(Fiverr)ফাইভারের কিছু বেসিক নিয়ম-কানুন

Fiverr Rules

Fiverr: অনেকেই ফাইভারে কাজ করেন। কিন্তু ফাইভারের বেসিক নিয়মগুলো জানেন না, তাদের জন্যই আজ আমার এই লেখা।যারা ফাইভারে নতুন তারা ফাইভারের অনেক সাধারণ নিয়ম কানুন না জানার কারণে তেমন একটা সুবিধা করে উঠতে পারেন না।তাই তাদের এই নিয়ম কানুন গুলো জানা প্রয়োজন।

1. একটি IP একটি মাত্র একাউন্ট এর জন্য ব্যবহার করতে হবে। যদি একটি IP থেকে একাধিক একাউন্ট ওপেন করা হয় । তাহলে Fiverr কমিউনিটি উভয় একাউন্টই Restricted করে দিবে সেটা যেই হউক না কেন আপনি যদি লেভেল ২ সেলার হন তাহলেও।
2.একটি পেপাল একাউন্ট একটি মাত্র একাউন্ট এর জন্য । তবে অনেক ইউজার আছেন তারা একটি পেপাল একাউন্ট একাধিক একাউন্ট এ ব্যবহার করে তাদের সাধের একাউন্টটি হারিয়েছেন।
3. Fiverr এর মেসেজ অপশনের মাধ্যমে আপনি আপনার কোন প্রকার কন্টাক্ট এড্রেস বায়ারকে দিতে পারবেন না। যদি দিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে প্রথমবার ওয়ারনিং দিবে। তারপর ও যদি দিয়ে থাকেন। তাহলে আপনার একাউন্ট ব্যানড করে দিবে।4. একটি একাউন্ট ওপেন করার পর সেই একাউন্টটি সেই একই IP দিয়ে চেক করতে হবে। IP পরিবর্তন হলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটি ব্যান্ড করবে।
5. Fiverr.com এর পেমেন্ট মেথড দুইটি: পেপাল এবং পেওনিয়র
6. আপনি যদি Fiverr এ 10 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 1 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল #1 এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল #1 এর ব্যাচ দিবে।
7. আপনি যদি Fiverr এ 50 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 2 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল #2 এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল #2 এর ব্যাচ দিবে।
8. আপনি যদি Fiverr এ 250 টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি 4 মাস একটিভ থাকে তাহলে Fiverr কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে টপ লেভেল এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি টপ লেভেল এর ব্যাচ দিবে।
9. লেভেল #1, লেভেল #2, টপ লেভেল এর সুবিধা হচ্ছেঃ প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি কাজের মূল্যা অনেক বেশী নির্ধারণ করে দেওয়া যায়।
10.Fiverr.com এ সর্বনিম্ন Withdraw পেপাল একাউন্ট এ 4$ ।
11. যদি কখনও অন্য কোন মডেম ব্যবহার করার দরকার হয়। তাহলে আপনার ফাইবার থেকে সাইট আউট করবেন তারপর ব্রাউজার ক্লিন করে তারপর আপনার পূর্বের মডেমটি রিমুভ করে তারপর নতুন মডেমটি ইনস্টল দিয়ে তারপর কাজ শেষে আবার অনইনস্টল করে তারপর ব্রাউজার ক্লিন করে। আবার আগের মডেম ইনস্টল দিয়ে কাজ করবেন।
12. তবে সিঙ্গেল মডেম ব্যবহার করাই ভালো। কোন প্রকার সমস্যা হবে না।


আজ এ পর্যন্তই থাক আরেক দিন কিভাবে ফাইভারে অধিক পরিমানে অর্ডার পাওয়া যায় এরকম অনেক গুলো টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে লেখব।

Google Adsense approve করাতে হলে যা করতে হবে

google adsense bangla cyber

Approve Google Adsense: আগে জেনে নেয়া যাক গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে। গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে গুগলেরই একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি বিজ্ঞাপনদাতা নেটওয়ার্ক যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইটে বা ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ দেখানর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বিজ্ঞাপণদাতাদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৫০ থেকে ৬০ ভাগ টাকাই ওয়েবসাইটের মালিকদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেয়। আর গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যেকেউ অর্থ আয় করতে পারে। প্রচুর বাংলাদেশী ব্লগার এবং ওয়েবসাইটের মালিক গুগল অ্যডসেন্সের বিজ্ঞাপণ প্রদর্শণের মাধ্যমে বর্তমানে অর্থ আয় করছেন।

আপনার ওয়েব সাইটের জন্য  গুগল অ্যাডসেন্স এপ্লাই করার পূর্বে আপনাকে ওয়েবসাইটের যে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।
গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট দুই ধরনের হয়।
১. হোস্টেড গুগল অ্যাডসেন্স
২. নন-হোস্টেড গুগল অ্যাডসেন্স বা সম্পূর্ণ অনুমোদিত অ্যাডসেন্স
হোস্টেড অ্যাডসেন্স মানে হচ্ছে যারা আপনাকে ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইন দিচ্ছে এবং এটি ব্যাবহার করে আপনি কোন খরচ ছাড়াই এদের মাধ্যমে আপনার পোস্ট বা ভিডিও শেয়ার করতে পারছেন। এইসকল মাধ্যম ব্যাবহার করে আপনি যে অ্যাডসেন্স পাবেন সেটা হচ্ছে হোস্টেড অ্যাডসেন্স। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন এসকল সাইট গুলোকে গুগল অ্যাডসেন্স এর পার্টনার হতে হবে। হোস্টেড এর ক্ষেত্রে আপনি যা ইনকাম করবেন সেটা তিনটা অংশে(প্রতিটা অংশের পারসেন্টেজ ভিন্ন হবে) ভাগ হবে। এক অংশ গুগল পাবে, আরেকটা পাবে ওই ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডার  এবং শেষে আপনি পাবেন। হোস্টেড এর কিছু উদাহরনঃ ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস, ইউটিউব ইত্যাদি।
আর নন-হোস্টেড অ্যাডসেন্স মানে হচ্ছে ডোমেইন এবং হোস্টিং আপনার নিজের কেনা এবং এর ফুল কন্ট্রোল আপনার হাতে। তাই এই সকল সাইটের মাধ্যমে ইনকামও হবে বেশি। শুধু মাত্র কিছু অংশ গুগল নেবে বাকি অংশ আপনি পাবেন।
এবার আসুন আলোচনা করা যাক অ্যাডসেন্সে এপ্লাই করার পূর্বে আপনার সাইটটি কেমন হতে হবে……
১. ওয়েবসাইটের ডিজাইনঃ গুগল চায় যে আপনার ওয়েব সাইটটি আপনার ব্যবহারকারীরা যেন খুব সহজ এবং সাছন্দে ব্যবহার করতে পারে।মনে করেন আপনি দুনিয়ার সব কালার দিয়ে সাইট ডিজাইন করলেন। এতে ভিজিটর যখন ভিজিট করবে তখন এত কালার মিশ্রন দেখে পরবর্তীতে সে নাও ঢুকতে পারে।আবার হোম পেজ থেকে অন্য পেজে যাওয়ার পর যদি আবার হোম পেজে সহজে ফিরে না আসতে পারে তাহলে ওই ব্যবহারকারীর কাছে আপনার সাইটটি একটি কারাপ অভিজ্ঞতা হতে পারে।  এতে ভিজিটর কমে যাবে এবং অনুন্নত সাইট ডিজাইনের জন্য Adsense approval নাও পেতে পারেন।
২.অ্যাডসেন্সের নীতিমালা: আপনার সাইটটি অবশ্যই গুগল অ্যাডসেন্সের নীতিমালা মেনে তৈরি করতে হবে যেমনঃ কোন কপি পেস্ট কন্টেন্ট থাকা যাবেনা একদম ইউনিক কন্টেন্ট থাকতে হবে , সাইটে অরগানিক ট্রাফিক লাগবে, অনলাইনে বিজ্ঞাপন  বা কোনো সফ্টওয়্যার দিয়ে ভিজিটর আনা যাবে না।
৩.পর্যাপ্ত পরিমাণের কন্টেন্ট: আপনার সাইটটি যদি ব্লগ অথবা নিউস সাইট হয় তাহলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পোস্ট থাকতে হবে অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করার পূর্বে। কমপক্ষে ৩০+ পোস্টের পরে যেয়ে এপ্লাই করা উচিত।আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখবেন আপনার সাইটে যেন খালি অথবা কোনো কন্টেন্ট ছাড়া পেজ না থাকে।
৪.রেসপন্সিভ ডিজাইনঃ আপনার সাইটের থিম/লেআউট রেস্পন্সিভ হতে হবে  এবং ভাল নেভিগেশন মেনু থাকতে হবে।যেন ভিজিটর আপনার সাইটে যেকোনো পেজ থেকেই হোম পেজ বা অন্য পেজে যেতে পারে।এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ডোমেইনের বয়সঃ ডোমেইন কেনার সময় এক বছরের অধিক সময়ের জন্য ক্রয় করুন কারণ ডোমেইনের বয়স যত বেশি হবে approval পাওয়াটাও তত সহজ হবে। কারন গুগল বুঝবে যে সাইটটা স্থায়ী হবে ভবিষ্যতে।সাইটের বয়স মিনিমাম ৪৫ দিনের হওয়ার পর এপ্লাই করা উচিত নয়।
৬. আপনার সাইটে অবশ্যই About, Contact Us, DISCLAIMER & Privacy policy পেজ থাকতে হবে আর এই পেজ গুলো ইংলিশে বানালে ভাল। এটা অন্যতম একটা শর্ত গুগলের। এগুলো অটো তৈরি করার জন্য বিভিন্ন সাইট আছে। আপনি ওখান থেকে তৈরি করে নিতে পারেন বা নিজেও করতে পারেন।
৭.XML সাইটম্যাপ একটি ভালো মানের XML সাইটম্যাপ তৈরি করুন। গুগল ওয়েবমাস্টার টুলে জমা দিয়ে গুগলে ইনডেক্স করান। ওয়ার্ডপ্রেসে  XML সাইটম্যাপ তৈরি করার জন্য অনেক প্লাগইনস রয়েছে ওই গুলো ভ্যবহার করতে পারেন আবার অনেক ওয়েব সাইট রয়েছে সেই গুলো থেকে তৈরি করিয়ে নিতে পারেন।
৮. ডোমেইনের নামের সাথে মিল রেখে জিমেইল আইডি বানিয়ে ওই জিমেইল থেকে এপলাই করলে approval  হওয়ার চান্স বেশি তাই এই পদ্ধতিতে কাজ করে দেখতে পারেন।
৯. আপনার ডোমেইনে SSL Certificate রাখবেন এতে সাইটটি গুগলের কাছে আরো ট্রাস্টেড হয় আর approval হওয়ার  চান্সও বেশি।আর গুগল অ্যানালেটিকস এর সাথেও সাইট লিংক করে রাখবেন।
১০. অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট থেকে বাচিয়ে রাকবেন সাইটকে।


উপরে যে যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি ওই গুলো মেনে কাজ করলে অবশ্যই আপনার সাইটে  Adsense approve দিয়ে দিবে। তাহলে আর আপনাকে Adsense approve করানোর জন্য টাকা দিয়ে কোনো ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হতে হবে না।আরটিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ আর যদি কোনো সমস্যা হয় থাহলে এখানে কমেন্ট করুন বা আমাদের ফেইসবুক পেজে ম্যাসেজ দিন অবশ্যই সাহায্য করা হবে।

রিয়াজ(Riaz) চলচ্চিত্রে মাত্র ১০১ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে কাজ করেছিলেন?

হাজার বছর ধরে
হাজার বছর দরে

Riaz: অভিনেতা রিয়াজ  জহির রায়হান এর কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হাজার বছর ধরে চলচ্চিত্রে মাত্র ১০১ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে কাজ করেছিলেন! বাংলাদেশী চলচ্চিত্র হাজার বছর ধরে এটি ৮ জুলাই ২০০৫ সালে মুক্তি পায় । প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হান এর কালজয়ী উপন্যাস ‘’হাজার বছর ধরে’’  অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত হয় এটি। এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন জহির রায়হানের সহধর্মিনী এক সময়ের বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা। ছবিতে প্রধান দুটি চরিত্র মন্ত ও টুনির ভুমিকায় অভিনয় করেছেন রিয়াজ ও নবাগত শারমিন যোহা শশী। এছাড়াও শাহনূরএটিএম শামসুজ্জামানসুচন্দানাজমা আনোয়ার সহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন এই চলচ্চিত্রে।

হাজার বছর ধরে  সুচন্দার পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র, তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র সবুজ কোট কালো চশমা, তিনি একটি দীর্ঘ বিরতি পর এই ছবিটি নির্মাণ শুরু করেন। তিনি এই চলচ্চিত্রের জন্য যথাক্রমে প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করেছেন। যখন হোতাপারা থেকে তিনি গাজীপুর গেলেন তখন শুটিং স্পট এবং প্রধান স্থান হিসেবে নির্বাচিত করলেন। মূল উপন্যাসের সাথে দৃশ্যের মিল রাখতে জায়গায় ঋতু পরিবর্তন মানা হয়। প্রকৃতিতে ঋতু পরিবর্তন স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ছিল।

হাজার বছর ধরে  ছবিতে টুনি  চরিত্রে অভিনয়ের জন্যে সুচন্দা ১৪ বছর বয়সী মেয়ে শশীকে নির্বাচিত করেন। সুচন্দার এই ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারে অভিনেতা রিয়াজ ছিলেন অন্য রকম, তিনি এই ছবিটির মন্ত  চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিক হিসাবে নিয়েছিলেন শুধুমাত্র ১০১ টাকা।

ছবিটি দক্ষ নির্মাণ শৈলী দিয়ে নির্মাণ করে সুচন্দা চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের কাছে দারুন ভাবে আলোচিত হন। এবং জিতে



নেন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার সহ মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার-এর একটি বিশেষ পুরস্কারসহ মোট চারটি বিভাগে ও পরে ঘোষিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৫ এর মোট ছয়টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।

 

 

 

Kids Coding-Google Doodle বাচ্চাদের প্রোগ্রামিং ভাষার 50 বছর উদযাপন করছে

Google Doodle

Google Doodle ‘Kids Coding’  গুগল ডুডল  বাচ্চাদের প্রোগ্রামিং ভাষার 50 বছর  উদযাপন করছে।

Google Doodle

গুগলের হোমপেজে গেলে দেখা যাচ্ছে একটি খরগোশ এর গেম ।
এই অনন্য doodle কম্পিউটার বিজ্ঞান শিক্ষা সপ্তাহ (CSEdWeek) উদযাপন করতে গুগল এর প্রথম কোডিং doodle এবং 50 বছরের বাচ্চাদের কোডিং ভাষা উদযাপন করতে লাগানো হয়েছে। গুগল ডুডলস এর একটি টুইটে বলেছে যে এটি গুগলের “কোডিং #GoogleDoodle” এর প্রথম কোডিং বাচ্চাদের কোডিং ভাষা গুলির সুবর্ণজয়ন্তী বছর হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ।

এই  গুগল ডুডল গেমটিতে ব্যবহারকারীকে কোড ব্লক ব্যবহার করে গাজর সংগ্রহ করতে বলা হয় । গেমটিতে ছয়টি স্তর আছে এবং প্রতিটি স্তরের আগে, একটি টিউটোরিয়াল রয়েছে যা ব্যবহারকারীকে কোড কোডিং ভাষা ব্যবহার করে কোড ব্লক শিখতে সাহায্য করে। খেলার মধ্যে, একটি ছোট খরগোশ এগিয়ে একটি  করে গাজর তোলে এবং শিশুদের জন্য স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং ভাষা উপর ভিত্তি করে ব্লক কোডিং একসঙ্গে snapping দ্বারা সব গাজর সংগ্রহ করে।

ডুডলটি তৈরি করেছে  গুগল ডুডল দল, গুগল ব্লকলি টিম এবং এমআইটি স্ক্র্যাচ এর গবেষক!

সাবমেরিন কিভাবে কাজ করে?

Submarine bangla

আপনার কি কখনো জানতে ইচ্ছে হয়েছে সাবমেরিন কিভাবে কাজ করে? অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে সাবমেরিন কিভাবে চলে এবং কিভাবে পানিতে ভাসে ও আবার পানির নিচে চলে যায়। বিষয়টি তেমন জটিল কিছু না সাবমেরিন মূলত কাজ করে প্রাচীন গ্রীক বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের “ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক থিওরী” উপর ভিত্তি করে।এই থিওরীর উপর ভিওি করেই ১৬২০ সালে কর্ণেলিয়াস জ্যাকবসজুন ড্রেবেল নামীয় একজন ডাচ কর্তৃক প্রথম নৌযানবাহন হিসেবে সাবমেরিন আবিস্কার করেন।
ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক থিওরী হল কোন অদ্রব্য বস্তুকে পানিতে ডোবালে তা নিজের আয়তনের সমপরিমান পানি অপসারিত করবে। সোজা কথায় অপসারিত পানির ভরের থেকে পানিতে ডোবানো জিনিসটি যদি হালকা হয় তবে তা ভেসে থাকতে পারে।বিষয়টাকে আরও সহজে ও ভেঙ্গে  বলছি যাতে আপনারা সহজে বুঝতে পারেন ।

একটি খালি প্লাস্টিকের বোতলে যদি বাতাস ভরা হয় তখন কিন্ত বোলতটি পানিতে ভেসে থাকবে। ঠিক যদি আবার বোতলটিতে নতুন করে পানি ভর্তি করে দেওয়া হয় তবে সকল বাতাস বের হয়ে যাবে বোতলটি ভারী হয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে যাবে। আবার যদি অর্ধেক বাতাস বোতলে রাখা হয় তবে বোতলটি অর্ধনিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকবে সেইম সূত্র অবলম্বন করে সাবমেরিন পরিচালিত হয়।

একই সূত্র ফলো করে সাবমেরিনে কিছু ব্যালাস্ট ট্যাংকার থাকে এর ভিতরে পানি ও বাতাস ডুকানো হয় যন্ত্রের সাহায্যে। যখন সাবমেরিন ডুবানোর দরকার পরে তখন এইসব ব্যালাস্ট ট্যাংকারে পানি ডুকিয়ে দেওয়া হয় ফলে সাবমেরিনটি ভারী হয়ে পানিতে ডুবে যায়। আবার যখন ভাসানোর দরকার পরে তখন ব্যালাস্ট ট্যাংকারের পানি গুলি বের করে যন্ত্রের সাহায্যে দ্রুত বাতাস ডুকতে থাকে ফলে সাবমেরিন পানির উপরে ভেসে উঠে।
তবে এতে করে সাবমেরিনের ভিতরে চাপের কোন পরিবর্তন হয়না কারণ হল এতে উন্নত মানের ষ্টীল, টাইটেনিয়ামের মতন ধাতু ব্যাবহার করা হয়। এইসব ধাতুর কারণে শুধু সাবমেরিনের ভিতরে নয় এর বাইরেরও পানি প্রচণ্ড চাপ সহ্য করার মতন ক্ষমতা থাকে।

সাবমেরিনের ভিতরে অক্সিজেন সরবরাহ করার জন্য যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে অক্সিজেন তৈরি করা হয়।

অনেকে প্রশ্ন করেন পানির কত নিচে পর্যন্ত যেতে পারে সাবমেরিন। আসলে সাবমেরিনের একটা নিদিষ্ট রেঞ্জ থাকে সেই রেঞ্জের  নিচে গেলে সাবমেরিনটির দুর্ঘটনায় ঘটবে । বর্তমানের আধুনিক সাবমেরিন গুলি মধ্যে সবচেয়ে বেশী চাপ নিতে সক্ষম মার্কিন পারমাণবিক সাবমেরিন ও রাশিয়ান সাবমেরিনগুলি, মার্কিন সাবমেরিন গুলি ৪৫০০ ফুটের নিচে যেতে পারে না। যদি যায় তবে পানির বিশাল চাপে সাবমেরিন চ্যাপ্টা বানিয়ে ফেলবে।



সাবমেরিন কতদিন পানির নিচে থাকবে তা নির্ভর করে মূলত কতদিনের জ্বালানি আছে ও ক্রদের খাদ্য কি পরিমাণ রিজার্ভ আছে। যদি ডিজেল সাবমেরিন হয় তবে ডিজেল নেভার জন্য কিছুদিন পরেই উপরে আসতে হয়। আর যদি পারমাণবিক সাবমেরিন হয় তবে একবার জ্বালানি নিয়ে এটি একটানা ২৫ বছর বা আরও বেশী সময় পানির নিচে থাকতে পারবে কিন্ত ক্রদের খাদ্যর জন্য তাকে উপরে আসতেই হবে।কারণ পারমাণবিক সাবমেরিন নিজে ২৫ বছর বা আরও বেশীদিন পানির নিচে থাকতে পারবে কিন্ত ভিতরের মানুষের জন্য ৬ মাস পরে উপরে আসতেই হবে। সাবমেরিনে ৬ মাসের বেশী খাবার মজুদ রাখা যায় না।
আশা করি সাবমেরিন নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

ব্লগ(Blog) কি?

what is blog

ব্লগ(Blog) কি? যারা ব্লগিং করেন বা ব্লগিং শুরু করতে চান তাদের অবশ্যই জানা থাকা উচিৎ যে ব্লগ জিনিসটি আসলে কি এবং এটা কবে থেকে শুরু হয়েছে। আজ আমি এই লেখাতে আপনাদের ব্লগ সম্পর্কে সম্পূর্ন ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব ,তাহলে চলোন শুরু করি।

Blog শব্দটির উৎপওি Weblog থেকে। ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর মার্কিন নাগরিক জন বার্জার সর্বপ্রথম Weblog শব্দটি ব্যবহার করেন।এর ঠিক দুই বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহোলজ নামে এক ব্যাক্তি Weblog  শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন – We Blog এর পরই সারা বিশ্যব্যাপী ব্লগ(Blog) জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ইংরেজী Blog শব্দের অর্থে Oxford Dictionary তে বলা হয়েছে- Blog is a personal record that somebody puts on their website giving an account of their activities and opinions and discussing places on the Internet they have visited.

কাজেই কোন একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে কোন বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলে। মত প্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসাবে এই ব্লগ আমাদের জীবন যাএায় এনেছে  নতুন মাএা। ব্লগ মূলত এক ধরনের ওয়েবসাইট, তবে সাধারন ওয়েব সাইট থেকে ব্লগের মূল পার্থক্য হল ওয়েব সাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিত ভাবে অপরদিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিত ভাবে।এমনকি কিছু কিছু ব্লগ প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়। যারা ব্লগে মতামত প্রকাশ করে বা পোস্ট দেয় তাদেরকে ব্লাগার বলা হয়।

আশা করি ব্লগ সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারনা দিতে পেরেছি।

প্রযুক্তির ইতিহাসে যা কিছু প্রথম

The-internet bangla cyber

আজ প্রযুক্তি দুনিয়ার কিছু অজানা এবং বেশ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা করব যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ঘটেছিল। আমরা যে ইন্টারনেট প্রতিনিয়ত ব্যবহার করি, এই ইন্টারনেটের বয়স কত জানেন? এই ইন্টারনেটের বয়স এ বছর ৪৮ চলছে। এই ৪৮ বছরের ইন্টারনেটের দুনিয়ায় যা কিছু প্রথম ঘটেছিল তা নিয়েই আজকের এই আয়োজন, তাহলে চলোন শুরু করা যাক।

প্রথম সার্চ ইঞ্জিণ (১৯৯০):

First Search Engine এর ছবি

ইন্টারনেটে যে কেনো তথ্য খোঁজার জন্য আমরা প্রতিদিন অনেকবারই সার্চ ইঞ্জিণ ওয়েবসাইট ব্যবহার করে থাকি। যেমন গুগল ওয়েবসাইটটি এখন সার্চ ইঞ্জিণ হিসেবে পৃথিবীতে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন পৃথিবীর সর্বপ্রথম সার্চ ইঞ্জিণ এর সম্পর্কে ?

১৯৮৯ সালে McGill University তে মাস্টার্স ডিগ্রিতে পড়ার সময় তরুণ কম্পিউটার সাইন্টিস Alan Emtage কে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম এডমিনিস্টেটরের পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন তিনি দেখেন যে, স্টুডেন্টদের জন্য প্রতিনিয়ত অনলাইন ঘেঁটে সফটওয়্যার খোঁজা একটি কস্টকর এবং বোরিং জিনিস হয়ে গিয়েছি। তারপর তিনি একটি স্ক্রিপ্ট সেট তৈরি করেন যেটি ভার্সিটির সিস্টেম ডাটাবেজ থেকে অটোমেটিক্যালি রানিং হয়ে সহজ ভাবে তথ্য  ডাউনলোড করে দেয়।

তার এই স্ক্রিপ্টের কার্যকারিতা চারিদিকে ছড়িয়ে গেলে, তারই দুইজন কলিগ Bill Heelan  এবং J. Peter Deutsch তিনজন মিলে ১৯৯০ সালে Archie নামের একটি অনলাইন সার্চ ইঞ্জিণ নির্মাণ করে ফেলেন! Archie নামটি Archive নাম থেকে নেওয়া হয়েছে, শুধু অক্ষরটি বাদ দিয়ে।

প্রথম ইমেইল (১৯৭১):

First email

ব্যক্তিগত কিংবা অফিসিয়াল কাজে আজকাল আমরা প্রায়ই ইমেইলের আদান-প্রদান করে থাকি! কিন্তু দুনিয়ার সর্বপ্রথম ইমেইল কবে পাঠানো হয় তা কি জানেন?? সেই ১৯৭১ সালে! ১৯৭১ সালের শেষ দিকে Ray Tomlinson নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার টিনেক্স নামের একটি টাইম শেয়ারিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করছিলেন। তিনি সিপিনেট এবং SNDMSG নামের দুটি প্রোগ্রামকে একত্রে কাজে লাগিয়ে সর্বপ্রথম নেটওর্য়াক ইমেইল পাঠাতে সক্ষম হন!

এই ঘটনার আগে ১০ বছর পর্যন্ত শুধুমাত্র একটি কম্পিউটারের এক ইউজার থেকে অন্য ইউজারে ইমেইল পাঠানো যেতো, কিন্তু তিনি সর্বপ্রথম দুটি কম্পিউটারের নেটওর্য়াকে ইমেইল পাঠাতে সক্ষম হন। আজকাল ইমেইলের পাঠানোর বৈশিষ্ট্যগুলো তখনও ঠিক একই ভাবে  ব্যবহৃত হয়েছিল। যেমন @ চিহ্ন দিয়ে ইউজারনেম এবং হোস্ট কম্পিউটারের নাম বিভক্ত করে নেওয়া। দুনিয়ার প্রথম নেটওর্য়াক ইমেইল ১৯৭১ সালে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কম্পিউটারের মধ্যে পাঠানো হয়েছিল!

প্রথম ওয়েবসাইট (১৯৯১):

প্রথম ওয়েবসাইট

৬ আগস্ট, ১৯৯১ সালে টিম বার্নার্স-লি ও তাঁর কোম্পানি নেক্সট কম্পিউটারের উদ্যোগে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব প্রোজোক্টের অংশ হিসেবে ফ্রান্সের একটি অংশে চালু হয় বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট।পৃথিবীর প্রথম ওয়েবসাইটটি এখনও চালু রয়েছে কিন্তু।নিজেই সাইটটিতে ভিজিট করে দেখে নিন পিৃথিবীর প্রথম ওয়েবসাইটটি দেখতে কেমন এবং এতে কি আছে সাইটটির অ্যাড্রেস  http://info.cern.ch/hypertext/WWW/TheProject.html 

প্রথম সোশিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইট (১৯৯৫):

The first social networking site

সোশাল নেটওয়ার্কিং এর সবথেকে জনপ্রিয় ওয়েবসাই ফেসবুকের জন্মকাহিনী অনেকেই জানেন, ২০০৪ সালে ফেসবুকের জন্ম হয়। কিন্তু দুনিয়ার সর্বপ্রথম সোশিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইটের ব্যাপারে জানেন কি?

দুনিয়ার সর্বপ্রথম সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট হচ্ছে classmates.com এটি ১৯৯৫ সালে Randy Conrads এর দ্বারা চালু করা হয়। তখন এর মূল উদ্দেশ্য ছিলো, আমেরিকায় সাবেক হাই স্কুল বন্ধুদেরকে ইন্টারনেটে একত্র করে তাদের বর্তমান লাইফ স্টোরিগুলোকে একে অপরের সাথে শেয়ার করা। প্রথমে সাইটের নির্মাতা Randy Conrads তার সাবেক মিলিটারী স্কুলের বন্ধুদের সাথে কমিউনিকেট করা শুরু করলেও পরবর্তীতে সাইটটি অন্যদের কাছেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হওয়া শুরু করে।

প্রথম ওয়েব ব্রাউজার (১৯৯১):

First web browser এর ছবি ফলাফল

টিম বার্নার লি ১৯৯১ সালে দুনিয়ার সর্বপ্রথম ব্রাউজার WorldWideWeb তৈরি করেন। পরবর্তীতে তিনি এটির নাম Nexus এ পরিবর্তন করে দেন কারন এই নামটির সাথে web এর নামের মিল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই একটি কনফিউশন তৈরি হতো।

১৯৯১ সালে একটি ইউরোপিয়ান কোম্পানি Cern এর নিউক্লিয়ার রিচার্জের জন্য টিম বার্নার লি এই WorldWideWeb ব্রাউজারটি তৈরি করে থাকেন। WorldWideWeb ব্রাউজারটি শুধুমাত্র Nextstep প্লার্টফর্মে চালানো যেতো। Nextstep প্লার্টফর্মটি অ্যাপেলের ম্যাক ওএস এক্স এর আগের সংস্করণ হিসেবে পরিচিত। তবে Nextstep প্লার্টফর্মটি জনসাধারণের জন্য তৈরি করা হয়নি বিধায় WorldWideWeb ব্রাউজারটিও জনসাধারণের ব্যবহার করার সুযোগ হয়ে উঠে নি।

কিন্তু ১৯৯৩ সালে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সর্বপ্রথম জনসাধারণের ব্যবহার উপযোগী ওয়েব ব্রাউজার Mosaic রিলিজ করা হয়। Mosaic ব্রাউজারটি বার্নার লি’র সার্ভারেই তৈরি করা হয়, তবে এটায় গ্রাফিক্স, সাউন্ড এবং ভিডিও ক্লিপসের ফিচার যুক্ত করে রিলিজ করা হয়।

প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস (১৯৭১):

সম্পর্কিত ছবি

ম্যাথমেটিশিয়ান জন ভন নিউম্যান ১৯৪৯ সালে কম্পিউটার প্রোগ্রামগুলোকে নিজে থেকেই পরিবর্তন করতে পারে এমন একধরণের প্রোগ্রামের নাম কম্পিউটার ভাইরাস এবং ওর্মস দিয়ে একটি থিউরি প্রদান করে গিয়েছিলেন। তার এই থিউরী মোতাবেক দুনিয়ার প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে ক্রিপার কে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। ক্রিপার ভাইরাসটি ১৯৭১ সালে আরপানেট নাম একটি কম্পিউটারে ইনফেক্ট করে।

ক্রিপার ভাইরাস টি BBN কোম্পানির বব থমাস নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করেন। তিনি ক্রিপার ভাইরাসকে শুধু পরীক্ষামূলক ভাবে তৈরি করেছিলেন। ক্রিপার আক্রান্ত কম্পিউটারে শুধু ”Im the creeper: catch me if you can” বার্তাটি প্রদর্শিত হতো, ক্রিপার কোনো ক্ষতি করার জন্য তৈরি করা হয়নি। ক্রিপারের এই বার্তার উপর ভিক্তি করেই দুনিয়ার প্রথম এন্টিভাইরাস  “দ্যা রিপার” তৈরি করা হয়! দ্যা রিপার এন্টিভাইরাসও সিস্টেমের সর্বত্র ছড়িয়ে গিয়ে ক্রিপার ভাইরাসকে সনাক্ত করে সেটিকে মুছে দেয়।

প্রথম ইউটিউব ভিডিও (২০০৫):

The first YouTube video এর ছবি ফলাফল

জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ইউটিউবের সর্বপ্রথম ভিডিও কোনটি সেটি জানেন কি?? সাইট নির্মাণের পর ২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিল “Me at the zoo” শিরোনামে একটি ১৮ সেকেন্ডের ভিডিও আপলোড করা হয়। এবং এই ভিডিওটিই হচ্ছে ইউটিউবের সর্বপ্রথম ভিডিও! এই ভিডিওটি স্যান ডিয়াগোর চিড়িয়াখানায় হাতিদের সামনে থেকে শুট করা হয়েছিল। ভিডিওটি হাস্যকর হলেও এই টিউনটি লেখা পর্যন্ত ভিডিওটি 43,590,133 বার দেখা হয়েছে!! কি আজব তাই না??


তো আজকের এই ইন্টারনেটের সর্বপ্রথম কিছু বিষয় নিয়ে আরটিকেলটি শেষ করছি এখানেই ! আরটিকেলটি সম্পর্কে মতামত জানাতে কমেন্ট করতে ভুলবেন না যেন! আজ এ পর্যন্তই। আরটিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

 

অকালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যার সমাধান জেনে নিন

পাকা চুলের সমাধান

অকালে চুল পেকে যাবার মতো বিব্রতকর সমস্যায় ভুগতে হয় অনেকেই। এই সমস্যাটি যে কোন বয়সের ছেলে অথবা মেয়ের  দেখা দিতে পারে। অকালে চুল পেকে যাবার পেছনে থাকতে পারে বিশেষ কিছু কারণ। তার মাঝে অন্যতম কিছু কারণ হল জিনগত সমস্যা, বংশগত সমস্যা, স্বাস্থ্যগত সমস্যা, চুলে মেলানিনের অপ্রাতুলতা প্রভৃতি। এছাড়াও আরও অনেক কারণে চুল পেকে যাবার সমস্যাটি দেখা দেয়। 

যাদের অকালে চুল পেকে যাবার সমস্যাটি রয়েছে তারা অনেক সময় এ থেকে পরিত্রান পাবার উপায় খুঁজে থাকেন,কিন্তু সঠিক সমাধান পাচ্ছেন না। আজকের এই লেখাতে আমি খুব সহজ কিছু উপাদান ব্যবহার করে সহজ উপায়ে চুল পেকে যাবার প্রতিকার তুলে ধরলাম। এই সকল উপাদান চুলে পুষ্টি জোগাতে এবং চুলে মেলানিন এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে। যার ফলে সাদা হয়ে যাওয়া চুল গাঢ় হতে শুরু করে।

পেঁয়াজের রস

পেঁয়াজে থাকা কিছু বিশেষ এনজাইমের জন্যে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা কমে যায়। ক্ষেত্র বিশেষে বন্ধ হয়ে যায় এবং চুল কালো হতে শুরু করে। নিয়মিত ভিত্তিতে চুলে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করলে খুব ভালো ও দ্রুত উপকার পাওয়া সম্ভব হয়।

ব্যবহারবিধি

পেঁয়াজ ছেঁচে নিয়ে তার রস চুলের গোঁড়ায় সরাসরি লাগাতে হবে। পুরো মাথার চুলে পেঁয়াজের রস লাগানো হয়ে গেলে ২০-৩০ মিনিট সময় অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা অথবা সাধারণ তাপমাত্রার পানি দিয়ে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহারে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যাবে।

রঙ চা

রং চা সাদা হয়ে যাওয়া চুলের সমস্যা দূর করতে এবং চুলের রঙ গাড় করতে খুব ভালো কাজ করে থাকে। এটা চুলের পুষ্টি জোগাতে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে।

ব্যবহারবিধি

এক কাপ পরিমাণ রঙচা তৈরি করে সেটা ঠাণ্ডা করে এরপর চুলে দিতে হবে। চুলে পানিটি দেওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট সময় অপেক্ষা করে এরপর সাধারণ পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

মেহেদীপাতা

চুলের পেকে যাওয়ার সমস্যার ক্ষেত্রে অন্যতম সহজ সমাধান হলো মেহেদীপাতা ব্যবহার করা। সাদা হয়ে যাওয়া চুলকে একদম গোঁড়া থেকে পুষ্টি জোগাতে এবং চুলের সাদাভাব ঢেকে ফেলতে মেহেদীপাতা সবচাইতে দারুণ কাজ করে। চুলের পাকাভাব কমানোর পাশাপাশি চুলকে শক্ত করার জন্যেও মেহেদীপাতা দারুণ উপকারী প্রাকৃতিক উপাদান।

ব্যবহারবিধি

মেহেদীপাতা ভালোভাবে বেটে নিয়ে সেটা চুলের গোঁড়া থেকে শুরু করে একদম আগা পর্যন্ত ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর এক ঘণ্টা সময় কিংবা তারও অধিক সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে যেন চুলের মেহেদী বাটা শুকিয়ে আসে। শুকিয়ে গেলে হারবাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

আমলকী

চুলের যেকোন সমস্যার ক্ষেত্রে আমলকীর ব্যবহার অগন্য। আমলকী রক্ত চলাচলের উপর প্রভাব ফেলে থাকে বলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। একইসাথে প্রাকৃতিক এই উপাদান চুলের মেলানিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

ব্যবহারবিধি

নারিকেল তেলের সাথে আমলকির রস মিশিয়ে নিয়ে হালকা তাপে গরম করতে হবে। এরপর কুসুম গরম আমলকী তেল মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট ধরে ম্যসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে এক ঘণ্টা মাথায় তেল রেখে দেওয়ার পর হারবাল যেকোন শ্যাম্প্যু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার এই উপায়ে আমলকী তেল তৈরি করে চুলে যত্ন করে লাগালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা কমে যাবে এক মাসের মাঝেই।

আলুর খোসা

জনপ্রিয় সবজী আলু আমাদের সবার বাসাতেই থাকে। আলুর খোসা ছিলে ফেলার পর নিশ্চয় ফেলে দেওয়া হয়। তবে আজকে আলুর খোসার চমৎকার এই ব্যবহারটি জানার পরে আলুর খোসা আর ফেলে দেবার প্রয়োজন হবে না। আলুর মতো আলুর খোসাতেও থাকে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ অথবা শ্বেতসার। যা খুব দারুণভাবে চুলের পেকে যাবার সমস্যার ক্ষেত্রে সমাধান স্বরূপ কাজ করে থাকে।

ব্যবহারবিধি

এক মুঠো  আলুর খোসা ফুটন্ত পানিতে দিয়ে দিতে হবে। ৫ মিনিট সময় পর চুলার আগুন বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর পাতিলের পানি ঠাণ্ডা করে ফেলতে হবে। আলুর খোসাগুলো ছেঁকে ফেলে দিয়ে এই পানিটি দিয়ে চুল খুব ধীরে ধীরে ধুয়ে ফেলতে হবে। পাঁচ মিনিট সময় চুলে এই পানি রেখে দেবার পর হালকা উষ্ণ পানির সাহায্যে চুল আবারও ধুয়ে ফেলতে হবে।


শীত কালে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের অসাধারণ কিছু জায়গা

Lala-Khal ‍sylhet

বাংলাদেশ এমন একটি  মনোমুগ্ধকর দেশ যেখানে এক এক সময়ে বিভিন্ন মৌসুমের মজা উপভোগ করার সুযোগ পাওয়া যায়।  শীত কাল আমাদের মধ্যে এক অদ্ভুত প্রকারের  ঠান্ডার অনুভূতি নিয়ে আসে। এই সময়েই পর্যটন এলাকাগুলোতে দেখা যায় প্রচুর পরিদর্শকের  ভিড়।  শীত কালে অলসতার চাদর খুলে আসুন ঘুরে আসি এমন সব জায়গায়।

লালাখাল
লালাখাল

লালাখাল
সিলেটের অপূর্ব এক নদীর নাম লালাখাল। ভারতের চেরাপুঞ্জি পাহাড়ের ঝর্ণা থেকে এই নদীর উৎপত্তি। শীতের সময় চমৎকার নীল বর্ণ ধারণ করে নদীর জল। এই সময় লালাখাল দেখা তাই মিস করা ঠিক নয় একদমই। আর সিলেট মানেই তো মেঘ পাহাড়ের মিতালী। দূরে পাহাড়ের সারি, ভেসে চলা মেঘ আর খুব কাছে নীলাভ সবুজ লালাখালের জল এর মাঝে নৌকায় ভেসে চলা এ যেন স্বর্গীয় এক সময়ের অবতাড়ণা।

কক্সবাজার
কক্সবাজার

কক্সবাজার
শীতে কক্সবাজারকে এক অন্য রুপে দেখা যায়। যেহেতু এই মৌসুমে কক্সবাজারকে দেখতে এক অন্যরকম রুপে দেখা যায়, হিমেল হিমেল বাতাস অন্যদিকে সমুদ্র থাকে অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় শান্ত প্রকৃতির। বিশেষ করে  শীতের সকালে হালকা রৌদ্র আবহাওয়ায় সমুদ্র সৈকতকে এক অন্যরকম দেখতে। ঠিক এই সময়টাই সমুদ্র সৈকতে  নানা দিক থেকে  আসা পাখির ঢল দেখা যায়। পর্যটকদের জন্য রয়েছে সব প্রকারের সুযোগ সুবিধা। এই সময়ে পর্যটকদের প্রতি লক্ষ করে সিকিওর সিস্টেম আরো জোরদার করা হয়।

সেন্টমার্টিন
সেন্টমার্টিন

সেন্টমার্টিন
‌যদি আপনি বিকেলের অপুর্ব দৃশ্য মিস করতে না চান এবং যদি আপনি শান্ত পরিবেশ পছন্দ করেন যেখানে রয়েছে  নিবুনিবু সুর্য ডুবার দৃশ্য।সুর্যাস্তের সময় সমস্ত সেন্টমার্টিনের চেহারাটাই পালটে দেয়। অন্যদিকে পর্যটক কম থাকায় সেন্টমার্টিনের বিচে পাওয়া যায় শান্ত প্রকৃৃতির দেখা। সেন্টমার্টিনে এখন শুরু হয়েছে রোমাঞ্চকর স্কুবা ডাইভিং। নীল সমুদ্রের গহিনে চলে যেতে পারবেন আপনি। উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের নীচের জগত। যারা স্কুবা করতে চান না তারা স্নোরকেলিং করতে পারেন। ভাটার সময়টায় হেঁটেই যেতে পারবেন ছেঁড়া দ্বীপ। সারা বিচে বিছানো চিকচিকে সাদা বালি, তার ফাকে ফাকে নানা রঙের শামুক ঝিনু্কে। সব মিলিয়ে পাওয়া যায় অন্যরকম জগত।

কুয়াকাটা এর ছবি ফলাফল
কুয়াকাটা

কুয়াকাটা
সুর্যের দুটি মনোরম দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে কুয়াকাটা নাম সবার আগে। কারন এক দিকে রয়েছে সমুদ্র সৈকতের শো শো আওয়াজ এবং অপরদিকে রয়েছে সুর্যদয় এবং সুর্যাস্তের এক অপরুপ দৃশ্য।
পর্যটকের আনাগোনা কম থাকায় সমুদ্র সৈকত থাকে শান্ত প্রকৃতির। শুধু কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকতেই নয় দেখার মত আছে ফাতরার বন, চর গঙ্গামতি, সীমা বৌদ্ধমন্দির, মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধমন্দির ইত্যাদি।

সুসং দুর্গাপুর নীল জলের কেয়ারি লেক এর ছবি ফলাফল
সুসং দুর্গাপুর নীল জলের কেয়ারি লেক

সুসং দুর্গাপুর নীল জলের কেয়ারি লেক

এখানে আছে চমৎকার একটি নীল জলের লাইমস্টোন লেক। বিরিশিরি নামেই খুব বেশি পরিচিত জায়গাটি। লেকের অদ্ভুত রং, লেক ঘেষা বর্ণিল মাটির পাহাড় সবকিছুই অনন্য করেছে জায়গাটিকে। কিন্তু জলের এই রং দেখার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় কিন্তু শীতকাল। এখানে লাইমস্টোন লেক ছাড়াও দেখার আছে সোমেশ্বরী নদী, সুসং রাজার বাড়িসহ আরও অনেক কিছু। আর এমন জায়গায় যেতে কারি মন না চায় যেখানে শুধু রয়েছে শান্তির খনি অপরূপ দৃশ্যের ভান্ডার। আজি বেরিয়ে যান এরকম অমুল্য ভান্ডারের খোজে।



YouTube এ জিরো থেকে হিরো হওয়ার A to Z টিউটোরিয়াল

How to earn money on youtube bangla

YouTube থেকে আজ অনেকেই সিনেমার রূপালী পর্দায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন আবার অনেকেই প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন।তাদের এই সফলতা দেখে আমাদের অনেকেই YouTube এ নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এবং অর্থ উপার্জনের জন্য YouTube এ নিজের চ্যানেল খোলে পেলি কিন্তু কিছু দিন পরই সঠিক গাইডলাইনের অভাবে কোনো সফলতা না পেয়ে হতাস হয়ে YouTube ছেড়ে দেই , তাদের জন্যই আমার এই লেখা। আজ আমি আপনাদের কাছে আলোচনা করব কিভাবে আপনি YouTube এ সফল হবেন এবং YouTube  থেকে ভাল পরিমানের অর্থ আয় করবেন ।আমার এই লেখাতে YouTube  এ সফল হওয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদম A to Z টিউটোরিয়াল দেয়া আছে তাই আপনাকে একটু কষ্ট করে ধৈর্য ধরে এই লম্বা আরটিকেলটি পড়তে হবে।চলোন শুরু করি।

১|একাউন্ট তৈরি করা: 

প্রথমেই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন নামটাই অনেক কিছু। তাই প্রথমেই এমন একটি নাম চিন্তা করুন যা এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। নামটি আপনি যে কোন বিষয়ের উপর নিতে পারেন, সেটা হতে পারে রান্না বিষয়ক, গেমস নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে বা যে কোন বিষয়। দরকার হলে অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করুন, ভাবুন তারপর ঠিক করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম। তবে নামটি অবশ্যই এমন একটি নাম দিবেন যাতে আপনার চ্যানেলের নাম খুব সহজে মনে রাখা যায়। ভুল করেও কখনো সংখ্যা দিয়ে নাম ব্যবহার করবেন না।একটি ইমেইল নিবার্চন করুন আপনার চ্যানেল এর জন্য   আমরা সবাই জানি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে একটি জিমেইল লাগবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে জিমেইল ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রথমেই একটি নতুন জিমেইল একাউন্ট খুলে নিতে হবে। একাউন্টটি অবশ্যই ভেরিভাই করে নিতে হবে।

২| কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস: আপনি যখন আপনার YouTube চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন তখন আপনি YouTube এর পার্টনার। আর পার্টনার থাকা অবস্থায় এমন কোন ভিডিও আপলোড করবেন না, যাতে কপিরাইট থাকে তাই কপিরাইট এড়িয়ে চলুন।যেমন অন্যের গান এর মিউজিক নকল করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার, অন্য কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান। আপনি আপনার ভিডিওতে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু গানের ট্রাক থেকে গান নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন বা ইন্টারনেটে অনেক ওয়েব সাইট আছে ওই গুলোতে ফ্রিতে অনেক অডিও ও ভিডিও পাবেন যা ব্যবহার করতে কোনো প্রকার কপিরাইটের প্রয়োজন নেই।কখনোই নকল করবেন না, কারণ ইউটিউব জানে আপনি কোথা থেকে কি ব্যবহার করেছন। সুতরাং সাবধান। এরপরও যদি আপনি এরকম কোন ভিডিও আপলোড করেন, তারা আপনাকে কয়েকবার সাবধান করে দিবে, আপনার কপিরাইট ভিডিও আপলোড এর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে আপনার একাউন্টটি তারা ব্যন করে দিবে।

৩| যে সফটওয়্যার গুলো  ব্যবহার করবেন  

ভিডিও ইডিটর 

ভিডিও ইডিট করার জন্য অবশ্যই ভালো কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। অনেক ভিডিও ইডিট করার সফটওয়্যার পাবেন, কিন্তু আমি বিশেষভাবে ব্যবহার করেত বলবো Wondershare Filmora। এই সফটওয়্যারটি আপনি ম্যক ও উইনডোজ দুটোতেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবশ্যই যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন তা কিনে ব্যবহার করুন। আর ভিডিও ইডিটিং করা অনেক সহজ একটি কাজ যদি আপনি অনেকটা ধৈর্য ধরে এই কাজটি শিখতে পারেন। এছাড়াও আরো যে যে ইডিটিং সফটওয়্যার আছে সেগুলোও ট্রাই করতে পারেন। আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে যা ভিডিও করেছেন, তা প্রথমে ইডিট করে নিন, এরপর আপলোড করুন ইউটিউবে।


ইনট্রো ভিডিও

আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর একটি ইনট্রো বানাতে হবে। মনে রাখবেন এই ইনট্রোর উপর নির্ভর করবে আপনার অনেক কিছু। আপনার হাতে অনেক সময় আছে, আস্তে ধীরে তৈরি করুন আপনার ইনট্রো। ইনট্রোর সময় বেঁধে দেয়া আছে ১০ সেকেন্ড। এই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি সুন্দর ইনট্রো বানাতে হবে। আপনার চ্যানেলের একটি লোগো বানিয়ে নিন, এরপর GOOGLE থেকে অনেক টেমপ্লেট পাবেন ইনট্রো বানানোর জন্য; একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে ভিডিও ইডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে লোগো সহ ১০ সেকেন্ড এর একটি ইনট্রো ভিডিও বানিয়ে ফেলুন। আপনি ভিডিও তৈরি করার যে কোন সফটওয়্যার দিয়ে এই ইনট্রো বানাতে পারেন, তবে মনে রাখবেন আপনার ইনট্রোটি যেন ভিডিও ফরমেট এর হয়। এরপর থেকে আপনি যে ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটা শুরু হবার আগে এই ইনট্রোটি দেখা যাবে। ইনট্রো করার পর তা আপনি আপলোড করেবেন আপনার চ্যানেলের ইন ভিডিও প্রোগ্রাম এর ভিতরে- ইন ভিডিও প্রোগ্রাম পাবেন আপনার চ্যানেলের ড্যাশবোর্ড এর চ্যানল সেটিংস এর ভিতর। এখানে যাবার পর  Add a branding intro এখানে আপনার তৈরি ইনট্রোটি আপলোড করে দিন।

অডিও ইডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স 

অডিও ইডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও ইডিটিং এর উপর নির্ভর করে YouTube আপনার ভিডিওটি মনিটানাইজেশন করতে দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন YouTube এর কাছ থেকে।

i) প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং – এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।

ii) একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিওর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

iii) আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।

চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান   আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করতে পারেন।

৪| ভিডিওর টাইটেলবর্ণনা এবং ট্যাগ 

টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয় থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।

i)  কিওয়ার্ড রিসার্চ 

পদ্ধতি ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় মানি মেকিং নিয়ে তাহলে ইউটিউবে সার্চ দিন- How to make money। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে পারেন।

পদ্ধতি– ২ আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।

ii) বর্ণনা
বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনার একাউন্ট আছে সেগুলো।

iii) ট্যাগ
এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকরে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার ভিডিওতে এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।

চলুন আমরা এতক্ষণ যা পড়লাম তার একটি উদাহরণ দেখে আসি

TITLE  : Comedy Youtube Channel  – LEVEL NAME

DESCRIPTION

Your best funny and comedy youtube channel – Bangla Fun – LEVEL NAME (notice the title is repeated in the first line of the description) describe the content of the video repeating important keywords such as the game title, level name and featured game characters. Subscribe for more Videos

TITLE videos: Youtube link Check out Video Title Walk through Part 2

PLAYLIST LINK “Like” me on Facebook FACEBOOK LINK Follow me on

Twitter TWITTER LINK

Tags

“bangla comedy,
bangla funny sms,
bangla comedy natok,
bangla natok comedy,
bangla funny video,
bangla comedy video,
bangla funny natok,
comedy natok,
bangla jokes,
bangladeshi funny video,
bengali jokes,
bangladeshi comedy natok,
jokes bangla,
bangla funny jokes,
funny video bangla,
bengali funny jokes,
jokes in bengali,
funny bengali jokes,
bangla joks,
funny bangla jokes, (tags are repeated in the bottom of the description) 

৫| ভিডিও তৈরি করুন 

এতক্ষণতো আমার কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবেন, আপলোড করার নিয়মগুলো জানলাম। এবার চলুন যে ভিডিওটি আপনি আপলোড করবেন তা তৈরি করি।

i)ক্যামেরা এবং লাইটিং আমরা অনেকেই ক্যামেরা এবং লাইটিং এর ব্যবহার সর্ম্পকে ভালোভাবে জানি না। ক্যামেরা এবং লাইটিং এর উপরে সল্প সময়ে একটি কোর্স করে নিতে পারি আমরা। এটি পরবর্তী জীবনে আপনার অনেক কাজে দিবে। ভালো একটি ভিডিও তৈরি করার পিছনে অনেক সাধনা করতে হয়। আর লাইটিং সমন্ধে যদি আপনার ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি ভালো একটি ভিডিও বানাতে পারবেন। তাই ভালো একটি ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।

ii) এনকোডিং ভিডিওটি যখন বানাবেন তখন খেয়াল রাখবেন এর এনকোডিং এর দিকে। সঠিকভাবে এনকোডিং নির্বাচন না করলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউবে লাইভ নাও হতে পারে। আর একটি ব্যপার এনকোডিং যদি ঠিকমতো করতে না পারেন, তাহলে আপনার ভিডিওর রেজুলেশন এতটাই কমে যাবে যার কারণে আপনার ভিডিও আপলোড করার অনুপোযোগী হয়ে যাবে।

৬| চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান 

প্রতিদিন সময় করে ইউটিউবের অন্য যে ভিডিওগুলো কয়েক লাখ ভিজিটর আছে সেগুলোতে কমেন্ট করুন। কমেন্ট টি অবশ্যই এমনভাবে করুন যাতে লেখা থাকবে আপনি তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবেন তার বদলে সে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে।  আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। সম্ভব হলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন।  অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো কোন কাজেরই না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক।   ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্দিষ্ট একটি দিন বেচে নিন এবং নির্দিষ্ট একটি সময়। কারণ আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার তারা ওই দিনটি মাথায় রাখবে, এবং নির্দিষ্ট ওই সময়েই আপনার চ্যানেলে ঢুকবে আপনার ভিডিওটি দেখার জন্য। আপনি যখনই সিডিউল মেইনটেন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে। তবে একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন যাই আপলোড করেন না কেন, তা যেন সকলের উপকারে আসে। আপনার ভিডিও যখন কারো উপকারে আসবে, তখন আপনি আপনার ভিডিও থেকে উপকৃত হবেন। মানে আপনার ভিডিও থেকে তখন টাকা আসা শুরু হবে।  আর একটি কাজ করতে পারেন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। সেটা হলো অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েটরদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বলতে পারেন, যে আপনার   ভিডিওর মধ্যে আপনি তাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবেন, বিনিময়ে তারা তাদের ভিডিওর মধ্যে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবে। এতে দু পক্ষই লাভবান হবেন।

৭| গোপন ফরমুলা 

আপনাদের সাথে এখন একটি গোপন ফরমুলা নিয়ে কথা বলবো, যে ফরমুলা ব্যবহার করলে অতি সহজে আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারেন। ধরুন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১৫০ জন। এখন আপনার চ্যানেলের ভিডিওর সাথে মিলে যায় এরকম আর একটি চ্যানেল খুজে বের করুন যার সাবস্ক্রাইবার ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত। তাকে একটি ম্যসেজ পাঠান যে আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন যাতে বলা আছে এই চ্যানেলটি কি কি কারণে অনেক ভালো। এবং এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে আপনি আরো ভালো ভালো ভিডিও পেতে পারেন। আপনি এখন চাচ্ছেন তার চ্যানেলে এবং আপনার চ্যানেলে এই ভিডিওটি আপলোড করতে। আপনি আপনার চ্যানেলে যখন এই ভিডিওটি আপলোড করবেন তখন লিংক হিসেবে ওই চ্যানেলের লিংক ব্যবহার করবেন, এবং ওই চ্যানেলের মালিক আপনার লিংক ব্যবহার করবে। এতে করে আপনি মিনিমাম একটি চ্যানেলে থেকে ১০০ থেকে ২০০ এর মত সাবস্ক্রাইবার পেতে পারেন। তাহলে আপনার এখন মোট সাবস্ক্রাইবার দাড়ালো ২৫০ জনে। এবার আপনি খুজবেন ৩০০ থেকে ৫০০ সাবস্ক্রাইবওয়ালা চ্যানেল। এখানেও একই কাজ করবেন। এভাবে আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে আপনি তার চেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার ওয়ালা চ্যানেল খুজবেন। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাড়তে একদিন নিশ্চয়ই আপনার সাবস্ক্রাইবার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাবে।


৮| ভিডিও এমবেড কোড 

আপনার যদি অনেক টুইটার ফলোয়ার থাকে, কিংবা অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলের জন্য অনেক ভালো। যদি আপনার ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে তাহলেও আপনার জন্য শুভ সংবাদ। কারণ এরাই আপনার রিয়েল ফ্রেন্ড। ভুয়া ফ্রেন্ড দিয়ে কোন লাভ নাই। আপনি আপনার টুইটার আর ফেসবুকে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন, তারপর আপনি এই ১০০ জন ফ্রেন্ডকেই বলেন সারাদিনে কয়েক সেকেন্ড বের করতে আপনার জন্য। তারা আপনার ভিডিওটি ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দেখবে, একটি করে লাইক দিবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি করে কমেন্ট করবে। প্রতিদিন আপনিও তাদের জন্য নতুন নতুন ভিডিও নিয়ে আসবেন। এভাবে আপনার ভিডিও রিলেটেড ফেসবুকে যে গ্রূপগুলো আছে সেগুলোতে জয়েন করুন। সেখানে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন। এভাবেই দিনে অন্তত ১০ জন করে ফ্রেন্ড আপনি আপনার একাউন্টে যোগ করুন। যখন আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ৫,০০০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের একটি ভিডিও লিংক এর ভিউয়ার সংখ্যাও বাড়বে। যেখানে আগে প্রতিদিন আপনার ভিডিও এর ভিউ হতো ২০০, সেখানে আপনার ভিউয়ের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১০০০ এরও বেশি। একই কাজ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে করতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য যে সকল সোস্যাল সাইটগুলো রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন। এছাড়াও আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখানেও ভিডিওটি এমবেড করে বসাতে পারেন। এখান থেকেও আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন।

৯| এনোটেশন  

এনোটেশন হচ্ছে আপনার ভিডিওটির ওপর আপনার অন্য একটি ভিডিওর লিংক দেয়া। আপনার চলতি ভিডিওটি দেখতে দেখতে আপনার যে কোন ভিউয়ার যেন আপনার অন্য ভিডিওগুলো সর্ম্পকে জানতে পারে, সেজন্য আপনার প্রতিটি ভিডিওতে এনোটেশন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। যখন কোন ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখবে তখন আপনি যে লিংকটি এনোটেশন করে দিয়েছেন সে যদি সেই লিংক এ ক্লিক করে তাহলে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে এবং সে তখন ওই ভিডিওটি দেখতে পাবে। আপনার ভিডিওটি আপলোড হওয়ার পর ভিডিও ম্যানেজারে গেলেই পাবেন এই অপশনগুলো।

১০| সময়  

আপনার চ্যানেলের জন্য সময় অতন্ত্য গুরত্বপূর্ণ। একটি ডাইরিতে নোট করে রাখুন, প্রতিদিন কোন সময়টি আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করবেন। ভিডিও কখনো রাত ৩ টায় আপলোড করবেন না। যদি সম্ভব হয় ভিডিও সকালের দিকে আপলোড করুন। টার্গেট অডিয়েন্স সব সময় ১৮+ চিন্তা করবেন। আর একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন আপনার ভিডিও এর বর্ণনাতে যদি সম্ভব হয় এর তৈরির তারিখটি বসাবেন। রবিবার ইউটিউবে ভিউয়ার বেশি হয়, আপনি চাইলে এই দিনটিকে মাথায় রেখে আপনার ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

১১| ভালো থাম্বনেইল ব্যবহার করুন 

আপনার আপলোড কৃত ভিডিওটি আপনার ভিউয়ারকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো একটি থাম্বনেইল নির্বাচন করুন। আপনার ভিডিওটির থাম্বনেইল ফটোটি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে দর্শক আকৃষ্ট করতে পারবে না, আর দর্শক আকৃষ্ট না হলে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার বাড়বে না। তাই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আর ভিউয়ার বাড়াতে চাইলে ভালো থাম্বনেইল নির্বাচণ করুন।

আমি বিশ্বাস করি আপনার যদি এই কাজগুলো ধাপে ধাপে করতে পারেন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সফলতা অবশ্যই আসবে। মনে রাথবেন কোন কিছুই শেখার উর্দ্ধে নয়, তাই যত পারেন শিখতে থাকুন। আর আনন্দ নিয়ে কাজ করুন YouTube। আপনি যদি শুধূ টাকা ইনকাম করার জন্য YouTube আসতে চান তাহলে এতক্ষন ধরে যা যা পড়লেন তা ভুলে যান। কারণ আপনি যে কাজ করে আনন্দ পাবেন না সে কাজে অন্যকে কিভাবে আনন্দ দিবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য…ধৈর্য ধরুন।   আজ এ পর্যন্তই।