-

মুভি রিভিউ:দ্যা ম্যাট্রিক্স The Matrix

Movie Name:The Matrix
Written by:The Wachowski Brothers
Director:The Wachowski Brothers
IMDB Rating:8.7

প্লট:ডিস্টোফিয়ান ফিউচার বুঝেন?যারা ইন্টারস্টেলার দেখেছেন এবং মুভিটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন তারা নিশ্চয়ই বুঝেন।ডিস্টোফিয়ান ফিউচার হলো ভবিষ্যতের কোনো এক সময় যখন পৃথিবীতে জীবন ধারন কঠিন হয়ে পড়ে এবং বেচে থাকার মৌলিক উপাদানগুলোর উৎপাদন কমে যায়,প্রাকৃতিক সম্পদগুলো ফুরিয়ে আসে।তো মানুষ উন্নতি করতে করতে এমন এক পর্যায়ে পৌছে যায় যখন রোবটরা প্রায় মানুষের সমান বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে ফেলে।যখন মেশিনরা দুর্যোগ বুঝতে পারে তখন তারা মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং তারাই জয়ী হয়।যুদ্ধে সম্ভবত পারমাণবিক বোমা ব্যাবহার করার কারনে বায়ুমণ্ডল ধ্বংস হয়ে যায় এবং মানুষ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।পারমাণবিক শক্তির ব্যাবহার করে মেশিনরা নিজেদের বাচিয়ে রাখে।আর যখন তারা বুঝতে পারলো তাদের কাজের জন্য মানুষ দরকার তখন তারা কৃত্রিমভাবে মানুষও সৃষ্টি করলো। আর মানুষদেরকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিতে মুড়িয়ে একটি ল্যাবরেটরীতে রাখা হলো।প্রত্যেক মানুষের মাথার পিছনে একটি কম্পিউটার ক্যাবল দিয়ে কানেকশন দেয়া।এই ক্যাবল দিয়েই তাদের কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্বারা সৃষ্টি করা ভার্চুয়াল জগতে বাস করানো হয়। এই ভার্চুয়াল জগৎটাই মুলত দ্যা ম্যাট্রিক্স।যেখানে আসলে সত্যিকার মানুষ বাস করেনা,তাদেরকে প্রোগ্রামিং করা ভার্চুয়াল পৃথিবী দেখানো হয় আর তারা মনে করে এটাই আসল। আর মুভির শুরুতে যা দেখানো হয় তা আসলে এই জগৎটাই,এখানেই সেই ল্যাবরেটরির মানুষগুলোর ভার্চুয়াল বসবাস যা তারা কখনো কল্পনাও করতে পারেনা।যারা এটা বুঝতে পারে এবং এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে তারাই ল্যাবরেটরিতে জেগে উঠে বাস্তবটা উপলব্ধি করতে পারে।একদল মানুষের এরকম জেগে ওঠা,একত্র হওয়া এবং বাকি মানুষদেরকে বাস্তব জগতে ফিরিয়ে আনার জন্য মেশিনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মাধ্যমেই মুভির প্লট এগিয়ে যেতে থাকে।

চরিত্রসমুহ:-

১।নিও(NEO):একজন কম্পিউটার পোগ্রামার এবং হ্যাকার।”দ্যা ওয়ান” তার কিছু স্পেশাল পাওয়ার আছে।সে বাহিরের জগতে নিজেকে এন্ডারসন নামে পরিচয় এবং ভার্চুয়াল জগতে NEO ছদ্মনাম ব্যাবহার করে।

২।ট্রিনিটি:একজন দুর্ধর্ষ মেয়ে হ্যাকার।মর্ফিয়াস তাকে এজেন্ট স্মিথের হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজের দলে নিয়ে আসে।

৩।মর্ফিয়াস:ম্যাট্রিক­্স পলাতক আসামী।NEO যখন তার কম্পিউটারে মর্ফিয়াসের ব্যাপারে সার্চ দেয় তখন বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত মর্ফিয়াসের পালানোর খবর ভেসে আসে।

৪।এজেন্ট স্মিথ:দ্যা ম্যাট্রিক্সের গোয়েন্দা।যদি মর্ফিয়াসের দলকে দ্যা ম্যাট্রিক্সের ভাইরাস হিসেবে ধরা হয় তাহলে এজেন্টরা হলো অ্যান্টি-ভাইরাস।

জায়ন:-মেশিনদের থেকে পালিয়ে বাঁচা মানুষদের একমাত্র বাসস্থান।

নেবুক্যানাইজার:-মর্ফ­িয়াসের গোপন ঘাঁটি।সাবমেরিনের মতো দেখতে একটি উড়ন্তমুভি রিভিউ:দ্যা ম্যাট্রিক্স Movie Name:The Matrix Written by:The Wachowski Brothers Director:The Wachowski Brothers IMDB Rating:8.7 প্লট:ডিস্টোফিয়ান ফিউচার বুঝেন?যারা ইন্টারস্টেলার দেখেছেন এবং মুভিটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন তারা নিশ্চয়ই বুঝেন।ডিস্টোফিয়ান ফিউচার হলো ভবিষ্যতের কোনো এক সময় যখন পৃথিবীতে জীবন ধারন কঠিন হয়ে পড়ে এবং বেচে থাকার মৌলিক উপাদানগুলোর উৎপাদন কমে যায়,প্রাকৃতিক সম্পদগুলো ফুরিয়ে আসে।তো মানুষ উন্নতি করতে করতে এমন এক পর্যায়ে পৌছে যায় যখন রোবটরা প্রায় মানুষের সমান বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে ফেলে।যখন মেশিনরা দুর্যোগ বুঝতে পারে তখন তারা মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং তারাই জয়ী হয়।যুদ্ধে সম্ভবত পারমাণবিক বোমা ব্যাবহার করার কারনে বায়ুমণ্ডল ধ্বংস হয়ে যায় এবং মানুষ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।পারমাণবিক শক্তির ব্যাবহার করে মেশিনরা নিজেদের বাচিয়ে রাখে।আর যখন তারা বুঝতে পারলো তাদের কাজের জন্য মানুষ দরকার তখন তারা কৃত্রিমভাবে মানুষও সৃষ্টি করলো। আর মানুষদেরকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিতে মুড়িয়ে একটি ল্যাবরেটরীতে রাখা হলো।প্রত্যেক মানুষের মাথার পিছনে একটি কম্পিউটার ক্যাবল দিয়ে কানেকশন দেয়া।এই ক্যাবল দিয়েই তাদের কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্বারা সৃষ্টি করা ভার্চুয়াল জগতে বাস করানো হয়। এই ভার্চুয়াল জগৎটাই মুলত দ্যা ম্যাট্রিক্স।যেখানে আসলে সত্যিকার মানুষ বাস করেনা,তাদেরকে প্রোগ্রামিং করা ভার্চুয়াল পৃথিবী দেখানো হয় আর তারা মনে করে এটাই আসল। আর মুভির শুরুতে যা দেখানো হয় তা আসলে এই জগৎটাই,এখানেই সেই ল্যাবরেটরির মানুষগুলোর ভার্চুয়াল বসবাস যা তারা কখনো কল্পনাও করতে পারেনা।যারা এটা বুঝতে পারে এবং এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে তারাই ল্যাবরেটরিতে জেগে উঠে বাস্তবটা উপলব্ধি করতে পারে।একদল মানুষের এরকম জেগে ওঠা,একত্র হওয়া এবং বাকি মানুষদেরকে বাস্তব জগতে ফিরিয়ে আনার জন্য মেশিনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মাধ্যমেই মুভির প্লট এগিয়ে যেতে থাকে। চরিত্রসমুহ:- ১।নিও(NEO):একজন কম্পিউটার পোগ্রামার এবং হ্যাকার।”দ্যা ওয়ান” তার কিছু স্পেশাল পাওয়ার আছে।সে বাহিরের জগতে নিজেকে এন্ডারসন নামে পরিচয় এবং ভার্চুয়াল জগতে NEO ছদ্মনাম ব্যাবহার করে। ২।ট্রিনিটি:একজন দুর্ধর্ষ মেয়ে হ্যাকার।মর্ফিয়াস তাকে এজেন্ট স্মিথের হাত থেকে বাঁচিয়ে নিজের দলে নিয়ে আসে। ৩।মর্ফিয়াস:ম্যাট্রিক­্স পলাতক আসামী।NEO যখন তার কম্পিউটারে মর্ফিয়াসের ব্যাপারে সার্চ দেয় তখন বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত মর্ফিয়াসের পালানোর খবর ভেসে আসে। ৪।এজেন্ট স্মিথ:দ্যা ম্যাট্রিক্সের গোয়েন্দা।যদি মর্ফিয়াসের দলকে দ্যা ম্যাট্রিক্সের ভাইরাস হিসেবে ধরা হয় তাহলে এজেন্টরা হলো অ্যান্টি-ভাইরাস। জায়ন:-মেশিনদের থেকে পালিয়ে বাঁচা মানুষদের একমাত্র বাসস্থান। নেবুক্যানাইজার:-মর্ফ­িয়াসের গোপন ঘাঁটি।সাবমেরিনের মতো দেখতে একটি উড়ন্ত জাহাজ। সবশেষে একটি টিপস:-কিভাবে বুঝবেন যে ফিল্মের মানুষেরা বাস্তবে আছে নাকি ম্যাট্রিক্সে?সিম্পল!­ যখন তাদের পুরোপুরি অক্ষত অবস্থায় দেখবেন মনে করবেন ভার্চুয়াল জগতে আছে,আর যখন দেখবেন তাদের মাথার পিছনে প্লাগ/সকেট লাগানো তখন তারা আসলে বাস্তবে আছে। বি:দ্র:ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যারা সাইন্স ফিকশন মুভিগুলো পছন্দ করেন বা মাথা গুলিয়ে দেওয়ার মতো মুভি খুজছেন তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ। জাহাজ।

সবশেষে একটি টিপস:-কিভাবে বুঝবেন যে ফিল্মের মানুষেরা বাস্তবে আছে নাকি ম্যাট্রিক্সে?সিম্পল!­ যখন তাদের পুরোপুরি অক্ষত অবস্থায় দেখবেন মনে করবেন ভার্চুয়াল জগতে আছে,আর যখন দেখবেন তাদের মাথার পিছনে প্লাগ/সকেট লাগানো তখন তারা আসলে বাস্তবে আছে।

যারা সাইন্স ফিকশন মুভিগুলো পছন্দ করেন বা মাথা গুলিয়ে দেওয়ার মতো মুভি খুজছেন তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ প্রকাশিত