Gold vs Silver: Which Is the Better Investment in 2026?

Gold vs silver Investment in 2026

As we enter 2026, investors continue to focus on precious metals as safe havens against uncertainty and inflation. A major shift is happening in global markets. While traditional assets slow down, gold, silver, and copper are entering a powerful new cycle driven by AI, clean energy, geopolitics, and supply shortages. Gold and silver experienced significant gains in last year 2025. Gold rose about 65-70%, reaching record highs of nearly $4,400-$4,500 per ounce. Silver surged by 140-150% to surpass $70 and briefly touch $77.

This article is written for the people who are interested in silver and gold investment. In this article we discussed the key insight about gold and silver, how to invest in silver and gold, where to invest in 2026. And also if you are interested in short term or long term investment then this article is for you.

Now the question is: which metal holds better potential this year?

The short answer is that silver seems ready for stronger percentage gains in 2026, driven by industrial demand and supply shortages. Gold, on the other hand, offers more stable and reliable growth as a safe-haven asset. Your choice depends on your risk tolerance: consider silver for higher upside and volatility, and gold for preservation.

Key Drivers for Both in 2026

  • Monetary policy: Expected Fed rate cuts might lower opportunity costs for non-yielding metals and weaken the dollar.
  • Geopolitical risks and inflation: Ongoing tensions and fiscal concerns increase safe-haven buying.
  • Central bank demand: Strong for gold, with a positive spillover to silver.
  • De-dollarization trends: Favor hard assets.

But these metals differ in how they perform.

Gold: The Steady Performer
Gold’s rally in 2025 was largely due to investment demand (ETFs, bars, and coins) and record purchases by central banks. In 2026, analysts expect continued support. Forecasts vary from $4,500-$4,800 (Morgan Stanley, Bank of America) to over $5,000 (J.P. Morgan, UBS, Yardeni Research even suggests up to $6,000 in optimistic scenarios). The average consensus is around $4,800-$5,000 by year-end, which implies gains of 10-30% from current levels near $4,400.

Strengths include low correlation to stocks and bonds, along with a proven track record as a hedge in uncertain times. Gold is less affected by economic slowdowns since it has minimal industrial use. However, risks include the possibility of no rate cuts or a strong rally in equities, which could diminish momentum. Gold is suitable for conservative investors or as part of a diversified portfolio, typically with a 5-10% allocation.

Learn more: Live Gold Price in Bangladesh

Silver: The High-Upside Play
Silver’s explosive growth in 2025 came from catching up to gold, as the gold/silver ratio dropped from over 100 to about 60. A majority of silver demand, over 50%, comes from industrial uses, including solar panels, electric vehicles, electronics, and AI data centers—far exceeding the industrial demand for gold. Forecasts for silver predict a range of $70-$90, while bullish expectations go beyond $100, with some projecting between $135-$150 or even $309 under extreme conditions based on Bank of America models that consider historical lows.

Supply issues continue, with multi-year deficits projected to persist, marking the fifth straight year in 2025, while mine production struggles to meet demand. Silver’s strengths lie in its affordability as “poor man’s gold” and the industrial tailwinds from the green energy boom. Historically, silver outperforms gold during the later stages of bull markets. Risks include higher volatility tied to economic growth. A recession could dampen industrial demand, leading to sharper pullbacks.

Many experts, including Yahoo Finance, Kitco, and FXEmpire, suggest that silver has better chances to outperform gold in percentage terms.

Gold vs. Silver Prices: January 2025 to January 2026

Data as of January 8, 2026. Approximate values based on market reports (Gold peaked ~$4,534 in Dec 2025; Silver ~$79). Prices fluctuate—check live sources like Kitco.

Gold/Silver Ratio Outlook
The current ratio is approximately 59-65, compared to the historical average of around 60, with bull market lows at 30-40. If the ratio compresses further, silver stands to gain significantly. Most predict stability or a mild drop in the ratio, which would favor silver’s outperformance.

Which Is “Best” for 2026?
For higher potential returns, analysts largely predict that silver will outperform gold in percentage terms, potentially achieving gains of 50-100% or more in optimistic scenarios, while gold may see returns of 15-30%. For stability and wealth preservation, gold remains a solid choice due to its lower volatility and stronger safe-haven status.

A balanced approach includes both metals, with a core gold position coupled with silver for growth. Investors might consider ETFs like GLD or IAU for gold and SLV or SIVR for silver.

Disclaimer:- Precious metals aren’t suitable for everyone. They can be volatile, provide no yield, and come with storage costs if you hold physical assets. Many advisors recommend limiting exposure to 5-15% of your portfolio. Given the uncertainties of 2026, including shifts in policy and geopolitical events, both metals look promising, but silver’s potential stands out for those willing to take risks. No matter your choice, focus on the long-term perspective. These assets serve as hedges, not quick investment opportunities. Be sure to consult a financial advisor about your specific situation.

Trading & Investing in the Crypto Market or share market, including equity, derivatives, commodity, and currency, involves market risk, and past performance is not indicative of future results. The risk of loss can be substantial, and it may not be suitable for everyone. Please ensure you fully understand the risks involved and invest at your own risk.

Topic covered:- silver, gold, silver price, gold price, how to invest, how to invest in gold, how to invest in silver, silver investment, silver etf, gold rate today, gold silver, gold etf, gold investment, silver rate today, investing, personal finance, investment, investing for beginners, stock market, share market, stock market for beginners, finance.

বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি BBAL Job Circular 2026

Biman Bangladesh Job Circular

BBAL Job Circular 2026: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড এর শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগের নতুন চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ০২ টি পদে মোট ৯৭ জনকে নিয়োগ দেবে। উক্ত পদে নারী-পুরুষ উভয়ই প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

BBAL Job Circular 2026

পদের নাম: অ্যাপ্রেন্টিস মেকানিক
পদ সংখ্যা: ৪০ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটিতে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ (৫ এর মধ্যে) থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০/- টাকা।

পদের নাম: জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়াল)
পদ সংখ্যা: ৫৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০/- টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদন প্রক্রিয়া:  আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://bbal.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন: 

প্রতিদিন সরকারি চাকরির খবর সবার আগে পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন।

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

Post Related Things: bd job today, New job circular, bd recent job circular, Job Circular সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2026, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৬, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, daily চাকরির খবর, e চাকরির খবর, চাকরির খবর govt, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2026, চাকরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, new চাকরির খবর, চাকরির খবর paper, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির ডাক পত্রিকা, চাকরির বাজার পত্রিকা, সাপ্তাহিক চাকরির পত্রিকা

বাংলা এনকোডিংয়ের দ্বৈরথ: ইউনিকোড বনাম বিজয় এবং আধুনিক সমাধান

unicode to bijoy

বাংলা ভাষাকে ডিজিটাল জগতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইটি দীর্ঘদিনের। এই যুদ্ধের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি শক্তিশালী শিবির—একদিকে আধুনিক ও সার্বজনীন ইউনিকোড, অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী ও শক্তিশালী বিজয়

ব্যক্তিগতভাবে আমি যখন প্রথম গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ শুরু করি, তখন একটি বড় সমস্যায় পড়েছিলাম। ক্লায়েন্টের জন্য চমৎকার একটি রিপোর্ট ইউনিকোডে লিখে ফেললাম, কিন্তু সেটি যখন অফসেট প্রেসের পুরনো কোরেলড্র (CorelDraw) সফটওয়্যারে ওপেন করা হলো, তখন দেখি সব অক্ষর ভেঙে অদ্ভুত চিহ্নে পরিণত হয়েছে! সেই মুহূর্তে বুঝেছিলাম, ডিজিটাল যুগে টিকে থাকতে হলে ইউনিকোড এবং বিজয়—উভয় ব্যবস্থার মধ্যে একটি নিখুঁত সমন্বয় কতটা জরুরি।

এই সমস্যার মূলে রয়েছে এনকোডিংয়ের এক গভীর দ্বন্দ্ব। বর্তমান সময়ে এই জটিলতা নিরসনে সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো একটি সঠিক রূপান্তরকারী টুল। বিশেষ করে যারা প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রিন্টিংয়ের কাজ করেন, তাদের জন্য একটি বিশ্বস্ত ইউনিকোড টু বিজয় বাংলা কনভার্টার ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি। এটি আপনার ইউনিকোডে লেখা টেক্সটকে নির্ভুলভাবে বিজয়ে রূপান্তর করে ডিজাইনের উপযোগী করে তোলে, যা কাজের গতি এবং নির্ভুলতা উভয়ই নিশ্চিত করে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিজয়ের উত্থান ও ইউনিকোডের আগমন

১৯৮০-র দশকের শেষভাগে যখন বাংলাদেশে প্রথম বাংলা কম্পিউটিংয়ের সূচনা হয়, তখন আন্তর্জাতিক কোনো স্ট্যান্ডার্ড ছিল না। সেই শূন্যতা পূরণ করে মোস্তফা জব্বারের উদ্ভাবিত বিজয়। এটি ASCII কোডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি সিস্টেম, যা পুরো একটি প্রজন্মকে কম্পিউটারে বাংলা লেখার সুযোগ দিয়েছিল।

পরবর্তীতে আসে ইউনিকোড—বিশ্বের সমস্ত ভাষাকে একটি একক আইডেন্টিফায়ারের আওতায় আনার মহাপরিকল্পনা। বাংলা ইউনিকোড আসার ফলে আমরা আজ ইন্টারনেটে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং মোবাইলে সহজেই বাংলা লিখতে পারছি। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন এই আধুনিক ইউনিকোড ডাটা পুরনো বিজয়-নির্ভর গ্রাফিক সফটওয়্যারের (যেমন: Adobe Illustrator, Photoshop বা QuarkXPress) মুখোমুখি হয়।

কেন এই সংঘাত? ফন্ট বনাম অক্ষর

  • বিজয় (Font-based): এখানে প্রতিটি অক্ষর ফন্টের একটি নির্দিষ্ট গ্লিফ বা পজিশনে থাকে। এটি মূলত টাইপসেটিং এবং প্রিন্টিংয়ের জন্য এখনো অত্যন্ত জনপ্রিয়।
  • ইউনিকোড (Character-based): এখানে “ক” একটি নির্দিষ্ট বৈশ্বিক কোড, যা যেকোনো আধুনিক ডিভাইসে বা ওয়েব ব্রাউজারে একই দেখাবে। এটি ইন্টারনেট ও ডাটাবেজের জন্য আদর্শ।

যখন আপনি একটি ওয়েব কন্টেন্ট (ইউনিকোড) প্রিন্টিং প্রেসে পাঠান, সেখানে পুরনো সফটওয়্যারগুলো ইউনিকোড চিনতে না পেরে অর্থহীন প্রতীকে রূপান্তর করে। ঠিক এখানেই একজন দোভাষীর মতো কাজ করে ইউনিকোড টু বিজয় কনভার্টার।

সমাধানের সেতুবন্ধন: রূপান্তরের সেরা কৌশল

একটি আদর্শ কনভার্টার শুধু কোড পরিবর্তন করে না, বরং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও যুক্তাক্ষরের গঠনও বজায় রাখে। সঠিকভাবে রূপান্তরের জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা বুদ্ধিমানের কাজ:

  1. শুরুটা হোক ইউনিকোডে: যেকোনো খসড়া বা অনলাইন কন্টেন্ট ইউনিকোডে (Avro বা UniJoy) লিখুন। এটি আপনার লেখাকে ভবিষ্যৎ-সুরক্ষিত রাখবে।
  2. প্রয়োজনে রূপান্তর: যখন নির্দিষ্ট কোনো প্রিন্টিং বা ডিজাইন সফটওয়্যারে কাজ করবেন, তখনই কেবল একটি অনলাইন কনভার্টার ব্যবহার করে সেটিকে বিজয়ে রূপান্তর করুন।
  3. ফন্ট নির্বাচন: রূপান্তরের পর কাঙ্ক্ষিত বিজয় ফন্ট (যেমন: SutonnyMJ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো ফন্ট) সিলেক্ট করতে ভুলবেন না।
  4. যাচাইকরণ: রূপান্তরের পর যুক্তাক্ষর, কার-চিহ্ন এবং বিরাম চিহ্নগুলো একবার চেক করে নেওয়া নিরাপদ।

ভবিষ্যতের বাংলা কম্পিউটিং

প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে এই বিভাজন হয়তো কমে আসবে, কারণ আধুনিক সফটওয়্যারগুলো এখন ইউনিকোড সাপোর্ট বাড়াচ্ছে। তবে বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্প ও সরকারি নথিপত্রে বিজয়ের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে আরও বহু বছর এই কনভার্টারগুলোর প্রয়োজনীয়তা থাকবে।

উপসংহার: ইউনিকোড আমাদের গ্লোবাল কানেক্টিভিটি দিচ্ছে, আর বিজয় আমাদের প্রকাশনা শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। এই দুইয়ের মধ্যে সেতু বন্ধন হিসেবে ডিজিটাল কনভার্টার টুলগুলো বাংলা ভাষার ডিজিটাল অস্তিত্বকে আরও গতিশীল করছে। প্রযুক্তি আসে এবং যায়, কিন্তু সঠিক সরঞ্জামের ব্যবহার আমাদের ভাষাকে প্রতিটি মাধ্যমে মর্যাদার সাথে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

A User-Focused Approach to Modern Sports Platforms

The global sports entertainment market continues to expand as users increasingly rely on digital platforms for real-time information and convenient access. Speed, clarity, and reliability have become essential factors when choosing where to follow sports online. One platform that reflects these expectations is bet on game online, which presents a structured and user-oriented approach to sports-focused digital content.

Betongame.com has been developed with simplicity in mind. Instead of overwhelming users with complex layouts or unnecessary features, the platform focuses on intuitive navigation, fast performance, and accessibility across different devices. This makes it suitable for a wide range of users, from casual sports followers to those who regularly track live events.

Interface Design and Ease of Use

One of the most noticeable strengths of betongame.com is its clean interface. The platform follows a minimalist design philosophy, allowing users to find information quickly without visual clutter. Menus are clearly labeled, sports categories are logically grouped, and important sections are accessible within a few clicks.

Key interface advantages include:

  • Fast-loading pages
  • Clear navigation structure
  • Consistent design across desktop and mobile
  • Easy access to live sports information and account tools

This design approach creates a smooth and predictable experience, even for first-time visitors.

Platform Performance Compared to Similar Services

To better understand how betongame.com performs within the broader market, it is useful to compare it with other sports-oriented digital platforms.

Featurebetongame.comPlatform APlatform B
Interface speedFast and stableMediumMedium
Mobile optimizationFully responsivePartialFull
Navigation clarityHighAverageAverage
Live data updatesReal-timeSlight delayReal-time
Global accessibilityWideLimitedMedium
Customer support24/7Limited hoursEmail only

The comparison highlights betongame.com’s focus on speed, clarity, and consistent support, which are key factors for long-term user satisfaction.

Sports Coverage and Real-Time Updates

Betongame.com offers coverage across a broad range of sports, allowing users to follow events without switching between multiple platforms. Football, cricket, tennis, basketball, and other popular sports are presented in a structured format with real-time updates.

Users benefit from:

  • Live match updates and scores
  • Organized league and tournament listings
  • Essential team and event information
  • Smooth navigation between ongoing events

The emphasis on real-time data ensures that information remains accurate and relevant throughout live matches.

Transparency and Platform Trust

Trust plays a crucial role in long-term engagement. Betongame.com addresses this by clearly presenting its rules, terms, and platform policies. Important information is easy to locate and written in a way that users can understand before interacting further.

Security is also a core priority.

Security FeatureDescription
SSL encryptionProtects all data transfers
Account protection toolsAdds an extra safety layer
Privacy policyClearly explained
System monitoringContinuous performance checks

These measures help create a stable and predictable environment for users from different regions.

Payment Options and Processing Efficiency

Betongame.com supports a variety of payment methods to accommodate users worldwide. The platform emphasizes simplicity and efficiency, ensuring that transactions are processed smoothly and transparently.

Payment MethodProcessing TimeAvailability
Bank cardsMinutes to hoursGlobal
E-walletsFastGlobal
Bank transfer1–2 daysSelected regions
Digital paymentsQuickRegion-based

Clear payment processes help users complete transactions with confidence and minimal delay.

Mobile Experience and Accessibility

With mobile access now a standard expectation, betongame.com has invested in strong mobile optimization. The mobile version mirrors the desktop experience, offering the same structure, features, and performance.

Mobile highlights include:

  • Responsive design for different screen sizes
  • Touch-friendly navigation
  • Stable performance on slower connections
  • Full access to sports content and account features

This consistency allows users to switch between devices without losing functionality.

Customer Support and Localization

Reliable customer support is an essential component of any global platform. Betongame.com offers assistance around the clock, ensuring users can get help whenever needed.

Support features include:

  • 24/7 availability
  • Multilingual communication
  • Clear help resources and FAQs
  • Consistent response times

Localization options further improve accessibility by allowing users to interact with the platform in familiar languages and formats.

Regional Expansion and Local Access

To better serve users in different markets, betongame.com provides localized versions tailored to regional audiences. Users interested in region-specific platforms can explore line betting sites Myanmar, which offers localized access while maintaining the same core structure, performance standards, and usability as the main platform.

This regional approach allows the brand to adapt to local preferences without compromising overall quality or reliability.

Responsible Digital Engagement

Betongame.com promotes responsible digital use by offering tools that help users manage their activity. These features are designed to encourage balance and long-term engagement.

Responsible engagement tools include:

  • Activity monitoring
  • Time management options
  • User-controlled limits

This reflects a broader commitment to sustainable and user-focused platform development.

Conclusion

Betongame.com represents a modern and structured approach to sports-focused digital platforms. Through clean design, real-time information, and transparent systems, it provides a reliable environment for users who value clarity and efficiency. With strong mobile optimization, regional accessibility, and consistent support, the platform continues to align with current digital trends while maintaining a clear focus on user experience.

অনলাইনে ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করুন নিজে নিজেই E namjari khatian check step by step guide

E namjari khatian

নামজারি খতিয়ান খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নথিপত্র। বর্তমানে নামজারি খতিয়ান অনলাইন হতে পাওয়া যায় বলে নামজারি খতিয়ানকে ই নামজারি খতিয়ান বলা হয়। ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ফলে বর্তমান সময়ে নামজারি খতিয়ান যাচাই করতে হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে এবং এখানে থাকা নামজারি খতিয়ান অপশনে অনুসন্ধানে “জমির খতিয়ান নাম্বার” ও “জমির মালিকের নাম” এবং “জমির দাগ নং” প্রদান করে সার্চ করলে নামজারি খতিয়ানটির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আজ আমরা আপনাকে “ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান” সম্পর্কিত সকল তথ্য জানাবো।

ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধানের জন্য যা প্রয়োজন

নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধানের জন্য বেশ কিছু তথ্য অবশ্যই জেনে রাখা অত্যন্ত আবশ্যক। অন্যথায় ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারবেন না। যে সকল তথ্য প্রয়োজন হবে তার মধ্যে রয়েছেঃ

  • জমির মালিকের নাম।
  • জমির দাগ নম্বর।
  • নামজারি খতিয়ান নাম্বার।
  • সঠিক ঠিকানা প্রদান করুন।

সঠিক ভাবে তথ্য: বিভাগ → জেলা→ উপজেলা→ মৌজা

ভুল ভাবে তথ্য: মৌজা → উপজেলা → জেলা → বিভাগ

অবশ্যই সঠিকভাবে তথ্য প্রদান করতে হবে ঠিকানা নাহলে অনুসন্ধানের ফলাফল প্রদর্শিত হবে না।

এই সকল তথ্যসমূহ থাকলেই খুব সহজেই মাত্র ৫ মিনিটে ঘরে বসে নামজারি খতিয়ান যাচাই করা যায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। তবে আপনার জমির নামজারি খতিয়ান ও ইতিপূর্বে যদি অনলাইন না করা হয়ে থাকে তাহলে আপনি কোনভাবেই অনলাইন হতে নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান ও যাচাই করতে পারবেন না।

ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করার নিয়ম

অনলাইন হতে নামজারি অনুসন্ধান করার জন্য আপনাকে বেশ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।নিম্নে সুস্পষ্টভাবে এ সকল ধাপ উপস্থাপন করা হয়েছে:

ধাপ ১: বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। ওয়েবসাইট ঠিকানা: https://eporcha.gov.bd/ অথবা https://dlrms.land.gov.bd/

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ৫টি অপশন বিদ্যমান রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি যেহেতু নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করবেন এক্ষেত্রে “নামজারি খতিয়ান” অপশনটিতে প্রেস করুন।

ধাপ ২: আপনার জমির ঠিকানা বাছাই করুন। এক্ষেত্রে সঠিক ঠিকানা বাছাই কয়েক ক্ষেত্রে বিভাগ → জেলা → থানা বা উপজেলা → মৌজা বাছাই করতে হবে। বিস্তারিত নিম্নরূপ:

  • বিভাগ= আপনার জমিটি কোন বিভাগে রয়েছে সেটি বাছাই করুন।
  • জেলা= কোন জেলায় আপনার জমির বর্তমান অবস্থান সেটি নির্বাচন করুন।
  • থানা বা উপজেলা = আপনার জমির অবস্থান যে উপজেলায় অবশ্যই উক্ত উপজেলাটি বা থানা নির্বাচন করুন।
  • মৌজা= কোন মৌজার অধীনে আপনার জমিটি রয়েছে এটি অবশ্যই বাছাই করতে হবে। যদি আপনি মৌজার নাম না জেনে থাকেন সেক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ এর কাছ থেকে জেনে নিন।

ধাপ ৩ : এই ধাপে আপনাকে নামজারি খতিয়ান নাম্বার অপশনে খতিয়ান নাম্বার বসিয়ে “খুঁজুন” বাটনে প্রেস করুন। “খুঁজুন” বাটনে প্রেস করার পর আপনি দেখতে পাবেন নামজারি খতিয়ানটি কোন ব্যক্তির নামে বর্তমানে রয়েছে। আপনি যদি “খতিয়ান নাম্বার” দিয়ে নামজারি খতিয়ান যাচাই করতে ব্যর্থ হন সে ক্ষেত্রে জমির মালিকের নাম ও দাগ নাম্বার অনুসন্ধান করতে চেষ্টা করুন।

ধাপ ৪: যদি খতিয়ান নাম্বার দিয়ে নামজারি খতিয়ান যাচাই করতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে “অধিকতর অনুসন্ধান” বাটনে ক্লিক করে উক্ত স্থানে জমির মালিকের নাম ও দাগ নাম্বার প্রদান করুন। তাহলে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত নামজারি খতিয়ানের তথ্য দেখতে পাবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: নামজারি খতিয়ানটি যদি অনলাইন না করা হয়ে থাকে তাহলে কোন ভাবে অনলাইন থেকে নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আপনাকে আপনার নিকটস্থ ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে ও উক্ত অফিস থেকে আপনি আপনার নামজারি খতিয়ানটি অনুসন্ধান করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: অনলাইনে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করুন

ই নামজারি খতিয়ান সম্পর্কিত বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন সমূহ

(১) নামজারি খতিয়ান কোথায় পাওয়া যায়?

নামজারি খতিয়ান যদি জমির মালিকের কাছে না থাকে তাহলে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে নামজারি খতিয়ান সংগ্রহ করতে পারবেন জমির প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে।

(২) ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান খরচ কত টাকা?

ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধানের জন্য কোন প্রকার অর্থ ব্যয় হয় না।

(৩) ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান সরকারি ওয়েবসাইট ঠিকানার নাম কী?

ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান করার ওয়েবসাইট ঠিকানা : https://eporcha.gov.bd

সারকথা

নামজারি খতিয়ান বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই যাচাই করা যায়। এক্ষেত্রে নামজারি খতিয়ান যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ে কোন প্রকার অর্থ প্রদান করতে হয় না। প্রত্যাশা করি আজকে কি আর্টিকেলের মাধ্যমে আজ আমরা আপনাকে “ই নামজারি খতিয়ান অনুসন্ধান” সম্পর্কিত সকল তথ্য জানাতে পেরেছি।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় খুলনা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি Khulna Div Job Circular 2026

Khulna Div Job Circular

Divisional Commissioner Office Khulna Job Circular: বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, খুলনা এর শূন্য পদসমূহে সরাসরি ভাবে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ১০ টি পদে মোট ২৮ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। উক্ত পদে নারী-পুরুষ উভয় প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়াসহ সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা: সাঁট লিপিতে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ৫০ ও ৮০, কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০।
বেতন স্কেল: ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ২০ শব্দ।
বেতন স্কেল: ১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাশ।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ২০ শব্দ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাশ।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ ও ২০ শব্দ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: রেকর্ড কীপার
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ডেসপাস রাইডার
পদসংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ০৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: অর্ডারলী
পদসংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী
পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

পদের নাম: মালি
পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://divcomkhul.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।

আবেদন শুরুর সময়: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২৬ জানুযারি ২০২৬ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন:

Office of the Divisional Commissioner Khulna Job Circular 2026 PDF 1Office of the Divisional Commissioner Khulna Job Circular 2026 PDF 2Office of the Divisional Commissioner Khulna Job Circular 2026 PDF 3Office of the Divisional Commissioner Khulna Job Circular 2026 PDF 4Office of the Divisional Commissioner Khulna Job Circular 2026 PDF 5

আপনার কোন বিষয়ে প্রশ্ন বা জানার আগ্রহ থাকলে নিচের Ask বাটনে ক্লিক করে প্রশ্ন করতে পারবেন।

Ask

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

Post Related Things: Divisional Commissioner’s Office Job Circular 2026, চাকরির খবর, চাকরির খবর ২০২৬, চাকরির পত্রিকা আজকের, আজকের চাকরির খবর, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা, চাকরির খবর, bd govt jobs, all jobs bd newspaper, চাকরির খবর ২০২৬ সরকারি, সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2026

২০২৬ সালের জন্য ১০টি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

Profitable business idea in Bangladesh

নতুন বছরে অনেকেই ব্যবসা শুরু করার জন্য ইউনিক ব্যবসা আইডিয়া খুজে থাকে। বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটি ব্যবসাতেই ব্যাপক প্রতিযোগিতা রয়েছে। কিন্তু ইউনিক কিছু ব্যবসা আইডিয়া বাছাই করতে পারলে, এই প্রতিযোগিতা এড়িয়ে দ্রুতই ব্যবসাতে সাফল্য অর্জন সম্ভব।

আপনার পুজির পরিমান যেমনই হোক না কেন, এবং আপনি যেই ধরনের ব্যবসায়ই করতে চান না কেন, সেই ব্যবসা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া এবং পরিকল্পনা করা জরুরী। তাই উদ্যোক্তা ভাইদের জন্য এই আর্টিকেলে কয়েকটি ইউনিক লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

১০টি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

(১) টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা

পলিথিনের ব্যবহারের কারণে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ হচ্ছে সর্বত্রই। তাই বিশ্ববাসী এখন পলিথিনের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে চায়। প্রাণিজগতের হুমকি এই পলিথিন ব্যবহারে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা এখনো সম্ভব হয়নি। তাই পলিথিনের বিকল্প হিসেবে টিস্যু ব্যাগের প্রচলন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভবিষ্যতে এর প্রচলন ও চাহিদা আরো অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে টিস্যুর ব্যাগ কিংবা অন্যান্য উপাদানের ব্যাগের প্রচলন করতে হবে। তাই ক্ষুদ্র পরিসরে আমরা চাইলেই টিস্যু ব্যাগ তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারি। ইন্টারনেটে একটু ঘাটাঘাটি করলে অথবা যারা এই ব্যবসাটি করছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে, কিভাবে ব্যবসা শুরু করা যায় সে সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন।

(২) জ্যাম-জেলি তৈরির ব্যবসা

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই এমনকি প্রায় প্রতিটি দোকানেই জ্যাম-জেলি পাওয়া যায়। আর এই ধরনের খাবার আইটেমের চাহিদাও রয়েছে অনেক। ঘরে বসেই বিভিন্ন ধরনের জ্যাম কিংবা জেলি তৈরি ও বাজারজাতকরন করে ব্যবসা শুরু করা যায়।

প্রাথমিকভাবে এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য মাত্র ২৫-৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করাই যথেষ্ট হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইন্টারনেট থেকে দেখে দেখে চুলায় জেলি তৈরি করে সে গুলোকে কাচের বৈয়ামে ভর্তি করে বিক্রি করা যাবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ঘরেই ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি করে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। পরবর্তীতে আপনি চাইলে ধীরে ধীরে সেমি-অটোমেটিক অথবা অটোমেটিক মেশিন দিয়ে এগুলো তৈরি করার জন্য ধাপে ধাপে ব্যবসাটি সম্প্রসারন করতে পারবেন।

(৩) ন্যাপথলিন তৈরির ব্যবসা

বাংলাদেশে এই পণ্যটির ভালো বাজারচাহিদা রয়েছে। প্রায় প্রতিটি কসমেটিকস এর দোকানেই ন্যাপথলিন এর চাহিদা রয়েছে। জামা কাপড়ে এবং টয়লেটে পোকামাকড়ের আক্রমণ এড়ানোর জন্য এই পন্যটি ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় মশা তাড়ানোর জন্যও এটি ভালোভাবে কাজ করে। 

মূলত ন্যাপথলিন তৈরির মেশিনের সাহায্যে এই পণ্যের ছোট ছোট বল তৈরি করতে হয়। আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে এই পণ্য তৈরীর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। একবার এটি তৈরীর প্রক্রিয়া শিখে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।

(৪) কালোজিরার তেল তৈরির ব্যবসা

বাংলাদেশে কালোজিরার তেলের অনেক চাহিদা রয়েছে। কারণ কালোজিরার তেল মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম – বহু বছর আগেই বলে গিয়েছেন কালোজিরার ঔষধি গুনাগুণের কথা।

আপনি চাইলে এই কালোজিরার তেল তৈরি করেই কিন্তু সুন্দর একটি টঞট্রব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। আপনার আশেপাশের এলাকার যতগুলো ফার্মেসি রয়েছে সেই ফার্মেসি গুলোকে টার্গেট করে এই ব্যবসা শুরু করা যাবে। আপনার আশেপাশের ৫০০ টি ফার্মেসির মধ্য থেকে যদি ৩০০ টি ফার্মেসি যদি আপনার কাছ থেকে এই পণ্য নিয়ে বিক্রি করে তাহলেই ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য তা যথেষ্ট হবে।

(৫) মধু উৎপাদনের ব্যবসা

বাংলাদেশে মধু উৎপাদন ব্যবসাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। মধু উৎপাদনের জন্য আমাদের দেশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে মধু উৎপাদনের প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু টাকা বিনিয়োগ করে এই ব্যবসাটি শুরু করা যেতে পারে। প্রকৃতি নির্ভর এই ব্যবসাটিতে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করলেই এখান থেকে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

এই ব্যবসাতে আপনার প্রধান পুঁজি হবে নিজের অভিজ্ঞতা। আপনার অভিজ্ঞতা যত বৃদ্ধি পাবে ততই আপনি এই ব্যবসায় এগিয়ে যেতে সক্ষম হবেন। হানি কাল্টিভেশন ট্রেনিং সেন্টার ইন বাংলাদেশ লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করলেই আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে ট্রেনিং নিয়ে আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।

(৬) খেলনা তৈরির ব্যবসা

খেলনা তৈরির ব্যবসা

বাংলাদেশে একটি বিশাল সম্ভাবনাময় ব্যবসার খাত হচ্ছে বাচ্চাদের জন্য খেলনা তৈরি করা। আপনি খেয়াল করবেন ছোট ছোট খেলনা গুলো এতটাই বেশি দামে বিক্রি হয়, যা অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে প্রায় অকল্পনীয়। ক্ষুদ্র পরিসরেই এই ধরনের ব্যবসা শুরু করা যায়।

প্রাথমিক পর্যায়ে কাপড়ের তৈরি টেডি বিয়ার বা এজাতীয় খেলনা তৈরি করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কারণ এসকল উপাদান কম বুঝে নিয়েই উৎপাদন করা যায়। এর থেকে আরেকটু ভালো পণ্যের ব্যবসা করতে চাইলে, সেমি অটোমেটিক অথবা অটোমেটিক মেশিনের সাহায্যে ও বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের খেলনা তৈরি করে ব্যবসা করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে বিদেশ থেকে মেশিন আমদানি করে আনতে হবে। এক্ষেত্রে একটু বেশি ইনভেস্ট করতে হতে পারে।

(৭) চানাচুর এবং নিমকি তৈরির ব্যবসা

চানাচুর এবং নিমকি আগেও ছিল এবং বর্তমানেও রয়েছে। এটি প্রায় সবসময়ই একটি চাহিদা সম্পন্ন ও সম্ভাবনামায় ব্যবসা হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এধরনের পণ্য নিয়ে একটি ভালো মানের একটা ব্যবসা দাঁড় করানো সম্ভব।

আপনি কয়েকবার দেখলেই খুব সহজে চানাচুর এবং নিমকি তৈরির পদ্ধতি জেনে/শিখে নিতে পারবেন। চানাচুর বানানো শেখা হয়ে গেলে, বাড়িতে বসেই এগুলো তৈরি করবেন এবং প্যাকেটজাত করবেন। তারপর আশেপাশের প্রতিটি এলাকাতেই প্রচুর মুদি দোকান রয়েছে, সেখানে সাপ্লাই করে মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। অথবা স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে নির্দিষ্ট হাটের দিনে নিজেই বিক্রি করতে পারবেন বাড়তি দামে।

চানাচুর এর পাশাপাশি নিমকি, ডালভাজা, বাদাম ভাজা ইত্যাদিও তৈরি করা যায়। এটি অল্প পুঁজিতে অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা।

(৮) অ্যালুমিনিয়ামের অথবা স্টিলের দরজা জানালা তৈরি

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষদের মাঝে এখন দালানকোঠারর প্রতি আকর্ষণ অনেক বেশি। গ্রাম কিংবা শহর সব জায়গাতেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। অনেকেই পুরোনো বাড়িটাকে নতুন করে সাজানোতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নতুন বাড়ি ঘর তৈরি এমন কি অফিস-আদালতে অ্যালুমিনিয়ামের, স্টিলের, লোহার দরজা জানালার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

তাই নতুনভাবে শুরু করতে চাইলে অ্যালুমিনিয়ামের অথবা স্টিলের দরজা জানালা তৈরির ব্যবসাটি আপনার জন্য অনেকটা লাভজনক হবে। যদিও এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য একটু বেশি পুঁজির প্রয়োজন হবে। কিন্তু ব্যবসাটি শুরু করতে পারলে ভালো ইনকাম করা সম্ভব।

(৯) পনির, মাখন ও ঘি তৈরীর ব্যবসা

বাড়িতে বসে খুব সহজে পনির, মাখন এবং ঘি বানানো যায়৷ নামমাত্র বিনিয়োগ করেই এই ব্যবসাটি আপনি শুরু করতে পারবেন। বর্তমান বাজারে হাতে তৈরি ঘি, মাখন এবং ছানার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে৷ আপনি একবার এই উপাদানগুলো তৈরি করে বাজারজাত করলেই এর চাহিদা বুঝতে পারবেন।

বড় বড় কোম্পানির পন্যগুলোর চেয়ে বাড়িতে তৈরি পণ্যগুলোর মান অনেক ভালো ও নিরাপদ হয়। তাই বলেই মানুষ হাতে তৈরি উপাদানগুলো কিনতে আগ্রহী হয়৷ একবার ক্রেতার আস্থা অর্জন করতে পারলে বারবারই তারা আপনার কাছে ফিরে আসবে। এভাবে অল্প কিছু কাস্টমারকে নিয়মিত সার্ভিস প্রদান করতে পারলেই আপনার ব্যবসার জন্য যথেষ্ট হবে।

(১০) রাবারের কার্পেট, পাপোশ, টেবিল ক্লথ তৈরি

রাবারের তৈরি কার্পেট অথবা পাপোশ এর ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অফিসে অথবা বাড়িতে, সব জায়গাতেই এই পণ্যের চাহিদা রয়েছে। ভালো মানের এবং ভালো ডিজাইনের পণ্য তৈরি করতে পারলে বিক্রি করাও খুবই সহজ হবে৷

এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য আপনাকে কিছু সাধারন ট্রেনিং নিতে হবে এবং পণ্য তৈরীর জন্য কিছু যন্ত্রপাতি কিনে নিতে হবে। তবে এটি একটি মধ্যম পরিমান পুজির ব্যবসা। তাই এই ধরনের ব্যবসাতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩-৪ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

শেষকথা

উপরোক্ত আর্টিকেল থেকে বর্তমান সময়ের জন্য বাছাই করা কয়েকটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারলেন। তবে এখান থেকে কোন ব্যবসা শুরু করতে চাইলে, প্রথমে দীর্ঘদিন সেই ব্যবসার যাবতীয় বিষয়বস্ত পর্যবেক্ষন করে নিবেন। তা নাহলে ব্যবসাতে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

অনলাইনে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করুন | eporcha gov bd 2026

eporcha gov bd ই পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান

ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান এখন ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে মাএ ৫ মিনিটের মধ্যে যাচাই করা সম্ভব। আজ হতে বিগত ২-৩ বছর পূর্বে বাংলাদেশ যে পর্চা খতিয়ান ব্যবহার করা হতো সেটি সম্পূর্ণ হাতে লেখা,যা পূর্বে অনুসন্ধান বা বের করতে চাইলে নিকটস্থ ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পে কিছু সময়ের মধ্যেই-পর্চা খতিয়ান বের করা সম্ভব। আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আজ আমরা আপনাকে,ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাবো।

ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

অনলাইনে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করতে বেশ কিছু তথ্যের প্রয়োজন হয়। এ সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান না করলে অনলাইনে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করা সম্ভব হয় না। যে সকল তথ্য প্রয়োজন হবে তা এর মধ্যে রয়েছেঃ

  • জমির মালিকের নাম ও জমির দাগ নাম্বার।
  • ই-পর্চা খতিয়ান নাম্বার।
  • খতিয়ানের ধরন।
  • সঠিক ঠিকানা প্রদান করতে হবে। যেমনঃ বিভাগ-জেলা-উপজেলা-মৌজা।

মোবাইলের মাধ্যমে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার নিয়ম

জমির ই-পর্চা খতিয়ান যদি অনলাইন করা হয় তাহলে ঘরে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটের মাধ্যমে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারবেন।

তবে জমির ই-পর্চা খতিয়ান যদি অনলাইন করা না হয় তাহলে মোবাইল এর মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (https://dlrms.land.gov.bd/) থেকে ই-পর্চা খতিয়ানটি অনুসন্ধান করতে পারবেন না ও ই-পর্চা খতিয়ান ডাউনলোড করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে অনলাইন থেকে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান ও ডাউনলোড করার জন্য আপনার নিকটস্থ ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে গিয়ে বা অনলাইনের মাধ্যমে আপনার ই-পর্চা খতিয়ানটি অনলাইন করাতে হবে।

নির্ভুলভাবে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করতে নিম্নে উপস্থাপন করা ধাপসমূহ অনুসরণ করুন।

ধাপ ১: ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার জন্য বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটে ঠিকানাঃ

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর, ওয়েবসাইট থেকে সার্ভে খতিয়ান অপশনটি বাছাই করতে হবে।

ধাপ ২: সার্ভে খতিয়ান অপশনটিতে ক্লিক করার পর আপনাকে আপনার বিভাগটি অনুসন্ধান করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জমি যে বিভাগে রয়েছে অবশ্যই উক্ত বিভাগ দিয়ে বাছাই করতে হবে।

ধাপ ৩: বিভাগ বাছাই করার পর জেলা নির্বাচন করার অপশন থেকে আপনার যে জেলায় জমি রয়েছে উক্ত জেলাটি নির্বাচন করুন।

ধাপ ৪ : পূর্বের নিয়ম অনুসরণ করে আপনার জেলা নির্বাচন করার পর সঠিক উপজেলা নির্বাচন করুন। অবশ্যই আপনার যে উপজেলায় জমির আছে উক্ত উপজেলা নির্বাচন করতে হবে।

ধাপ ৫: উপজেলা নির্বাচন করার পর আপনাকে খতিয়ানের ধরন নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার খতিয়ানের ধরন অনুযায়ী খতিয়ান বাছাই করতে হবে ও সেটি সিলেক্ট করতে হবে। যেমন: বিএস খতিয়ান

ধাপ ৬: খতিয়ানের ধরন সঠিকভাবে বাছাই করার পর পরবর্তী ধাপে আপনাকে মৌজা বাছাই করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিত হয়ে আপনার মৌজা কোনটি সেটি বাছাই করুন ও সিলেক্ট করুন। যেমন: আপনার মৌজা।

ধাপ ৭: সর্বশেষ ধাপে খতিয়ানের তালিকা অনুসন্ধান বক্সে ই-পর্চা খতিয়ান নাম্বার প্রদান করুন এবং খুঁজুন বাটনে ক্লিক করুন। রিপোর্ট চা খতিয়ান নাম্বার যদি সঠিক থাকে তাহলে ক্লিক করার পরই আপনার খতিয়ানের বিস্তারিত তথ্য আপনি দেখতে পাবেন।

উল্লেখ্য যে, খতিয়ান নাম্বার দিয়ে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধানের ফলাফল প্রদর্শিত না হয় এক্ষেত্রে অধিকতর অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন এবং জমির মালিকের নাম ও দাগ নম্বর দিয়ে  খুঁজুন বাটনে ক্লিক করলে ই-পর্চা খতিয়ানের সকল তথ্য আপনি দেখতে পাবেন।

অবশ্যই আপনাকে আমাদের দেখানো নিয়ম অনুসরণ করে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধানে করতে হবে। তাহলেই আপনি আপনার সম্ভাব্য ফলাফল ও ই-পর্চা খতিয়ান এর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

জমির খতিয়ান ডাউনলোড করার নিয়ম। ই-পর্চা খতিয়ান

যদি ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার পর ডাউনলোড করার প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি অর্থাৎ ১০০ টাকা ফি প্রদান করার মাধ্যমে আবেদন করে তাৎক্ষণিকভাবে ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন কপি ডাউনলোড করা যায়। তবে আপনি যদি ই-পর্চা খতিয়ান সার্টিফাইড কপি নিতে চান সেক্ষেত্রে আপনার ঠিকানায় পৌঁছাতে সর্বাধিক ৭ কর্ম দিবস সময় লাগবে।

জমির খতিয়ান ডাউনলোড করার জন্য যে সকল তথ্যের প্রয়োজন হবে। এ সকল তথ্যের মধ্যে রয়েছে:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর /এনআইডি নাম্বার /ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার।
  • সঠিক জন্মতারিখ।
  • মোবাইল নাম্বার।
  • ইমেইল ঠিকানা।
  • জমির তথ্য অনুযায়ী সঠিক ঠিকানা।
  • ইংরেজিতে নাম।

ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার শেষে যখন আপনি আপনার খতিয়ান খুঁজে পাবেন তখন আপনার নামের উপর ক্লিক করলে নিচের ছবি তথ্য অনুসারে এমন  প্রদর্শিত হবে।  ছবিতে নির্দেশ করা খতিয়ান আবেদন বাটনে ক্লিক করুন।

খতিয়ান আবে তো অনেক বাটনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে খতিয়ান আবেদন ফরম প্রদর্শিত হবে এখানে আপনি তিনটি ধাপে খতিয়ান ডাউনলোড করতে পারবেন। নিম্নের উপস্থাপিত ধাপসমূহ অনুসরণ করুন:

ধাপ ১: জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর বা ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর প্রদান করে  যাচাই করুন বাটনে ক্লিক করুন।

যদি আপনার প্রদান কৃত সকল তথ্য সঠিক হয় তাহলে যাচাই সফল হয়েছে এমন একটি ইন্টারফেস আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে।

ধাপ ২: জমির তথ্য অনুযায়ী আপনার নামটি ইংরেজিতে প্রদান করুন ও পাশে থাকা ইমেইল বক্সে ইমেইল ঠিকানাটি প্রদান করতে পারেন তবে না প্রদান করলে কোন সমস্যা নেই। অতঃপর আপনার জমির ঠিকানার তথ্য অনুযায়ী আপনার ঠিকানা প্রদান করুন ও আবেদনের ধরন বাছাই করুন।

সঠিক তথ্য প্রদান করার পর ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে চান সেক্ষেত্রে অনলাইন কপি নির্বাচন করুন।

তবে আপনি যদি ই-পর্চা খতিয়ান সার্টিফাইডে কপি পেতে চান এক্ষেত্রে সার্টিফাইড কপি বাটনে ক্লিক করে অফিস কাউন্টার কিংবা ডাকযোগ নির্বাচন করুন।

যদি তাৎক্ষণিকভাবে ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে চান এক্ষেত্রে ১০০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। তবে আপনি যদি ডাকযোগ মাধ্যমে ডেলিভারি নিতে চান এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৪০ টাকা পোস্ট ফি প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ ডাকযোগে ই-পর্চা খতিয়ান এর সার্টিফাইড কপি পেতে ১৪০ টাকা প্রদান করতে হবে।

তবে আবেদনকারী যদি দেশের বাইরে থাকেন তাহলে তিনি ই-পর্চা খতিয়ানটি দেশের বাহিরে থেকে নিতে পারবেন নির্ধারিত ফি প্রদান করে।

ধাপ ৩ : ফি প্রদান করার জন্য আপনাকে ব্যাংকে বা অন্য কোথাও যেতে হবে না আপনি এখান থেকেই নির্ধারিত ফি প্রদান করতে পারবেন মোবাইল ব্যাংকিং  মাধ্যমে। মোবাইল ব্যাংকিং  এর মধ্যে রয়েছে; বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়। পরবর্তী ধাপে যেতে ফি পরিশোধ বাটনে ক্লিক করে ফি পরিশোধ করুন।

নির্ধারিত ফি প্রদান করার পর আপনার আবেদনের ধরন অনুযায়ী অনলাইন কপি ডাউনলোড করার অপশন ও সার্টিফাইড কপি ডাকযোগে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে পেয়ে যাবেন।

খতিয়ান নাম্বার

ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন করার আবেদন পদ্ধতি

আপনি সাধারণত দুইটি উপায়ে ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন করতে পারবেন। প্রথম উপায়টি হচ্ছে, আপনার নিকটস্থ ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে গিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তার নিকট একটি আবেদন করতে হবে। দ্বিতীয় উপায়টি হচ্ছে, অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন করার আবেদন। নিম্নে ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইন করার নিয়ম উপস্থাপন করা হয়েছে:

  • ই-পর্চা ও খতিয়ান অনুসন্ধান করার জন্য আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা, খতিয়ানের ধরন, মৌজা ও আরও সকল কিছু নির্বাচন করার পর খতিয়ানের তালিকা অপশনে এসে যদি আপনার খতিয়ান নাম্বার তথ্য যদি দেখতে না পান, তবে খতিয়ান আবেদন বোতামে ক্লিক করুন।
  • খতিয়ান আবেদন বাটনে ক্লিক করার পর আগের মত একটি ফরম আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে। ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে সম্পূর্ণ করুন।
  • খতিয়ান ডাউনলোডের জন্য আবেদন ফরম ও খতিয়ান অনলাইনে করার আবেদন ফরম একই তবে অনলাইনে করার ক্ষেত্রে আবেদন ফরমে কপির ডাউনলোড করার কোন অপশন থাকবে না।
  • তবে এই পর্যায়ে খতিয়ান অনলাইন করার জন্য আবেদন করার সময় শুধু সার্টিফাইড কপি ডাকযোগে কিংবা অফিস কাউন্টার মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে। 

ই-পর্চা খতিয়ান সম্পর্কিত প্রশ্নাবলী

  1. ই-পর্চা খতিয়ান কি?

    ই-পর্চা খতিয়ান হলো এমন এক ধরনের ডিজিটাল সেবা যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করে জনগণকে তার জমি-জমা সংক্রান্ত সেবা প্রদান করার করার বিশেষ প্রক্রিয়া যা থেকে যা জনগণ তার জমির পর্চা খতিয়ান ডাউনলোড করতে পারেন পৃথিবীর যে কোন স্থানে থেকে।

  2. নাম দিয়ে খতিয়ান নম্বর কিভাবে বের করব?

    নাম দিয়ে খতিয়ান নম্বর যাচাই করার জন্য eporchs.gov.bd ওয়েবসাইটের সার্ভে খতিয়ান অপশন থেকে জমির ঠিকানা ও মৌজা সিলেক্ট করে “অধিকতর অনুসন্ধান” ক্লিক করে মালিকের নাম খালি বক্সে প্রদান করে ” খুঁজুন বাটনে” ক্লিক করে নাম দিয়ে খতিয়ান নাম্বার বের করা যায়।

শেষ কথা

প্রত্যাশা করে উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে আজ আমরা আপনাকে ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান করার নিয়ম ও ই-পর্চা খতিয়ান সকল তথ্য জানাতে হা পেরেছি। ই-পর্চা খতিয়ানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ  একটি ডকুমেন্ট। সেহেতু ই-পর্চা খতিয়ান অনলাইনে করে রাখা অত্যন্ত আবশ্যক।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে চাকরির বিজ্ঞপ্তি DLS Job Circular 2026

DLS Job Circular 2026: মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে এবং রাজস্বখাতের শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ০১ টি পদে মোট ৪৮৩ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ  ও  যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

Department of Livestock Services DLS Job Circular 2026

পদের নাম: ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট (ভি.এফ.এ)
পদ সংখ্যা: ৪৮৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সরকারি ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা লাইভস্টক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১ বছরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
বেতন স্কেল: ১০,২০০–২৪,৬৮০/- টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল ০৯:০০ টা থেকে শুরু হবে।
আবেদনের শেষ সময: ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টায় শেষ হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা এই http://dls.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন…

প্রতিদিন সরকারি চাকরির খবর সবার আগে পেতে আমাদের WhatsApp গ্রুপে জয়েন করুন।

সরকারি বেসরকারি সকল চাকরির খবর পড়তে আমাদের চাকরির খবর পেজে বিজিট করুন।

নতুন চাকরির খবর সবার আগে পেতে

Post Related Things: bd job today, New job circular, bd recent job circular, Job Circular সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2026, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৬, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, daily চাকরির খবর, e চাকরির খবর, চাকরির খবর govt, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2026, চাকরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, new চাকরির খবর, চাকরির খবর paper, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির ডাক পত্রিকা, চাকরির বাজার পত্রিকা, সাপ্তাহিক চাকরির পত্রিকা

How to Install the Jitabet App on Android & iOS in Bangladesh

With mobile devices constantly improving and getting better, more and more people now want to place their sports bets and play casino games on the go. In Bangladesh there are many methods of doing so, but the Jitabet app will be the best one. The application is free for anyone and it is also safe and reliable as it operates under the Anjouan license ALSI-142311014 which is considered one of the safest in the world. All who are new can get a great 200% welcome bonus that can give you up to 800 BDT, and in the app you can also turn on push notifications so that you never skip an upcoming event or a new bonus.

Getting Started: How to Download the Jitabet App for Android

Of course, before you can start using Jitabet’s app, you will first have to manually download and install it. Luckily, Jitabet made sure that the process is as easy as it can possibly be and all that you will need to do to get the app on your Android device is:

  1. Visit Jitabet. You can use the mobile browser for that;
  2. Find the “App” button. It is located on the main page and has the phone icon;
  3. Press “Full App”. This will start the download of the APK file;
  4. Allow third-party installations. While the APK is downloading, you should open the settings of your Android device, find “Allow third-party installations” and switch it to “Enable”;
  5. Install the APK file. All that is left for you to do is to open the Downloads folder, find the Jitabet APK, open it and press “Install”. 

The installation itself will take only a minute after which you will be able to use the app no problem.

Step-by-Step Guide to Installing the Jitabet App on iOS Devices

While the Jitabet’s app is fully available on Android, the iOS version is being developed now and in the meantime you can get the PWA version on your device. It works just like the Android version while not taking any space and it’s just as easy to get. Here’s what you are going to do:

  1. Visit Jitabet. Use your mobile browser like Safari for that;
  2. Open the Share menu. For that, you should press the “Share” button on the bottom of your browser;
  3. Tap “Add to Home Screen”. This will open the box where you will need to fill in the information about the site;
  4. Confirm. All that is left for you to do is to make sure the information about the site is correct and confirm.

After you finish you will be able to use the shortcut of Jitabet just like the official app.

Registration Process: How to Sign Up via the Jitabet App

Of course, having the app itself is nice, but you will not be able to use it unless you have an account. However, the app is suitable for creating an account in a matter of minutes and to do so, you will just need to do the next steps:

  1. Open the Jitabet app on your Android or iOS device;
  2. Press the “Register” button on the main page to open the sign up box;
  3. Fill in the needed information. This includes your username, password, password confirmation, phone number and verification code;
  4. Tap on “I agree with Jitabet’s Terms and Conditions” and press “Register”.

And that’s it, the account will be created and you will get logged into it. If you already have one, however, you can just enter the username and password in the respective fields on the main page and press “Log in”.

Jitabet App Welcome Bonus

New users of the Jitabet app can boost their starting bankroll with a generous 200% welcome bonus. After registering and making a first deposit of at least 200 BDT, your balance is increased by up to 800 BDT, giving you more funds to place bets and explore the platform. This welcome offer is designed to help beginners get more value from their first betting experience on Jitabet.

List of Sports Available in the Jitabet App

The Jitabet app offers a wide range of sports, allowing you to bet on popular local (Bangladesh) and international events. It provides stable performance, competitive odds, and access to both pre-match and live betting at any time.

Sports available in the Jitabet app:

  • Cricket
  • Football
  • Tennis
  • Basketball
  • Badminton
  • Table Tennis
  • Volleyball
  • Ice Hockey
  • Baseball
  • Esports

How to Place Bets Using the Jitabet App

Now that all the preparations are done , you can easily use the app to start placing your bets. Just follow our simple instructions to do so:

  1. Open the Jitabet app on your Android or iOS device and log into your account;
  2. Press the “Deposit” button, pick the deposit method and enter the wallet address as well as the amount you would like to deposit, then confirm the deposit;
  3. Open the sportsbook or the casino section and pick what you would like to bet on;
  4. You will have to pick the betting markets and odds for your bet if you chose sports;
  5. Think of the amount you want to bet with, then enter it in your betslip;
  6. Press “Place Bet” or “Play” to place your bet.

And that’s it! If your bet wins, you will instantly get the winnings to your account.

Conclusion: Why the Jitabet App is a Top Choice for Bangladeshis

Jitabet does everything it can to make your bets better, and the mobile app really helps with that. After all, it’s free to get, easy to use and can help place great bets when you’re not at home. Make sure to get it on your device and never miss a great bet again.