের তুলনায় কন্টেন্ট রাইটারদের চাহিদা অনেকা সেই কমে গেছে। কারণ বর্তমানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI ব্যবহার করে খুব সহজেই কনটেন্ট জেনারেট করা যায়।
কিন্তু আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ কন্টেন রাইটার হয়ে থাকেন, তাহলে AI এর সাথে প্রতিযোগিতায় আপনিই এগিয়ে থাকবেন। কেননা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কখনোই একজন দক্ষ মানুষের বিকল্প হতে পারে না। তবে এ ধরনের কাজে দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আপনার জন্য অফলাইনে বিভিন্ন ছোট পুঁজির ব্যবসা বেশি উপযুক্ত হতে পারে।
শেষকথা
উপরোক্ত প্রতিটি ব্যবসায় আইডিয়া এবং ইনকামের উপায় গুলো স্বল্প পুঁজিতে শুরু করা যাবে। তবে আপনার যে ব্যবসাটি পছন্দ হবে, তা শুরু করার আগে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন।
Banglacyber এর রাইটারদের পরামর্শ অনুযায়ী, অনলাইনে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসার দিকে না গিয়ে অফলাইনে ফিজিক্যাল ব্যবসাগুলোতে মনোযোগ দিতে পারেন। তাছাড়া দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে চাইলে উপরোক্ত ঘরে বসে অফলাইন ব্যবসায় আইডিয়াগুলোই সেরা হবে।
Chat GPT অথবা DeepSeek বর্তমানে আমাদের প্রায় সকলের কাছেই অনেক বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে। এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুলগুলি তৈরির পর প্রায় সমগ্র পৃথিবীতেই কম-বেশি সাড়া ফেলেছে। এই টুল গুলো ব্যবহার করে অনেক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানি ব্যাপক সুবিধা পাচ্ছে। এমনকি বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন সেক্টরেও জিপিটি ব্যবহার করছেন অনেক ফ্রিল্যান্সাররা।
আপনিও Chat GPT অথবা DeepSeek সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে চ্যাট জিপিটি যেসকল কাজের ব্যবহার করা যায়, চ্যাট জিপিটি দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর যে সকল কাজ করতে পারবেন এবং ক্লায়েন্ট ফাইন্ডিংয়ের ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার সম্পর্কে এই আর্টিকেল থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
চ্যাট জিপিটি ও ডিপসিক এর ব্যবহার
বর্তমানে চ্যাট জিপিটি ও ডিপসিক শুধুমাত্র একটি AI টুল হিসেবেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি এসিস্ট্যান্ট হিসেবেও ফ্রিল্যান্সারদের সহযোগিতা করে থাকে। এটি একটি উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত চ্যাটবট। সাধারণত আমরা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে, তথ্য বিশ্লেষণ করতে, সৃজনশীল বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করতে এবং ব্যবহারকারীর নানান সমস্যার সমাধানের এটি ব্যবহার করে থাকি।
এই টুলটি তৈরিকারী OpenAI প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে এখন chatgpt আরও বেশি কার্যকর, দ্রুত এবং বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে উঠেছে। চ্যাট জিপিটির ব্যবহার একদিকে যেমন সময় বাঁচায়, অন্যদিকে এটি জ্ঞানের ভাণ্ডারকে হাতের মুঠোয় এনে দেয়।
বর্তমানে চ্যাট জিপিটির যে সকল ফিচারগুলো ব্যবহার করে আমরা লাভবান হতে পারি, সেগুলো হলোঃ
(১) প্রশ্নোত্তর: চ্যাট জিপিটি প্রায় সকল ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। তা সাধারণ জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সাহিত্য, ইতিহাস কিংবা জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে হোক না কেন। যেখানে google এ সার্চ করলে বেশ কয়েকটি আর্টিকেল পড়ে উত্তর জানতে হয়, সেখানে আমরা chatgpt কে প্রশ্ন করে সহজেই উত্তরটি জেনে নিতে পারবো।
(২) সৃজনশীল লেখা: বিভিন্ন সৃজনশীল লেখা যেমন কবিতা, গল্প, চিঠি, বিজ্ঞাপনের জন্য কপি রাইটিং, ই বুক রাইটিং ইত্যাদি সৃজনশীল কাজ দক্ষতার সাথে করা যায় চ্যাট জিপিটি ব্যবহারের মাধ্যমে।
(৩) অনুবাদ: Chatgpt টুলটি এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় দ্রুত এবং নির্ভুল অনুবাদ করতে সক্ষম। বহুভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: গুগল থেকে ট্রান্সলেট করলে, গুগল তার নিজস্ব ফরম্যাটে অনুবাদ করে দেয়। কিন্তু চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে আপনি কাস্টমভাবে নিজস্ব বাচনভঙ্গিতে ভাষা অনুবাদ করতে পারবেন। তবে এর জন্য অবশ্যই আপনাকে উপযুক্ত প্রম্পট ইউজ করতে হবে।
(৪) কোডিং: ডেভেলপারদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষায় কোড লেখা, ডিবাগিং, বা কোড অপটিমাইজেশনে এটি সহায়তা করতে পারে। উপযুক্ত প্রম্পট দেওয়ার মাধ্যমে এই এ-আই টুলটি দিয়ে জটিল জটিল কোডিং করে নেওয়া যায় সহজেই। তাছাড়া কোন কোডিং করার পর সেই কোডিং এ ভুল আছে কিনা তা জানতেও এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
(৫) তথ্য বিশ্লেষণ: ডেটা এনালাইসিস এর জন্য বড় পরিসরে তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এই টুলটি ব্যাপকভাবে সহায়তা করে। আধুনিক বিশ্বে যারা ডাটা সাইন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তাদের অন্যতম সহকারি হিসেবে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুলটি সহায়তা করে থাকে।
(৬) ইমেজ জেনারেশন: চ্যাট জিপিটি দিয়ে এখন AI generated ইমেজও তৈরি করা যায়। এটি একটি আপডেট ফিচার। এর মাধ্যমে আপনি একটি কাস্টম প্রম্পট দিয়ে আপনার চাহিদা অনুসারে Chat GPT থেকে ছবি তৈরি করে নিতে পারবেন।
(৭) ব্যক্তিগত সহকারী: টাইম ম্যানেজমেন্ট, কাজের তালিকা তৈরি বা দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর। তাছাড়া একজন মানুষ অনলাইন ভিত্তিক নানান কর্মকান্ডে দিনের বিভিন্ন সময়ে এই টুলটি দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
এছাড়াও আরো বিভিন্ন কাজে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সটি ব্যবহার করা যায়। তবে এটি একটি যন্ত্রনির্ভর প্রযুক্তি হওয়ায় ব্যবহারকারীকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে নিতে হয়।
চ্যাট জিপিটি ও ডিপসিক দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং
চ্যাট জিপিটিকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বহু কাজেই ব্যবহার করা যায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পর্কে নিচের ধারণা দেওয়া হলো:
(১) কনটেন্ট রাইটিং
বর্তমানে ChatGPT এর চেয়ে বেশি ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যেই খাতে, সেটি হলো কনটেন্ট রাইটিং। একজন ব্যক্তি সহজেই এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুলটি ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে কন্টেন্ট ও ব্লগ রাইটিং করতে পারে। তারপর সেই কনটেন্ট নিজের ইচ্ছামত নিজের কোন ব্লগ ওয়েবসাইটে কিংবা ক্লায়েন্টের কাছেও বিক্রি করতে পারে।
বর্তমানে Upwork, Fiverr ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে এমন অনেক সার্ভিস সেলার খুঁজে পাওয়া যায়, যারা শুধুমাত্র চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে কন্টেন্ট জেনারেট করে দিবে। এর বিনিময়ে তারা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে তুলনামূলক ভালোই পেমেন্ট পেয়ে থাকে। তবে এভাবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনাকে আগে থেকেই Chat GPT দিয়ে ভালো মানের আর্টিকেল জেনারেট করা শিখতে হবে।
এক্ষেত্রে কিভাবে ভালো মানের প্রম্পট জেনারেট করতে হবে, সেটি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। আপনার প্রম্পট বা কমান্ড যত বেশি গোছানো ও তথ্যবহুল হবে আপনি চ্যাট জিপিটি থেকে ততই ভালো ফিডব্যাক নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন। আর আপনার কাজ যত ভালো হবে কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনাও ততই বৃদ্ধি পাবে।
(২) প্রোডাক্ট রিভিউ রাইটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি লাভজনক হলেও প্রোডাক্ট রিভিউ লেখা। আর অধিক পরিমাণে মানসম্মত প্রোডাক্ট রিভিউ লেখার জন্য চ্যাট জিপিটি হলো একটি খুবই উপযুক্ত AI টুল। যেকোনো প্রোডাক্ট এর জন্য কিছু তথ্য সরবরাহ করে সেই প্রোডাক্টের রিভিউ আর্টিকেল জেনারেট করে নেওয়া সম্ভব চ্যাট জিপিটি দিয়েই।
আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই প্রোডাক্ট রিভিউ আর্টিকেল রাইটার হিসেবে সার্ভিস দিতে পারেন। এছাড়াও নিজস্ব ওয়েব সাইটে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নির্দিষ্ট নিশ সিলেক্ট করে কাজ করে যেতে পারেন। বর্তমানে অনেকেই শুধুমাত্র chatgpt ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্লগ ওয়েবসাইটে মাসিক ৩০০-৫০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করছে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে।
এক্ষেত্রেও আপনাকে ভালো প্রম্পট সম্পর্কে বিস্তর ধারণা অর্জন করতে হবে। সাধারণভাবে চ্যাট জিপিটিকে যেকোন কমান্ড দিয়ে আর্টিকেল লিখলে ভালো মানের রিভিউ আর্টিকেল পাওয়া যায় না। তবে গোছানো ও কাস্টমাইজড কমান্ড দিতে পারলে হিউমান রাইটারদের মতো যুগোপযোগী রিভিউ আর্টিকেল জেনারেট করে ইনকাম করতে পারবেন।
(৩) ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস
ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সার্ভিস যেমন ইমেইল মার্কেটিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন, কপি রাইটিং ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যাট জিপিটি টুলটি ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কাস্টমারদের টার্গেট করে Bulk আকারে একসাথে বহু ইমেইল লিখিয়ে নেওয়া যায়। তারপর ক্যাম্পেইন করার মাধ্যমে সেগুলোর নির্দিষ্ট কাস্টমারদের টার্গেট করে পাঠানো যায়।
এভাবে মার্কেটিং করার মাধ্যমে খুব সহজেই কাস্টমার ম্যানেজ করা সম্ভব হয়। তাছাড়া বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট তৈরি করা বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট কিংবা সেই কোম্পানির সম্পর্কে টার্গেটেড অডিয়েন্সদেরকে আকৃষ্ট করতে এবং সঠিক ধারণা দিতে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হয়। আর এর জন্য সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে আরো সহজ করতে Chat GPT এর সাহায্য নেওয়া যায়। আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান) হয়ে এ ধরনের মার্কেটিং করে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
(৪) ই-বুক রাইটিং
ChatGPT ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ই-বুক লিখে বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করতে পারবেন। চাহিদা অনুযায়ী বিষয়বস্তু নিয়ে ভালো মানের ই বুক লিখতে পারলে তা কয়েক লক্ষ টাকাতে বিক্রি করা যায় সহজেই। নিজের জন্য লেখা ছাড়াও আপনি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের হয়ে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ই-বুক রাইটিং করতে পারেন।
বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে ই-বুক রাইটার হায়ার করা হয়। সেখানে আপনি নিজের গিগ ও পোর্টফোলিও পাবলিশ করে ক্লায়েন্ট ম্যানেজ করতে পারলে, তাদেরকে ই-বুক রাইটিং এর সেবা দিতে পারবেন। সাধারণত বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে বড় পরিসরের ই-বুক রাইটারদেরকে ১০০০-৩০০০ ডলারের কাজ দেওয়া হয়।
(৫) স্ক্রিপ্ট রাইটিং
যেকোনো মানসম্মত ভিডিও তৈরি করার জন্য আগে থেকেই একটি স্ক্রিপ্ট লিখে নিতে হয়। বর্তমানে অধিকাংশ ইউটিউবার এবং অন্যান্য প্লাটফর্ম এর ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আগে থেকেই নিজেদের ভিডিওর জন্য স্ক্রিপ্ট তৈরি করে নেয়। এক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে মানসম্মত স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে চ্যাট জিপিটি এর সাহায্য নিতে পারেন।
আপনার কাঙ্খিত স্ক্রিপ্টের ধরন, বাচনভঙ্গি, লেখার ফরমেট এবং আপনার কথা বলার টোন সম্পর্কে আগে থেকেই Chat GPT কে ধারণা দিতে হবে। তারপর সে অনুযায়ী নতুন একটি বিষয়ে স্ক্রিপ্ট লেখাতে চাইলে ভালো ফিডব্যাক পাবেন। এভাবে আপনি নিজের জন্যও স্ক্রিপ্ট রাইটিং করতে পারেন অথবা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করতে পারবেন।
শুধুমাত্র স্ক্রিপ্ট রাইটিংই নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ভিডিও সম্পর্কে ধারণা নিতেও এই জিপিটিকে ব্যবহার করা যায়।
(৬) AI ভয়েসওভার ও ডাবিং
চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ভিডিওর জন্য স্ক্রিপ্ট রাইটিং করার পর, সেই ভিডিওর জন্য ভয়েসওভারও দিতে পারবেন। AI ভয়েসওভার নামের এই ফিচারটি ব্যবহার করে খুব সহজেই একটি সম্পূর্ণ লেখার ভয়েস জেনারেট করে নিতে পারবেন। আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে এ ধরনের সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন।
এছাড়াও একটি ভিডিও অন্য একটি ভাষায় ডাবিং করার ক্ষেত্রেও প্রথমে স্ক্রিপ্ট লিখিয়ে নিয়ে সেটি ডাবিং করে নতুন ভাষায় তৈরি করে নিতে পারবেন চ্যাট জিপিটি এর সাহায্যে।
(৭) কোডিং সার্ভিস
AI Tool দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কোডিং করা যায়। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে কিংবা নতুন কিছু সংযোজন করার জন্য নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা অনুসারে কোডিং করে নিতে পারবেন চ্যাট জিপিটি এর সাহায্যে। তারপর সেই কাস্টম কোড ওয়েব সাইটে পাবলিশ করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত রূপে সেটি দেখতে পারবেন।
আবার বিভিন্ন কোড লেখার পর সেখানে কোন ভুল আছে কিনা তা যাচাই করতেও এ-আই এর সাহায্য নিতে পারেন। আপনি এ ধরনের সার্ভিস বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করতে পারবেন।
(৮) চ্যাটবট ডেভেলপমেন্ট
বর্তমানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চায়ের সাথে নিজস্ব কাস্টম চ্যাটবট তৈরি করতে। আপনি সেই সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য কাস্টম চ্যাটবট তৈরি এবং কনফিগার করে দিতে পারবেন। এর জন্য Chat GPT এর নিজস্ব API ব্যবহার করা যায়। সেটি ব্যবহার করে ChatBot তৈরি করে দিয়ে কাস্টমারদের কাছে কোম্পানিকে আরো বিশ্বস্ত করে তোলা যায়। এ ধরনের কাজের জন্য আপনি ভালো পরিমাণের সার্ভিস চার্জ নিতে পারবেন।
চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং ক্লায়েন্ট ফাইন্ডিং
সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন বিষয়টি হলো ক্লায়েন্ট ফাইন্ডিং করা। ক্লায়েন্ট খুঁজে পাওয়ার জন্য কিংবা ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে কাজ সংগ্রহ করার বিষয়ে দক্ষতার অভাবে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে তেমন এগিয়ে যেতে পারে না। এক্ষেত্রেও চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করে ক্লায়েন্ট খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
যেমন- Chat GPT ব্যবহার করে ভালো মানের Gig তৈরি করে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে পাবলিশ করা যাবে। আবার কোন ক্লায়েন্ট মেসেজ করলেও তাদেরকে উপযুক্ত রিপ্লাই দিতে জিপিটির সহযোগিতা নিতে পারবেন। বিভিন্ন কোম্পানির কাছে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে ইমেইল মার্কেটিং করতেও GPT ব্যবহার করা যায়।
এভাবে দক্ষতার সাথে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সটি ব্যবহার করতে পারলে বর্তমান যুগে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক বেশি এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। আশাকরি, বিস্তারিত আলোচনাটি বুঝতে পেরেছেন।
আজকের ডলার রেট কত টাকা/ ১ ডলার সমান কত টাকা (Dollar to Taka) সে সম্পর্কে আপডেট রেট এই আর্টিকেলে জানতে পারবেন।
বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রার নাম হলো ডলার। বাংলাদেশেও যে সকল বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ইউএসএ ডলার (United States of America Dollar)। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে পৃথিবীর অধিকাংশ অর্থনৈতিক বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তাই দেশে বিদেশে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন US Dollar ব্যবহার করে লেনদেন করে।
বলা যায় বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিতে এই মুদ্রার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। সবজি থেকে শুরু করে জ্বালানি, ফসল এমনকি অস্ত্র বাণিজ্যেও বাংলাদেশিরা এই মুদ্রা ব্যবহার করে থাকে। তাছাড়া বর্তমানে বহু সংখ্যক বাংলাদেশী নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। তাদেরও প্রায় প্রতিদিনই ডলার লেনদেনের প্রয়োজন হয়।
এই অতি ব্যবহার্য মুদ্রা- ডলারের রেট প্রতিদিনই এমনকি ঘন্টার ব্যবধানেও পরিবর্তন হয়ে যায়। লেনদেনের পূর্বে আপডেট তথ্য না জানলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তাই আজকের ডলার রেট কত টাকা (1 Dollar to Taka) সে সম্পর্কে আপডেট তথ্য জেনে নিন এখানে।
বাংলাদেশে আজকের ডলার রেট কত | ১ ডলার সমান কত টাকা?