বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪

আগামী দ্বাদশ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি রোজ রবিবারে। ১৫ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ রোজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

ভাষণে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন তার আয়ত্তে থাকা সব সামর্থ্য দিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে দায়িত্ব পালন করবে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখ রোজ রোববার ৩০০ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট ২ লাখ ৬২ হাজার বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে। ৬৬ জন রিটার্নিং অফিসার এবং ৫৯২ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ভাষণে তফসিল বিষয়ে সিইসি বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আগামী ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি হবে ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং অফিসাররা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর।

সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখ থেকে আগামী ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।

নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করেছে কমিশন। তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি সাত লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন। নারী ভোটার পাঁচ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮৫২ জন।

আনসার – ভিডিপি বাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি Ansar VDP Job Circular 2023

আনসার ভিডিপি নিয়োগ

Ansar VDP Job Circular 2023

সাধারণ আনসার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023

সম্প্রতি আনসার বাহিনীতে সাধারণ আনসার (পুরুষ) এর শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে শুধু পুরুষ প্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ৩ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ কোর্স পূর্ণ মেয়াদে আনসার ভিডিপি একাডেমি গাজীপুরে পরিচালিত হবে।

সাধারণ আনসার পদের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা

1. লিঙ্গঃ পুরুষ

2. বয়স ০৭ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে নূন্যতম বয়স ১৮ এবং সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর।

3. সর্বনিম্ন উচ্চতা: ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। 

4. সর্বনিম্ন বুকের মাপ (স্বাভাবিক-সম্প্রসারিত): 30-32inch.

শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি পাশ।

আবেদনের নিয়ম

ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা যে কোনও অন-লাইন সুবিধা সম্পন্ন কম্পিউটার থেকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওয়েব সাইট (www.ansarvdp.gov.bd) এ ‘ব্যাটালিয়ন আনসার পদের জন্য আবেদন’ লিংকে ক্লিক করে আবেদনপত্র পূরণ করে দাখিল করা যাবে।

আবেদন শুরুর সময়: ০২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ রাত ১২:০১ ঘঠিকা হতে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ০৭ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

অন-লাইন রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০টাকা।

Apply Online

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচন কমিটির কাছে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি, চারিত্রিক সনদের মূল কপি, নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি, অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের প্রবেশপত্রের মূল কপি, পাসপোর্ট সাইজের ৪ কপি সত্যায়িত রঙিন ছবিসহ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। ছবি এবং সকল ডকুমেন্টের ফটোকপি যা গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত।

বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

1win App General Information

Bengali, Hindi, and English are all supported by the 1Win App for Android and iOS Platforms. For online wagering, the 1Win App allows the most popular domestic and foreign payment processors, including bKash, Skrill, Neteller, and even cryptocurrencies. The required down payment is BDT 400. Get a 500% bonus on your first deposit when you download the 1Win App.

You can access the casino feature after downloading the 1Win mobile App. You won’t need to download any extra software, create a different account, or do any other steps. All you need to do is launch the app and navigate to the relevant section.

1Win App Bangladesh Review

You may get the official 1Win App for iOS and Android platforms for free by visiting a website. Sports wagering, casino play, account creation, and withdrawal are all supported via the App. The developers frequently update the App to provide Bangladeshi users with the greatest experience possible when gambling online. You can find full information about the 1Win APK in the table below:

Operating SystemsAndroid, iOS
Application Release1.5.3
APK File Volume40 Mb
App Storage141 Mb
Type AppSports Betting, Online Casino
PurchaseNo
LanguagesBenglali, English, Hindi
Availableness CountriesBangladesh, India, Nepal, and others

The 1Win Apps for iOS and Android platforms are well-optimized, so they operate reliably on most gadgets.

Benefits of 1Win

When wagering through the official App, 1Win App consumers in Bangladesh can take advantage of the following benefits:

  • A simple-to-use interface. The app’s sports betting, casino games, and account settings pages are all easily navigable;
  • Periodic updates. We continually introduce new features and increase the protection of personal data on mobile App;
  • Low technical specifications. On outdated smartphones, the 1Win software operates flawlessly without any bugs or difficulties;
  • Gaming at a live casino. In addition to placing sports bets through the app, users can also try their luck in well-known casino games.

1Win Guide Download APK for Android

Right now, you can easily and for free download the 1Win App for Android. The steps are as follows:

1. Get the 1win APK file. The link of downloading 1Win APK or the button of downloading 1Win App for Android on the site header;

2. Hold off until the download is finished. Wait for the installation file for the program to download;

3. Install the file named 1Win APK. Launch the App by going to the folder where the downloaded file is in your browser. Then, you’ll be able to start it from your desktop.

System Demands

It is advisable to confirm that your Android device satisfies the requirements for reliable operation of the mobile App before you begin installing it:

Android 6.0 or higher
Storage141 Mb
Random Access Memorymin 1 Gb
Central Process Unit1 GHz or more

If these conditions are not met, the App may occasionally fail.

Supported Android Smartphones

1Win software passed many testing on many gadgets before the mobile App was formally released. The following smartphone models are supported:

  •  Samsung A30;
  • Sony Ericsson U5 Kurara;
  •  HTC Hero 2;
  • Sony Ericsson Xperia X10;
  • HTC Passion;
  • Nokia N98;
  • BlackBerry Storm 3;
  • Palm Pre 2;
  • Redmi Note 7.

Don’t be frustrated if you can’t find your gadget in the list. Any smartphone that roughly meets or surpasses the specifications of the listed models will be compatible with the game.

All Android smartphone owners who have updated their operating system to version 6.0 or higher are eligible to download the 1Win APK. After installation, you will be able to play in the casino, place any kind of wager, and access additional gaming facilities.

1Win App for iOS Platform

You can wager using your iPhone or iPad in addition to the internet. For iOS users, the developers have a distinct 1Win mobile App that can be downloaded quickly.

The iOS version’s wonderful optimization is one of its key benefits. There are no freezes, crashes, or other technical issues with the official 1Win App. Additionally, the device is not needed very much for it just iOS version – 11.0 or higher, storage – 141 Mb, 1 Gb RAM and CPU – 1 GHz.  

The 1Win file was successfully tested on numerous different device models by the creators before it was made available, including:

support BDT and bKash:

  •  iPhone 5s;
  •  iPhone 6, 6 Plus, 6s, 6s Plus;
  •  iPhone 7, 7 Plus;
  •  iPhone 8, 8 Plus;
  •  iPhone SE; SE 2020;
  • iPhone X, XR;
  •  iPhone 11, 11 Plus, 11 Pro, 11 Pro Max;
  •   iPhone 12, 12 mini, 12 Plus, 12 Pro, 12 Pro Max;
  •  iPhone 13, 13 mini, 13 Plus, 13 Pro, 13 Pro Max;
  •  iPhone 14, 14 mini, 14 Plus, 14 Pro, 14 Pro Max.

Performance issues won’t exist on more recent smartphone models either.

 1Win Mobile App Installation

The process for downloading and installing the 1Win App may vary slightly depending on the operating system set up on your smartphone. However, it always entails a number of steps:

1. The installation file being downloaded;

2. Altering the smartphone’s security preferences;

3. Launching the file and setting up the App.

The installation process takes a brief amount of time. When it is finished, a new shortcut bearing the 1Win logo will show up on your desktop, allowing you to launch the program.

Registration at 1Win App

If you have already registered on the 1Win platform, there is no need for you to repeat the process on the 1Win App. Simply launch the client and log in using your current account. If you don’t already have one, you can make one using the software. This is what you need to do:

1. Open the app, then tap the register button;

2. Select one of the two options provided to register for an account;

3. Fill in your personal data in the blank spaces;

4. Click on promo code  and type into the box that appears;

5. Finish the registration process, then begin the game.

You can use your newly established account with any 1Win edition. The casino, the App, and the web version do not require separate accounts.

Update at 1Win App

The mobile App requires upgrades from time to time because it is a standalone program. The developers continuously improve the software, add new features, and increase user convenience. You should also keep an eye on the app’s version in order to enjoy all of the newest features.

The updating process is semi-automatic:

1. Open the 1Win App;

2. It will determine whether an update is required;

3. If an update is required, press the button to verify that it has been downloaded;

4. Before you begin playing, wait for the latest 1Win update to install.

Additionally, you may always erase the previous version and download the most recent one from the website.

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর নিয়োগ DPP Job Circular 2023

dpp job news

DPP Job Circular: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অথীন মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে নিম্নবর্ণিত শূন্য পদগুলোয় জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ২২ টি পদে মোট ৫১২ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

Department of Printing and Publications Job Circular

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী।
অন্যান্য যৌগ্যতা: কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: সাঁর্ট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী।
অন্যান্য যৌগ্যতা: সাঁর্টলিপিতে প্রতি মিনিটে বাংলায় ৫০ শব্দ ও ইংরেজিতে ৮০ শব্দের গতি এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: সাঁর্ট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী।
অন্যান্য যৌগ্যতা: সাঁর্টলিপিতে প্রতি মিনিটে বাংলায় ৪৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দের গতি এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: লাইব্রেরিয়ান (ইউ, ডি, এ)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: লাইব্রেরি সায়ন্সে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী লাইব্রেরিয়ান (ইউ, ডি, এ)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: লাইব্রেরি সায়ন্সে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ৫৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
অন্যান্য যৌগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং এ প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: হিসাব সহকারী (এল, ডি, এ)
পদ সংখ্যা: ৩১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী ষ্টোরকিপার
পদ সংখ্যা: ১২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: সেলসম্যান
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: গাড়িচালক
পদ সংখ্যা: ০৬ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: পাম্প চালক
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,৮০০ – ২১,৩১০ টাকা।

পদের নাম: ডেসপাচ রাইডার
পদ সংখ্যা: ০৫ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
অন্যান্য যৌগ্যতা: কম্পিউটার ব্যাবহারে দক্ষতা।
বেতন স্কেল: ৮,৮০০ – ২১,৩১০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ৩২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী
পদ সংখ্যা: ১৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পোর্টার
পদ সংখ্যা: ১২৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

কারিগরি পদসমূহ:

পদের নাম: কপি হোল্ডার
পদ সংখ্যা: ২৬ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
অন্যান্য যৌগ্যতা: শুদ্ধ উচ্চারণসহ পান্ডুলিপি পাঠে সক্ষম।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী চেকার
পদ সংখ্যা: ৬ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক পাস।
অন্যান্য যৌগ্যতা: কাগজ গণনায় পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং খারাপ মুদ্রণ অথবা ভুল
নাম্বারিং এর জন্য বাতিল শীট পরিক্ষা করার সক্ষমতা।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: মেকানিক (মেকানিক্যাল)
পদ সংখ্যা: ২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোন অনুমোদিত ভিটিআই/টিটিসি হতে সনদপত্র/প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।
অন্যান্য যৌগ্যতা: প্রিন্টিং বাইন্ডিং ও অন্যান্য মেরামত ও ওভারহোলিং এ পর্যাপ্ত জ্ঞান।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ইলেকট্রিশিয়ান
পদ সংখ্যা: ১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: বাইন্ডার
পদ সংখ্যা: ১৭২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: কাউন্টার (প্রেসের জন্য)
পদ সংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণী পাশ
বেতন স্কেল: ৮,৫০০ – ২০,৫৭০ টাকা।

আবেদন শুরুর তারিখ: ০১ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের http://dpp.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।

Apply

বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

Download

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

Post Related Things: bd job today, New job circular, bd recent job circular, Job Circular সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, daily চাকরির খবর, e চাকরির খবর, চাকরির খবর govt, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, চাকরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, new চাকরির খবর, চাকরির খবর paper, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির ডাক পত্রিকা, চাকরির বাজার পত্রিকা, সাপ্তাহিক চাকরির পত্রিকা

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নিয়োগ Lalmonirhat DC Office Job 2023

Lalmonirhat DC Office Job

Lalmonirhat DC Office Job 2023: লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এর শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ০৮টি পদে মোট ২৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। এই চাকরিতে লালমনিরহাট জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা শুধু আবেদন করতে পারবেন। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়ই প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

Lalmonirhat DC Office Job Circular 2023

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ০৯ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী
পদ সংখ্যা: ০৬ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: বাবুর্চি (সার্কিট হাউস)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ এবং রান্নার কাজে অনূন্য
৫ বছরের অভিজ্ঞতা।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: বেয়ারার (সার্কিট হাউস)
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী (সার্কিট হাউস)
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: মালি (সার্কিট হাউস)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ২৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ সকাল ০৯:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়াআবেদন করতে হবে অনলাইনে http://dclal.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধমে অনলাইনে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

Apply

বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন…

আপনার কোন বিষয়ে প্রশ্ন বা জানার আগ্রহ থাকলে নিচের Ask বাটনে ক্লিক করে প্রশ্ন করতে পারবেন।

Ask

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

Post Related Things: চাকরির খবর, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির পত্রিকা আজকের, আজকের চাকরির খবর, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা, চাকরির খবর, bd govt jobs, all jobs bd newspaper, চাকরির খবর ২০২৩ সরকারি, সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, চাকরির পত্রিকাআজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৩ সরকারি, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, সাপতাহিক চাকরির খবর.com, সপ্তাহিক চাকরির খবর

রোমানিয়া যেতে কত টাকা লাগে? বেতন কত? ভিসা আপডেট

রোমানিয়া ভিসা আপডেট

বর্তমানে ইউরোপের দেশে যাওয়া প্রায় সকল বাংলাদেশী মানুষদের সপ্ন। তবে ইউরোপের কোনো দেশের ভিসা পাওয়া সহজ নয়। এর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি কোন একটি কাজের উপর অভিজ্ঞ হতে হয়। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় রোমানিয়ায় যাওয়া অনেক সহজ। রোমানিয়া ইউরোপের একটি উন্নত দেশ যেখানে বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী প্রবাসী কাজ করছে। আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো রোমানিয়া যেতে কত টাকা লাগে, ভিসা কত এবং বেতন কত? ইত্যাদি সকল প্রশ্ন নিয়ে। দেরী না করে চলুন আমাদের আজকের আলোচনা শুরু করি।

রোমানিয়া যেতে কত টাকা লাগে?

ভিসা এবং আপনি কিভাবে যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে কম বেশী খরচ হতে পারে। রোমানিয়ায় আপনি বিভিন্ন ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন যেমন: স্টুডেন্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ইত্যাদি। একেকটি ভিসার খরচ একেক ধরনের হয়ে থাকে। তবে ভিসা সহ অন্যান্য খরচ সহ আপনি যদি সরকারি ভাবে যান তাহলে পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। তবে এর উপরে কিছু টাকা খরচ হতে পারে যা নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগকারী কোম্পানি বহন করে। এছাড়া আপনি যদি কোনো এজেন্সি বা দালালের মাধ্যমে যান তাহলে ৭-৮ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। এছাড়া অন্যান্য খরচ এবং ভিসার প্রাইসের উপর নির্ভর করে এই টাকা কম বেশী হতে পারে।

রোমানিয়ায় মাসিক বেতন কত?

বর্তমানে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে রোমানিয়াতে সাধারণত ৬০ হাজার থেকে ১ লাখা টাকা বেতন দেওয়া হয়। আপনি কি কাজ করছেন তার উপর বেতন নির্ভর করবে। রোমনিয়াতে মুলত কাজের দক্ষতার উপর নির্ভর করে বেতন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে। অধিক বেতন পেতে চাইলে ভালো কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করুন।

রোমানিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে?

রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা পেতে হলে অবশ্যই সেখানে কোনো ইউনিভার্সিটি থেকে অনুমোদন পেতে হবে। আপনি যদি সুযোগ পান তাহলেই স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে পারবেন। সরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা পেলে আপনার সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ৯০ ইউরো খরচ হতে পারে। এছাড়া বেসরকারীভাবেও আপনি যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।

রোমানিয়ায় টুরিস্ট ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে?

রোমানিয়াতে পর্যটকদের জন্য চোখ জুড়ানো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। আপনি যদি পর্যটনের উদ্দেশ্যে রোমানিয়াতে যেতে চান তাহলে টুরিস্ট ভিসায় যেতে হবে। বর্তমানে অনেক পর্যটক রোমানিয়াতে ভ্রমণ করে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী রোমানিয়া টুরিস্ট ভিসার মুল্য ৫ লাখ টাকার মতো। বেসরকারীভাবে গেলে এর থেকে বেশী খরচ হতে পারে।

রোমানিয়ায় ড্রাইভিং ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে?

রোমানিয়াতে বর্তমানে ড্রাইভিং করে প্রচুর টাকা ইনকাম করা যায়। তাই বর্তমানে অনেক বাঙালী সহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসী যারা ড্রাইভিং জানে তারে রোমানিয়াতে যায়। কারণ এখানে ড্রাইভিং করে ভালো মানের বেতন পাওয়া সম্ভব। ড্রাইভিং এর উদ্দেশ্যে গেলে আপনি ড্রাইভিং ভিসা নিতে পারেন। ড্রাইভিং ভিসা সহ রোমানিয়াতে গেলে সর্বোচ্চ ৮ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।

রোমানিয়ায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে?

রোমানিয়াতে শ্রমিক হিসাবে যেতে চাইলে আপনাকে এই ভিসা নিতে হবে। বর্তমানে রোমানিয়াতে বিভিন্ন কাজে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এখানে শ্রমিকদের বেতন তুলনামূলক অনেক বেশী। বর্তমানে সরকারি ভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সহ রোমানিয়াতে গেলে আপনার সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। এছাড়া বেসরকারীভাবে গেলে ৭ থেকে ৮ লাখ অথবা তার থেকেও বেশী খরচ হতে পারে।

রোমানিয়ার টাকা বাংলাদেশের কত টাকা?

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১ রোমানিয়ান লিউ ২৩.৪৯ বাংলাদেশী টাকার সমপরিমাণ। টাকার পরিমাণ সবসময় পরিবর্তনশীল। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে টাকার মান কম বেশী হতে পারে। তবে রোমানিয়ান লিউ এর মান সাধারণত ২০ থেকে ২৫ বাংলাদেশী টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

রোমানিয়াতে যেতে কত বয়স লাগে?

আপনি যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় রোমানিয়ায় যেতে চান তাহলে সর্বনিম্ন ১৮ বছর বয়স হতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ( ড্রাইভিং ভিসার জন্য ) ইত্যাদি ডকুমেন্ট লাগবে। স্টুডেন্ট ভিসা এবং ট্যুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে যেকোনো বয়স হলেই চলবে। তবে অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে যেতে হবে।

রোমানিয়াতে কোন কাজের চাহিদা বেশি?

আপনি যদি কাজ করার উদ্দেশ্যে রোমানিয়ায় যেতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই কোন কাজের চাহিদা বেশী এই বিষয়ে জানা প্রয়োজন। রোমানিয়াতে সাধারণত শারীরিক কাজের থেকে আইটি কাজে বেশী লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে শারীরিক কাজেরও অনেক চাহিদা রয়েছে। নিচে কিছু কাজের উদাহরণ দেওয়া হলো যেখানে বর্তমানে অনেক শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

১. হোটেল কর্মকর্তা

২. কনস্ট্রাকশন

৩. কৃষি কাজ

৪. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং

৫. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

৬. গার্মেন্টস অপারেটর

৭. কম্পিউটার অপারেটর

সরকারিভাবে রোমানিয়া যাওয়ার উপায়

আপনি চাইলে সরকারি ভাবে রোমানিয়ায় যেতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে কোনো কাজের ওপর প্রচুর অভিজ্ঞ হতে হবে। এছাড়া সরকারিভাবে যাওয়া অনেক কষ্টের। প্রথমত আপনাকে যেকোনো কোম্পানিতে কাজের জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে কোম্পানিগুলো বিভিন্ন ভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। এরপর বিজ্ঞাপন অনুযায়ী আপনার কাজের দক্ষতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। বাংলাদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত রোমানিয়ান এম্ব্যাসিতে আবেদন পত্র জমা দিতে হবে। তবে কখনো কখনো রোমনিয়ান ভিসা টিম বাংলাদেশেও আসে। সেখানে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন। এরপর ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে আপনাকে অনুমোদন দেওয়া হবে। ইন্টারভিউ সাধারণত এম্ব্যাসিতে সরাসরি নেওয়া হয় এবং ইংরেজি অথবা রোমনিয়ান যেকোন ভাষাতে ইন্টারভিউ দিতে পারবেন।

আমাদের শেষ কথা

রোমানিয়া অনেক উন্নত একটি দেশ। এখানে কাজ পেলে অনেক বেশী টাকা আয় করা যায়। তবে কোনো সাধারণ মানুষের রোমানিয়ায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ নয়। কারণ রোমানিয়াতে যেতে হলে কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর অনেক দক্ষতা থাকার পাশাপাশি ভাষা শিখতে হয়। যা সাধারণ মানুষের পক্ষে অনেক কঠিন। তবে আপনি যদি শিক্ষিত হয়ে থাকেন এবং কোন ভাষা সহজে আয়ত্ব করার ক্ষমতা রাখেন তাহল রোমানিয়ায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন।

আমাদের আজকের আর্টিকেল এই পর্যন্তই। আপনার কোন বিষয়ে প্রশ্ন বা জানার আগ্রহ থাকলে নিচের Ask বাটনে ক্লিক করে প্রশ্ন করতে পারবেন। এবং ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে!

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাজ কি

প্রবাসী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়টি ২০০১ সালের ডিসেম্বরের ২০ তারিখে গঠিত হয়। এই সংস্থানটি মূলত প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়। এই মন্ত্রণালয়টি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর প্রধান দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মী হলো ইমরান আহমেদ চৌধুরী (জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮) এবং এর সংস্থা নির্বাহী কর্মী হলো ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, সচীব। অনলাইনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি সরকারি ওয়েবসাইটও আছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কি

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কি? এই মন্ত্রণালয় প্রবাসী বাঙালি অর্থাৎ বৈদেশিক কর্মীদের কল্যাণ এবং প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতিষ্ঠিত করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো যারা নিজ দেশ থেকে বিদেশে যায় সেই সকল প্রবাসী নাগরিকদের সাথে সংস্কৃতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সুরক্ষা, ও অবসর সেবা সরবরাহ করা। এক কথা বলা যায় এই কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যই হচ্ছে প্রবাসী নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করা।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে দেশের যে কোন নাগরিক খুব সহজেই কোন ঝামেলা ঝঞ্ঝাট ছাড়া বিদেশে যেতে পারে। প্রবাসীদের থেকে পাঠানো অর্থ অর্থাৎ রেমিটেন্স গুলো দেশে ঠিকঠাক মতো সরবরাহ হচ্ছে কিনা এটাও দেখা এই সংস্থানের একটি অন্যতম কাজ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ কি

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ কি এই বিষয়ে অনেকেই জানতে চান।‌ চলুন তাহলে এখন জেনে নেওয়া যাক এই কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ কি? এই মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ হলো প্রবাসী বাঙ্গালীদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণকর সুযোগের ব্যবস্থা করা যেমন:- তাদের স্বাস্থ্য সেবা, তাদের শিক্ষা ও কর্মী সুরক্ষা এরকম বিভিন্ন বিষয় এর উপর খেয়াল রাখা ও এর উপর কাজ করাই হচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাজ কি কি

চলুন এখন তাহলে আমরা এক নজরে দেখে নিই প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাজ কি কি? নিচে খুবই সুন্দর ভাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আপনাদের মনে যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে অবশ্যই আপনারা উত্তর পেয়ে যাবেন।

  • তারা প্রথম যে বিষয়ে খেয়াল রাখে সেটি হল প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের রেমিটেন্স প্রেরণে সহায়তা প্রদান। এতে আরো বাংলাদেশেরই অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়।
  • এই সংস্থাটি আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যোগাযোগ রাখে। যদি কখনো কোন সমস্যার মধ্যে পড়ে তাহলে যেন এই সব সংস্থাসমূহের কাছ থেকে সহযোগিতা পেতে পারে।
  • বিদেশে কখন কোথায় কি কাজে লোক লাগবে সেগুলো খেয়াল রেখে সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে জনবল সৃষ্টি করে। প্রশিক্ষণ শেষে সেই সব জনবল খুব সহজেই সেই সকল দেশে যেয়ে কাজে যোগ দিতে পারে।
  • এই সংস্থাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আছে যার ফলে নিজ দেশের মানুষ অন্য দেশে ভালোভাবে কাজ করতে পারছে।
  • এই মন্ত্রণালয় এর উপর দেওয়া বিভিন্ন বিষয় সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি-মালা ও নীতি প্রণয়ন/ করা বা সংশোধন করা।
  • বিদেশে বাংলাদেশের জনগণ প্রেরণ ও তাদের বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়াদি সম্পাদন করা। 
  • বৈদেশিক কর্মসংস্থান গুলোর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা এবং বিভিন্ন কাজের উপর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ এর মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
  • দেশে বিভিন্ন জায়গায় এজেন্ট নিবন্ধন ও লাইসেন্স প্রদান করা এবং তাদের কার্যক্রম গুলো পর্যবেক্ষণ করা।
  • এই সংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ এর অর্থনৈতিক এবং সমাজ কল্যাণমূলক কাজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ তৈরি করা ও তাদের বিনিয়োগে সহযোগিতা করা।
  • যে সকল বাঙালি বৈদেশিক কর্ম সংস্থানে আগ্রহী অর্থাৎ যারা বিদেশে কাজ করতে যেতে চাই তাদের বিদেশে একটি ভালো মানের কাজ প্রদান করা এবং তাদের খেয়াল রাখা।
  • যে সকল বাঙালি বিদেশে যাই তাদের সহ তারা যে কর্মসংস্থানে কাজ করে সেই সকল কর্মসংস্থানের বিষয়ে সঠিক তথ্য সংরক্ষণ করা।
  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করণ করা।
  • প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিএমইটি ও বোয়েসেল, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল গুলোর কাজ পর্যবেক্ষণ করা এবং সঠিক তথ্য সংরক্ষণ করা।

চলুন এখন আপনাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাক।

১/ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কে?

উত্তর: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমেদ চৌধুরী।

২/ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষে বাংলাদেশ সরকার এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেন।

৩/ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর কাজ কি?

উত্তর: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এর পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থান এর সম্প্রসারণ করা। বিদেশ থেকে প্রাপ্ত বৈদেশিক রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি করা।

আশা করছি আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আপনারা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কে যত প্রশ্ন ছিল সব কিছুর উত্তর পেয়ে গেছেন।

লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বিমা এর উপকার এবং সকল তথ্য একসাথে

লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বিমা

বর্তমান সময়ে আমরা সকলেই লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বীমা সম্পর্কে মোটামুটি জানি। লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বীমা এর উপকারিতা কিভাবে করতে হয় এবং কোথায় করলে ভাল হবে সকল তথ্য একসাথে পেয়ে যাবেন আজকের এই পোস্টে। জীবন বীমা বা লাইফ ইন্সুরেন্স সম্পর্কে যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আজকের পোস্টটি আপনার জন্যই।

লাইফ ইন্সুরেন্স কি? | জীবন বীমা কি?

জীবন বীমা সম্পর্কে অন্যান্য তথ্য জানার আগে আমাদের সর্বপ্রথম এটা জানতে হবে আসলে লাইফ ইন্সুরেন্স কি?

ধরা যেতে পারে জীবন বীমা এক ধরনের বিনিয়োগের মতো। যেখানে আপনি আপনার ভবিষ্যতের অনিশ্চত পরিস্থিতির কথা ভেবে এখন থেকেই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান এ একটি নির্দিষ্ট অর্থ জমা রাখছেন। আপনি যেই প্রতিষ্ঠানের টাকা জমা রাখছেন নির্দিষ্ট সময়ের পর সেই প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবেন। ভবিষ্যতে কি হয় না হয় বলা যায় না, এটা আপনার ভবিষ্যতে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে তখন কাজে দিবে।

বর্তমান সময়ে বুদ্ধিমান মানুষেরা নিজের এবং নিজের পরিবারের কথা ভেবে লাইফ ইন্সুরেন্স করে রাখে। নিজের এবং নিজের পরিবারের ভালো কে না চায় লাইফ ইন্সুরেন্স নিজের পরিবারের জন্য রেখে যাওয়া একটি আর্থিক সহযোগিতা।

লাইফ ইন্সুরেন্স এর উপকার

অনেকেই এখনো পর্যন্ত জানে না আসলে লাইফ ইন্সুরেন্স এর উপকার কি কি? লাইফ ইন্সুরেন্স করে রাখলে এটি আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবনে অনেক উপকারে আসবে।

আপনি যদি লাইফ ইন্সুরেন্স করে রাখেন তাহলে আপনার সাথে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে এবং আপনি যদি মারা যান তাহলে আপনার পরিবার লাইফ ইন্সুরেন্সের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাবে এর ফলে আপনি পরিবার থেকে চলে যাওয়ার পরেও আপনার পরিবার আর্থিক সহযোগিতা পাবে।

লাইফ ইন্সুরেন্স কিন্তু ঋণ পরিশোধ করতেও সহযোগিতা করে। যদি আপনি কোন কারনে আপনার ঋণ পরিশোধ করতে না পারেন তখন আপনার এই লাইফ ইন্সুরেন্স এর জমানো অর্থগুলোই আপনাকে ঋণ পরিশোধ করতে সহযোগিতা করবে।

সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে সবাই চাই তারা যখন পৃথিবীতে থাকবে না তখন তাদের পরিবার এর যেন কোন রকম কোন অসুবিধা না হয়। বিশেষ করে পরিবার থেকে যখন একজন উপার্জন করার ব্যক্তি মারা যায় তখন পরিবার টি অর্থনৈতিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু লাইফ ইন্সুরেন্স করে রাখলে আপনি মারা যাওয়ার পরেও আপনার পরিবারের আর্থিক অসুবিধা হবে না। লাইফ ইন্সুরেন্স অর্থাৎ জীবন বীমা করে রাখলে মানুষ নিশ্চিত থাকে যে তার যদি কিছু হয়েও যায় তাহলে তার পরিবারকে দেখার জন্য অন্তত কিছু করে রেখে যেতে পারছে।

লাইফ ইন্সুরেন্স কিভাবে করতে হয়

লাইফ ইন্সুরেন্স করার পদ্ধতি খুবই সহজ। অনেকে আছে যারা প্রশ্ন করেন লাইফ ইন্সুরেন্স কিভাবে করতে হয়? তাদের জন্য আমরা নিচেই লাইফ ইন্সুরেন্স কিভাবে করতে হয় তার বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করলাম। লাইফ ইন্সুরেন্স করতে হলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

  • লাইফ ইন্সুরেন্স করতে চাইলে প্রথমেই আপনাকে একটি সঠিক প্রতিষ্ঠান ঠিক করতে হবে যে প্রতিষ্ঠানে আপনি আপনার লাইফ ইন্সুরেন্স এর অর্থ জমা রাখতে চান।
  • লাইফ ইন্সুরেন্স করার জন্য অবশ্যই একটি সঠিক এবং বিশ্বস্ত নমিনি ঠিক করতে হবে। যে আপনি মারা যাওয়ার পরে আপনার টাকাগুলো উত্তোলন করবে।
  • লাইফ ইন্সুরেন্স করার সময় আপনার বয়স, স্বাস্থ্য, কাজ এবং আর্থিক অবস্থা নির্ভর করে লাইফ ইন্সুরেন্স নীতি নির্বাচন করতে হবে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
  • সাধারণত লাইফ ইন্সুরেন্স দুই প্রকারের হয়ে থাকে একটি স্থায়ী এবং অপরটি বর্জ্য। স্থায়ী ইন্সুরেন্স একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য হয় এবং বর্জ্য ইন্সুরেন্স জীবনের শেষে প্রয়োজন হয়। আপনি কোন মাধ্যমে আপনার ইন্সুরেন্স একাউন্ট টা তৈরি করতে চান সেটি নির্বাচন করুন।
  • অবশ্যই জীবন বীমা করার আগে, আপনার আগে থেকে যদি কোন বীমা বা কোন লোন নেওয়া থাকে সেই সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য বীমা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে জানাবেন।
  • প্রত্যেক মাসেই ইন্সুরেন্স এর একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণে কিছু অর্থ জমা রাখতে হয়। আপনি যখন এই অর্থ উত্তোলন করবেন তখন আপনার জমানো অর্থের সাথে শর্ত-সাপেক্ষে আরো কিছু অর্থ যোগ করে আপনাকে একটি বড় এমাউন্ট দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আপনি কত জমা রাখবেন এবং আপনি চুক্তি শেষে কত অর্থ লাভ পাবেন সেটি আপনার ইন্সুরেন্স কোম্পানী এর নীতিমালা অনুযায়ী ঠিক করা হয়।

এখানে আমরা লাইফ ইন্সুরেন্স করার জন্য যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো উল্লেখ করেছি। সাধারণত জীবন বীমা বা ইন্সুরেন্স করার জন্য আপনি যে প্রতিষ্ঠানটি ঠিক করবেন সেই প্রতিষ্ঠানে গেলেই আপনাকে সবকিছু বলে দিবে কিভাবে জীবন বীমার অ্যাকাউন্টটি করতে হয়।

লাইফ ইন্সুরেন্স কোথায় করলে ভালো হবে

লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বীমা সম্পর্কে জানার পরে অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে লাইফ ইন্সুরেন্স কোথায় করলে ভালো হবে?

লাইফ ইন্সুরেন্স করার জন্য আপনার আশেপাশে বা নিজ জেলার ভিতরে যে সকল ব্যাংকে লাইফ ইন্সুরেন্সের সুবিধাগুলো দেয় সেই সকল ব্যাংকে যোগাযোগ করবেন। লাইফ ইন্সুরেন্স ব্যাংকগুলোর নীতিমালা ভালোভাবে পড়ে দেখবেন। আপনি কোন নীতিমালাই লাইফ ইন্স্যুরেন্স নিতে চান বা নিলে আপনার ভালো হবে সেটি বুঝে সেই প্রতিষ্ঠানটি ঠিক করবেন। এটি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি লাইফ ইন্সুরেন্স একাউন্ট কোথায় করবেন সেটি জানার।

নিচে লাইফ ইন্সুরেন্স বা জীবন বীমা সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।

১/ বাংলাদেশে কী কী ধরণের বীমা চালু আছে?

উত্তর: বাংলাদেশে সাধারণত দুই ধরনের বীমা চালু আছে একটি জীবন বীমা এবং অপরটি সাধারণ বীমা।

২/ জীবন বীমা কি?

উত্তর: জীবন বীমায় একজন ব্যক্তি নিজের বা পরিবারের কোন সদস্যের জীবন বীমা করাতে পারেন। জীবন বীমা ঐ ব্যক্তি মারা যাওয়ার পরেই বীমার অর্থ গুলো উত্তোলন করা যায়। যার নামে বিমা করা হয় সে মারা যাওয়ার পরে নমিনিতে যে থাকে সেই ব্যক্তি এই অর্থগুলো তুলতে পারে।

৩/ জীবন বীমার সুবিধা কি?

উত্তর: জীবন বীমা আপনার এবং আপনার পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করে। পরিবারের কোন সদস্য মারা যাওয়ার পরে অনেক পরিবারই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জীবন বীমা করে রাখলে তাদের আর এই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় না।

৪/ লাইফ ইন্সুরেন্স এর কাজ কি?

উত্তর: নিজের বা পরিবারের কারো জীবনের নিরাপত্তার জন্য যে বীমা করা হয় তাকেই বলা হয় জীবন বীমা। জীবন বীমা একজন ব্যক্তি এবং বীমা দাতার মধ্যকার একটি চুক্তি।

৫/ বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানের নাম কি?

উত্তর: বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানের নাম জীবন বীমা কর্পোরেশন। এটি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। এই জীবন বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালের ১৪ মে নিজেদের জার্নি শুরু করে।

৬/ জীবন বীমা ব্যাংক কি সরকারি?

উত্তর: জীবন বীমা ব্যাংক বাংলাদেশ এর প্রথম সরকারি বীমা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।

৭/ জীবন বীমা কি হারাম?

উত্তর: হ্যা, বাংলাদেশ এ জীবন বীমা হারাম। ইসলামিক মতবাদ অনুযায়ী জীবন বীমা করা হারাম কাজ। কষ্ট করে উপার্জন করা অর্থই আমাদের জন্য হালাল। কিন্তু জীবন বীমাতে জমাকৃত টাকার উপরে কিছু হারে লাভ দেওয়া হয় যেটি সুদের ভেতরে ধরা হয় এজন্য ইসলামিক ভাবে দেখতে গেলে জীবন বীমা হারাম।

৮/ জীবন বীমা কেন হারাম?

উত্তর: বাংলাদেশে বীমা একটি হারাম কাজ। কারন বাংলাদেশের বীমা দেওয়ার ব্যাংক গুলো বা প্রতিষ্ঠান গুলো নির্দিষ্ট অঙ্কে সবাইকে মুনাফা দেয়, যা দেয় সেটা সুদের আরেক রুপ এজন্য বীমা করা হারাম।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি Rajuk Job Circular 2023

rajuk job circular

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগ দেয়ার ঘোষনা করেছে। রাজউক ৩০ টি পদে মোট ১১৮ জনকে নিয়োগ দেবে। উক্ত পদ গুলোতে নারী- পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবনে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল। সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর সবার আগে পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

Rajdhani Unnayan Kartripakkha Job Circular 2023

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (প্রশাসন/এস্টেট ও ভূমি)
পদ সংখ্যা: ০৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রটোকল)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সাংবাদিকতা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (হিসাব)
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাবস্থাপনা, ফিন্যান্স অথবা একাউন্টিং এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (ভূমি ব্যাবহার)
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বা সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর
ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (পরিবীক্ষন ও মূল্যায়ণ)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, ফিন্যান্স বা হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে
স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী অথরাইজড অফিসার
পদ সংখ্যা: ১৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইন্জিনিয়ারিং স্থাপত্য বা নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা
বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী স্থপতি
পদ সংখ্যা: ০৬ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্থাপত্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী আইন কর্মকর্তা
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এলএল.বি (সম্মান) সহ এলএল.এম ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ
পদ সংখ্যা: ১৪ টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০ – ৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদ সংখ্যা: ০৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পুরকৌশল প্রকৌশলে দ্বিতীয় বিভাগে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল প্রকৌশলে দ্বিতীয় বিভাগে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: তড়িৎ অথবা তড়িৎ প্রকৌশলে দ্বিতীয় বিভাগে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: প্রধান ইমারত প্ররিদর্শক
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্থাপত্য অথবা সিভিল প্রকৌশলে দ্বিতীয় বিভাগে ডিপ্লোমা এবং
সংশ্লিষ্ট কাজে নূন্যতম ৭ বছরের অভিজ্ঞতা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: ইমারত প্ররিদর্শক
পদ সংখ্যা: ১৯ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্থাপত্য বা পুরকৌশল বিষয়ে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: কানুনগো
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৪ (চার) বছর মেয়াদি সার্ভে (জরীপ) ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০ – ৩৮,৬৪০ টাকা।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতকত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: ফোরম্যান (যান্ত্রিক)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যান্ত্রিক বা অটোমোবাইল প্রকৌশলে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: ফোরম্যান (বৈদ্যুতিক)
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: তড়িৎ বা তড়িৎ প্রকৌশলে দ্বিতীয় বিভাগে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিসংখ্যানবিদ
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পরিসংখ্যান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: অটোক্যাডে অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০৩ টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্থাপত্য বিষয়ে ডিপ্লোমা এবং অটোক্যাডের উপর প্রশিক্ষণ
প্রাপ্ত।
বেতন স্কেল: ১১,৫০০ – ২৭,৩০০ টাকা।

পদের নাম: জিআইএস অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিং,কম্পিউটার সাইন্স বা স্থাপত্য বিষয়ে
ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০ – ৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: সার্ভেয়ার
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সার্ভে ডিপ্লোমা।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: কাটোগ্রাফিক এসিস্ট্যান্ট
পদ সংখ্যা: ১২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: জিআইএস টেকনিশিয়ান
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।

বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ভারী গাড়ি চালক
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ট্রান্সপোর্ট সুপার ভাইজার
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরিক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ১৯ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://rajuk.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

Apply

বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

নিয়মিত চাকরির খবর জানতে আমাদের চাকরির খবর ক্যাটাগরিফলো করুন।

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

Betvisa BD – Guide to the One of The Best Online Bookmaker in Bangladesh

Betvisa is one of the most prominent bookies in Bangladesh, and this article will provide you with main information about the company. Find out what perks are in store for you on the website of the firm, the range of sports betting and casino games you will enjoy as a customer of Betvisa, and much more.

General Information about Betvisa BD 

Betvisa bookmaker made their debut in the gambling entertainment industry in the year 2020 quite recently. However, it is important to note that during this time, the company has developed into one of the leading services in Bangladesh. It has developed a large number of supporters who visit the company’s website daily to experience an unforgettable online gaming experience. 

The Bangladeshi market is the primary emphasis of the firm, as evidenced by the fact that customers may access the website in their local language, make deposits and wagers in BDT, and utilize one of the easy payment methods that are most often used in the nation.

Bets may be placed on a wide variety of sports through the website of the firm, including football, basketball, tennis, cricket, volleyball, and many more. You also have the option of going to the fantastic online casino, where you will discover a big selection of different games to pick from. Check out this review if you want to learn more about Betvisa.

Advantages of using Betvisa

In order for you to get an accurate opinion of the bookmaker Betvisa, we have compiled a list of the most important aspects of this bookmaker that will not allow you to remain unmoved and will convince you beyond a reasonable doubt to utilize the following bookmaker’s services:

  • The ability to make payments on the site using Bangladeshi Taka without having to perform any additional currency conversions;
  • The most widely used payment methods in Bangladesh, which let you to add funds to your gaming account and then remove those funds without incurring any further fees from the website;
  • A large number of bonuses and promo offers; 
  • A fantastically substantial offer for new players to take advantage of, in addition to a rewarding loyalty scheme for existing customers;
  • A large variety of betting opportunities available on an extensive selection of athletic events, all with odds that are among the most advantageous and competitive available in Bangladesh;
    The company’s online casino has a wide selection of games;
  • An outstanding customer vip-program for Bangladeshis that encourages participation and provides consistent benefits to users;
  • A customer support team that is available around the clock and will give you with knowledgeable assistance on any matter in a method that is easy for you to communicate;
  • A one-of-a-kind mobile application that is packed with features and is accessible on both iOS and Android.


Visit the official Betvisa website and you can get these and many other benefits. 

Betvisa Sign in Bonus 

You can get more enjoyment out of your game if you take advantage of the bonus and promotional offers that the company is making available. These enticing bonuses might not only give you more leeway to play the game, but they can also considerably improve your chances of winning a considerable amount of money. 

Let’s take a deeper look at the welcome offer that’s available to first-time customers:

  • You can get up to 100% of your deposit, and the maximum value of the bonus is 5000 BDT;
  • In order to be eligible for the bonus, you will need to deposit a minimum of 500 BDT into your online gaming account;
  • You are required to meet the wagering requirements before you are allowed to withdraw any bonus cash. The wagering requirement for this promotion is x20;
  • You will only have a single opportunity to take advantage of this offer when you set up your account. In addition, you will be able to take advantage of it in thirty days after the day on which it went into effect.

In addition to this amazing deal for first-time customers, the “Promo” area of the website has a plethora of further tempting presents from the firm.

Betvisa VIP programme

All players have the opportunity to become a member of the company’s unique loyalty programme. The most active players who are determined to win big will be pleasantly surprised by the opportunities and rewards that are available at each level of the programme. 

By registering an account on the site and funding your account, you become a member of the programme and receive an introductory bonus of 2500 RP, which can later be exchanged for real money.

As you progress through the programme you will reach the legendary level. You will be able to receive monthly bonuses of 25,000 RP and an exchange rate of 100 RP per 16 BDT. In addition, you will receive a cashback of 6% on your bets.

Betvisa betting options 

If you’re a Bangladeshi bettor with a love of sports and placing wagers on athletic events, you’ve found the correct location. After all, the finest location to wager is directly accessible from the Betvisa homepage by clicking the Sports option. Bets on all the most well-liked sports in Bangladesh are available here, including: Cricket, Football, Kabaddi, Hockey, Basketball, Tennis, Table Tennis, Rugby, Volleyball, Handball, Cybersports and more.

Even the most seasoned sports bettors will be impressed by the breadth of options available for wagering on athletic events. Moneyline, choose the correct score, make over/under bets and create express bets to maximize your profits may all be placed here. You may also use the comprehensive Live section to wager on games as they’re happening.

Place wagers via the company’s website or mobile app. Make an informed decision; the business encourages and promotes responsible gaming. Always go into games with a level head and avoid becoming emotional. If you want to test your analytical prowess, Betvisa is the place to do it. Win big on your bets with Betvisa.

Casino Games

Betvisa is an online casino to provide some excitement to your vacation. The casino’s lobby will wow with its plethora of top-tier games from a variety of developers. Anyone, no matter how inexperienced or skilled they may be, will be able to try their luck here. The website organizes all of its games into several categories. The following are the most important and often used ones:

  • Live Casino. Those players who are looking to extract the most feelings and experiences possible from the game should read this section. Here, you may compete against a real dealer and simulate the experience of playing at a real casino table with real people. Pick any of the provided games—from roulette to baccarat—and have a fantastic time. 
  • 3D games. Have you ever tried any games that included three-dimensional graphics? Then you should not delay and complete it as soon as possible in the 3D games section. Choose a game like Cash Rocket, for instance, and completely submerge yourself in an experience that has stunning 3D visuals;  
  • Slots. You may choose from a range of slot machines here, and if you’re a lover of fishing, you can take advantage of a special promotion that gives you 1.2% cashback on games with a fishing theme; 
  • Electronic Games. You can pick, for instance, “Blackjack Neo” and other games from this category if you want to play one of the most popular electronic games in Bangladesh.

The top software developers in Bangladesh and across the world, including industry heavyweights such as NetEnt and Microgaming, are responsible for the creation of each and every game that can be found on our website. This substantiates the claim that playing games online here will provide you with the greatest and most memorable experience possible.

The final word

Betvisa is without a doubt notable, and it has every right to be regarded as the leading provider of betting and casino amusement in Bangladesh. On the website of the organization you are eligible for fantastic bonus offers and have access to an unbelievable variety of online casino games and sporting events to wager on. This Bangladeshi bookmaker comes highly recommended from our end. Betvisa provides its users with the finest possible gaming experience, so don’t delay in signing up to enjoy it.